ইউএনও ওয়াহিদা খানম সিআরপিতে
jugantor
ইউএনও ওয়াহিদা খানম সিআরপিতে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০১ অক্টোবর ২০২০, ১৬:০৮:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরাপিতে ওয়াহিদা খানম

প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সাবেক ইউএনও ওয়াহিদা খানম। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মিরপুরের সিআরপি হাসপাতালে।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয় ওয়াহিদাকে। এর পর পরই তাকে মিরপুর সিআরপিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. জাহেদ হোসেন জানান, ওয়াহিদা খানমের শারীরিক অবস্থা এখন ‘ভালো’। এক মাস পর তাকে আবার হাসপাতালে গিয়ে দেখিয়ে যেতে বলেছেন চিকিৎসকরা।

তিনি বলেন, ওয়াহিদা যখন প্রথম এখানে আসেন, তখন অপারেশন করার মতো অবস্থায় ছিল না। আমরা তাকে অপারেশেন করার মতো অবস্থায় আনি। এর পর তার অস্ত্রোপচার করি। অপারেশনের পর ডান দিক নাড়াতে পারছিলেন না। তবে এখন তিনি হাঁটতে পারছেন।

ওয়াহিদার শারীরিক অবস্থা এখন ‘ভালো’ হলেও তিনি শতভাগ সেরে ওঠেননি জানিয়ে ডা. জাহেদ হোসেন বলেন, এ কারণে তাকে আমরা সিআরপিতে পাঠিয়েছি ফিজিওথেরাপির জন্য। এখনও যে সমস্যা সামান্য আছে, সেটি দুয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবেন।
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল ছেড়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি ওয়াহিদা খানম।

গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চত্বরের ইউএনওর সরকারি বাসভবনে ঢুকে ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলীর ওপর হামলা হয়।

চিকিৎসার সুবিধার জন্য ১৯ সেপ্টেম্বর ওয়াহিদাকে ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দায়িত্ব থেকে বদলি করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে নতুন কোনো দায়িত্ব না দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে রাখা হয়েছে তাকে।

ইউএনও ওয়াহিদা খানম সিআরপিতে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০১ অক্টোবর ২০২০, ০৪:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সিরাপিতে ওয়াহিদা খানম
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সাবেক ইউএনও ওয়াহিদা খানম। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মিরপুরের সিআরপি হাসপাতালে। 

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয় ওয়াহিদাকে। এর পর পরই তাকে মিরপুর সিআরপিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. জাহেদ হোসেন জানান, ওয়াহিদা খানমের শারীরিক অবস্থা এখন ‘ভালো’। এক মাস পর তাকে আবার হাসপাতালে গিয়ে দেখিয়ে যেতে বলেছেন চিকিৎসকরা।

তিনি বলেন, ওয়াহিদা যখন প্রথম এখানে আসেন, তখন অপারেশন করার মতো অবস্থায় ছিল না। আমরা তাকে অপারেশেন করার মতো অবস্থায় আনি। এর পর তার অস্ত্রোপচার করি। অপারেশনের পর ডান দিক নাড়াতে পারছিলেন না। তবে এখন তিনি হাঁটতে পারছেন।

ওয়াহিদার শারীরিক অবস্থা এখন ‘ভালো’ হলেও তিনি শতভাগ সেরে ওঠেননি জানিয়ে ডা. জাহেদ হোসেন বলেন, এ কারণে তাকে আমরা সিআরপিতে পাঠিয়েছি ফিজিওথেরাপির জন্য। এখনও যে সমস্যা সামান্য আছে, সেটি দুয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবেন।
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল ছেড়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি ওয়াহিদা খানম।

গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চত্বরের ইউএনওর সরকারি বাসভবনে ঢুকে ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলীর ওপর হামলা হয়।

চিকিৎসার সুবিধার জন্য ১৯ সেপ্টেম্বর ওয়াহিদাকে ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দায়িত্ব থেকে বদলি করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে নতুন কোনো দায়িত্ব না দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে রাখা হয়েছে তাকে।