জলাধার বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
jugantor
জলাধার বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০১ অক্টোবর ২০২০, ১৬:০০:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

জলাধার বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় নতুন জলাধার সৃষ্টি এবং বিদ্যমান জলাধারগুলোর পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনকালে এ তাগিদ দেন তিনি।


এদিন প্রধানমন্ত্রী নবনির্মিত পানি ভবন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল, বিমানবন্দরের ভেতরে বঙ্গবন্ধু কর্নার, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের নবনির্মিত প্রধান কার্যালয় পর্যটন ভবন এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন।


তিনি বলেন, সারা দেশে যত খাল, বিল, হাওর, পুকুর, নদী যা আছে সবগুলোর যাতে নাব্য থাকে, সেগুলো খনন করা, সেখানে পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানো– এসব করতে হবে। তাতে দুটি কাজ হবে। একটা হচ্ছে– আমাদের জীববৈচিত্র্য রক্ষা হবে, মৎস্য উৎপাদন বাড়বে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হবে। তাতে মানুষের চহিদাটাও আমরা পূরণ করতে পারব।


জলাধার বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষের পানির চাহিদা মেটাতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে পানির জন্য একসময় হাহাকার ছিল সেই হাহাকারটা যেন বন্ধ হয়। আমাদের লক্ষ্য দেশের মানুষকে সুপেয় পানি দিতে হবে।


ভূ-গর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার নিশ্চিতে বিশেষ দৃষ্টি দেয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার করতে হবে। আমাদের সেচের পানি বা ব্যবহারের পানি যেন ভূ-গর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ভূ-উপরিস্থ পানির উৎস থেকে আসে সেদিকে যাতে আমরা বিশেষ দৃষ্টি দিই।


পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব প্রকৌশলীদের নকশায় প্রায় চার লাখ ২০ হাজার বর্গফুটবিশিষ্ট এ ভবন নির্মাণে সময় লেগেছে প্রায় সাড়ে চার বছর। কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পানি ভবনে সোলার প্যানেল, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, রেইন ওয়াটার রিজার্ভরের মতো পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাসহ ৫৩৬ জন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অডিটোরিয়াম, ৪৫০০ বর্গফুটের হেলিপ্যাড, ৩৭৬টি গাড়ি পার্কিংসহ অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও রয়েছে।


এ ছাড়া এই কমপ্লেক্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মৃতিবিজড়িত পুকুরটি (২১ হাজার ৪৮৪ বর্গফুট) সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং ২০ হাজার ৬২৫ বর্গফুটের একটি জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্তে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম প্রমুখ।


পানি ভবন মিলনায়তন প্রান্তে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রান্ত থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জলাধার বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০১ অক্টোবর ২০২০, ০৪:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জলাধার বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
ফাইল ছবি

জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় নতুন জলাধার সৃষ্টি এবং বিদ্যমান জলাধারগুলোর পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনকালে এ তাগিদ দেন তিনি।


এদিন প্রধানমন্ত্রী নবনির্মিত পানি ভবন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল, বিমানবন্দরের ভেতরে বঙ্গবন্ধু কর্নার, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের নবনির্মিত প্রধান কার্যালয় পর্যটন ভবন এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন।


তিনি বলেন, সারা দেশে যত খাল, বিল, হাওর, পুকুর, নদী যা আছে সবগুলোর যাতে নাব্য থাকে, সেগুলো খনন করা, সেখানে পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানো– এসব করতে হবে। তাতে দুটি কাজ হবে। একটা হচ্ছে– আমাদের জীববৈচিত্র্য রক্ষা হবে, মৎস্য উৎপাদন বাড়বে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হবে। তাতে মানুষের চহিদাটাও আমরা পূরণ করতে পারব।


জলাধার বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষের পানির চাহিদা মেটাতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে পানির জন্য একসময় হাহাকার ছিল সেই হাহাকারটা যেন বন্ধ হয়। আমাদের লক্ষ্য দেশের মানুষকে সুপেয় পানি দিতে হবে।


ভূ-গর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার নিশ্চিতে বিশেষ দৃষ্টি দেয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার করতে হবে। আমাদের সেচের পানি বা ব্যবহারের পানি যেন ভূ-গর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ভূ-উপরিস্থ পানির উৎস থেকে আসে সেদিকে যাতে আমরা বিশেষ দৃষ্টি দিই।


পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব প্রকৌশলীদের নকশায় প্রায় চার লাখ ২০ হাজার বর্গফুটবিশিষ্ট এ ভবন নির্মাণে সময় লেগেছে প্রায় সাড়ে চার বছর। কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পানি ভবনে সোলার প্যানেল, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, রেইন ওয়াটার রিজার্ভরের মতো পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাসহ ৫৩৬ জন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অডিটোরিয়াম, ৪৫০০ বর্গফুটের হেলিপ্যাড, ৩৭৬টি গাড়ি পার্কিংসহ অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও রয়েছে।


এ ছাড়া এই কমপ্লেক্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মৃতিবিজড়িত পুকুরটি (২১ হাজার ৪৮৪ বর্গফুট) সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং ২০ হাজার ৬২৫ বর্গফুটের একটি জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্তে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম প্রমুখ।


পানি ভবন মিলনায়তন প্রান্তে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রান্ত থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।