সেপ্টেম্বরে সড়কে প্রাণ গেল ৩০৪ জনের
jugantor
সেপ্টেম্বরে সড়কে প্রাণ গেল ৩০৪ জনের

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৪ অক্টোবর ২০২০, ২০:৫৭:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশে গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ২৭৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৩০৪ জন এবং আহত হয়েছেন ৪৯২ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৭ জন ও শিশু ৩৮। এই সময়ে ৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত, ১৪ জন আহত ও ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ১১টি পৃথক রেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৮ জন।

রোববার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এককভাবে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। ৯৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১০৬ জন, যা মোট নিহতের ৩৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

এছাড়া দুর্ঘটনায় বাস যাত্রী ১৩, পিকআপ যাত্রী ৬, কাভার্ডভ্যান যাত্রী ২, মাইক্রোবাস যাত্রী ১২, প্রাইভেটকার যাত্রী ৫ ও অ্যাম্বুলেন্স যাত্রী ৬ জন মারা গেছেন। এর বাইরে ট্রলি যাত্রী ৮, সিএনজি যাত্রী ৭, ইজিবাইক-অটোরিকশা যাত্রী ২৬, নসিমন-ভটভটি ৯, লেগুনা যাত্রী ৪ এবং বাই-সাইকেল আরোহী ৩ জন নিহত হয়েছেন।

সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১০৮টি (৩৯.৫৬ শতাংশ) জাতীয় মহাসড়কে, ৬৯টি (২৫.২৭ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ৫৪টি (১৯.৭৮ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে এবং ৪২টি (১৫.৩৮ শতাংশ) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার কারণ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৭৩টি সড়ক দুর্ঘটনার ৭২টিই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের কারণে ঘটেছে। এছাড়া ৬১টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৮৫টি পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ৪৬টি গাড়ির পেছনে আঘাত এবং ৯টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

সেপ্টেম্বরে সড়কে প্রাণ গেল ৩০৪ জনের

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৪ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশে গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ২৭৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৩০৪ জন এবং আহত হয়েছেন ৪৯২ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৭ জন ও শিশু ৩৮। এই সময়ে ৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত, ১৪ জন আহত ও ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ১১টি পৃথক রেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৮ জন।

রোববার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এককভাবে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। ৯৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১০৬ জন, যা মোট নিহতের ৩৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

এছাড়া দুর্ঘটনায় বাস যাত্রী ১৩, পিকআপ যাত্রী ৬, কাভার্ডভ্যান যাত্রী ২, মাইক্রোবাস যাত্রী ১২, প্রাইভেটকার যাত্রী ৫ ও অ্যাম্বুলেন্স যাত্রী ৬ জন মারা গেছেন। এর বাইরে ট্রলি যাত্রী ৮, সিএনজি যাত্রী ৭, ইজিবাইক-অটোরিকশা যাত্রী ২৬, নসিমন-ভটভটি ৯, লেগুনা যাত্রী ৪ এবং বাই-সাইকেল আরোহী ৩ জন নিহত হয়েছেন।

সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১০৮টি (৩৯.৫৬ শতাংশ) জাতীয় মহাসড়কে, ৬৯টি (২৫.২৭ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ৫৪টি (১৯.৭৮ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে এবং ৪২টি (১৫.৩৮ শতাংশ) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার কারণ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৭৩টি সড়ক দুর্ঘটনার ৭২টিই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের কারণে ঘটেছে। এছাড়া ৬১টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৮৫টি পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ৪৬টি গাড়ির পেছনে আঘাত এবং ৯টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।