পা হারানো রাসেলের ক্ষতিপূরণ রায় ১ অক্টোবর
jugantor
পা হারানো রাসেলের ক্ষতিপূরণ রায় ১ অক্টোবর

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩:৫৪:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাসচাপায় পা হারানো রাসেল সরকারের ক্ষতিপূরণ বিষয়ে রুল ও রিটের ওপর রায়ের জন্য ১ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার রায়ের এ সময় নির্ধারণ করেন।
রাসেল সরকারের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ নিয়ে করা রিটটি রায়ের জন্য ছিল ৫ নম্বর ক্রমিকে। আদালত রায়ের জন্য ১ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।
২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিনলাইন পরিবহনের একটি বাস চাপা দিলে পা হারান রাসেল। এ ঘটনায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম রিট করেন। একই বছরের ১৪ মে হাইকোর্টের দেয়া রুলে রাসেলকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। গত ৫ মার্চ রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়। সেদিন আদালত ১৫ এপ্রিল রায়ের জন্য দিন রাখেন।
তবে করোনা মহামারীর কারণে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির সঙ্গে মিল রেখে আদালতে ছুটি চলে। পরে হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চটি পুনর্গঠন করা হয় ও বিচারিক এখতিয়ার পরিবর্তন করা হয়। ফলে আর রায় হয়নি। পরে প্রধান বিচারপতি দ্বৈত বেঞ্চটি গঠন করে দেন। এই বেঞ্চ বৃহস্পতিবার আলোচিত মামলার রায় দেবেন।

পা হারানো রাসেলের ক্ষতিপূরণ রায় ১ অক্টোবর

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাসচাপায় পা হারানো রাসেল সরকারের ক্ষতিপূরণ বিষয়ে রুল ও রিটের ওপর রায়ের জন্য ১ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার রায়ের এ সময় নির্ধারণ করেন।
রাসেল সরকারের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ নিয়ে করা রিটটি রায়ের জন্য ছিল ৫ নম্বর ক্রমিকে। আদালত রায়ের জন্য ১ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।
২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিনলাইন পরিবহনের একটি বাস চাপা দিলে পা হারান রাসেল। এ ঘটনায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম রিট করেন। একই বছরের ১৪ মে হাইকোর্টের দেয়া রুলে রাসেলকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। গত ৫ মার্চ রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়। সেদিন আদালত ১৫ এপ্রিল রায়ের জন্য দিন রাখেন।
তবে করোনা মহামারীর কারণে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির সঙ্গে মিল রেখে আদালতে ছুটি চলে। পরে হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চটি পুনর্গঠন করা হয় ও বিচারিক এখতিয়ার পরিবর্তন করা হয়। ফলে আর রায় হয়নি। পরে প্রধান বিচারপতি দ্বৈত বেঞ্চটি গঠন করে দেন। এই বেঞ্চ বৃহস্পতিবার আলোচিত মামলার রায় দেবেন।