শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক ডিসেম্বরে
jugantor
শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক ডিসেম্বরে

  মাসুদ করিম  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:০০:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক ডিসেম্বরে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আগামী ডিসেম্বরে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে দিল্লি। এটি বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে। তবে মোদি ওই সময়ে বাংলাদেশ সফরে এসে বৈঠকে যোগ দেবেন বলে ঢাকার প্রত্যাশা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সোমবার যুগান্তরকে বলেন, ডিসেম্বরে ভারত দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক করতে চাইছে।

মঙ্গলবার দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের ‘জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশন’ (জেসিসি) বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। মহামারী পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভার্চুয়ালি বৈঠকটি হতে পারে।

জেসিসির মঙ্গলবারের বৈঠক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ ২৫ মিনিট ও ভারত ২৫ মিনিট সময় পাবে। এত অল্প সময়ে বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব নয়। দিনব্যাপী আলোচনা করলে অনেক বিষয়ে অগ্রগতি সম্ভব ছিল। ফলে এ বৈঠকে খুব বেশি কিছু আশা করা ঠিক হবে না।

জেসিসি বৈঠকের মাধ্যমে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ করা হবে। মুজিববর্ষে যৌথ কর্মসূচি নেয়ার বিষয়েও আলোচনা করবে দুই দেশ।

শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক ডিসেম্বরে

 মাসুদ করিম 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক ডিসেম্বরে
ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আগামী ডিসেম্বরে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে দিল্লি। এটি বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে। তবে মোদি ওই সময়ে বাংলাদেশ সফরে এসে বৈঠকে যোগ দেবেন বলে ঢাকার প্রত্যাশা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সোমবার যুগান্তরকে বলেন, ডিসেম্বরে ভারত দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক করতে চাইছে।

মঙ্গলবার দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের ‘জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশন’ (জেসিসি) বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। মহামারী পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভার্চুয়ালি বৈঠকটি হতে পারে।

জেসিসির মঙ্গলবারের বৈঠক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ ২৫ মিনিট ও ভারত ২৫ মিনিট সময় পাবে। এত অল্প সময়ে বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব নয়। দিনব্যাপী আলোচনা করলে অনেক বিষয়ে অগ্রগতি সম্ভব ছিল। ফলে এ বৈঠকে খুব বেশি কিছু আশা করা ঠিক হবে না।

জেসিসি বৈঠকের মাধ্যমে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ করা হবে। মুজিববর্ষে যৌথ কর্মসূচি নেয়ার বিষয়েও আলোচনা করবে দুই দেশ।