করোনায় ১৫ লাখ ৭১ হাজার মানুষ নিয়েছেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
jugantor
করোনায় ১৫ লাখ ৭১ হাজার মানুষ নিয়েছেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের দাবি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০১ অক্টোবর ২০২০, ১৪:২৯:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা মহামারী চলাকালীন সময়ে ১৫ লাখ ৭১ হাজার মানুষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করে সুস্থ থেকেছেন।

এমনকি পুলিশ হাসপাতালে পিসিআর মেশিনে পজেটিভ এমন ১০০ জনকে হোমিওপ্যাথিক চেকিৎসা দেয়া হয়েছে।

যাদের মধ্যে ৯৫ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হওয়ে উঠেছেন। বাকী ৫ জনও সুস্থতার পথে। এমন দাবি করেছেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের নেতৃবৃন্দ।

'করোনা প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভূমিকা ও উন্নয়ন’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তারা এই দাবি করেন।

রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার এই সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। সভায় সভাপত্বি এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করনে বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. দিলীপ কুমার রায়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বার্ডের সদস্য ডা. শেখ মো ইফতেখার উদ্দিন, ডা. আশীষ শংকর নিয়োগী, ডা. কায়েম উদ্দিন, ডা. মো আতাহার আলী, ডা. মো. নজরুল ইসলাম সুমন, ডা. মো. ইসরাফিল হোসেন মুন্সি, ডা. মো. রাশেদুল হক, হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা. কামারুজ্জামান ভূইয়া প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনাভাইরাসসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক মহামারী প্রতিরোধ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে এই বিষয়ে উচ্চতর গবেষণার জন্য জাতীয় রিসার্চ সেন্টার, উচ্চতর শিক্ষার জন্য হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং আধুনিক হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি।

ভারতে হোমিও চিকিৎসার প্রসারে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গড়ে তেলা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে রোগীদের রেখে চিকিৎসা করার মতো কোন হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ নেই।

এ সময় বের্ডের চেয়ারম্যনা দিলীপ কুমার রায় বলেন, হোমিও চিকিৎসার প্রসারে ইতিমধ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে জাতীয় রিসার্চ সেন্টার এবং উচ্চশিক্ষার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সম্ভবনা থাকার পরেও বাংলাদেশে এই চিকিৎসা ব্যবস্থা অবহেলিতই থেকে গেছে। সহজলভ্যতা ও পাশ্বপ্রতিক্রিয়া না থাকায় দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আস্থা রাখেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ করে তুলতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে হোমিও চিকিৎসা সফল হয়েছে।

এসময় এক প্রশ্নর জবাবে নেতৃবৃন্দ বলেন, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় কোন ধরনের স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয় না। কোভিড নিয়ন্ত্রণে যেসব ওষুধ ব্যবহার করা হয় সেগুলো মূলতো শরীরে ইমিউনিটি তৈরি করে, যা রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভুমিকা রাখে।

করোনায় ১৫ লাখ ৭১ হাজার মানুষ নিয়েছেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের দাবি
 যুগান্তর রিপোর্ট 
০১ অক্টোবর ২০২০, ০২:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা মহামারী চলাকালীন সময়ে ১৫ লাখ ৭১ হাজার মানুষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করে সুস্থ থেকেছেন।

এমনকি পুলিশ হাসপাতালে পিসিআর মেশিনে পজেটিভ এমন ১০০ জনকে হোমিওপ্যাথিক চেকিৎসা দেয়া হয়েছে।

যাদের মধ্যে ৯৫ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হওয়ে উঠেছেন। বাকী ৫ জনও সুস্থতার পথে। এমন দাবি করেছেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের নেতৃবৃন্দ।

'করোনা প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভূমিকা ও উন্নয়ন’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তারা এই দাবি করেন।

রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার এই সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। সভায় সভাপত্বি এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করনে বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. দিলীপ কুমার রায়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বার্ডের সদস্য ডা. শেখ মো ইফতেখার উদ্দিন, ডা. আশীষ শংকর নিয়োগী, ডা. কায়েম উদ্দিন, ডা. মো আতাহার আলী, ডা. মো. নজরুল ইসলাম সুমন, ডা. মো. ইসরাফিল হোসেন মুন্সি, ডা. মো. রাশেদুল হক, হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা. কামারুজ্জামান ভূইয়া প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনাভাইরাসসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক মহামারী প্রতিরোধ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে এই বিষয়ে উচ্চতর গবেষণার জন্য জাতীয় রিসার্চ সেন্টার, উচ্চতর শিক্ষার জন্য হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং আধুনিক হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি।

ভারতে হোমিও চিকিৎসার প্রসারে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গড়ে তেলা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে রোগীদের রেখে চিকিৎসা করার মতো কোন হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ নেই।

এ সময় বের্ডের চেয়ারম্যনা দিলীপ কুমার রায় বলেন, হোমিও চিকিৎসার প্রসারে ইতিমধ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে জাতীয় রিসার্চ সেন্টার এবং উচ্চশিক্ষার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সম্ভবনা থাকার পরেও বাংলাদেশে এই চিকিৎসা ব্যবস্থা অবহেলিতই থেকে গেছে। সহজলভ্যতা ও পাশ্বপ্রতিক্রিয়া না থাকায় দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আস্থা রাখেন।

 করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ করে তুলতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে হোমিও চিকিৎসা সফল হয়েছে।

এসময় এক প্রশ্নর জবাবে নেতৃবৃন্দ বলেন, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় কোন ধরনের স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয় না। কোভিড নিয়ন্ত্রণে যেসব ওষুধ ব্যবহার করা হয় সেগুলো মূলতো শরীরে ইমিউনিটি তৈরি করে, যা রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভুমিকা রাখে।