রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
jugantor
রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১২ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৫৭:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, আমাদের মূল লক্ষ্য রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন। এটা বিশ্বের দায়িত্ব। রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে।

তিনি বলেন, মার্কিন উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হবে। বাংলাদেশের একমাত্র চাওয়া রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা।

সোমবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। খবর ইউএনবির।

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,বাংলাদেশ দশ বছর মেয়াদি কোন পরিকল্পনা চায় না। ঢাকা চায় কাল রোহিঙ্গা চলে গেলে বাংলাদেশ খুশি।

মার্কিন উপ পরারাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরে ইন্দো প্যাসিফিকের সামরিক অধ্যায়ে বাংলাদেশ যুক্ত হবে কিনা, বৈঠকে এ নিয়ে কোন আলোচনা হবে কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবেপররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইন্দো প্যাসিফিকের সামরিক অধ্যায়ে যুক্ত হতে আগ্রহী নই। তারা আমাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করতে চায়, আমরা চাই শান্তি। মন্ত্রিসভার বৈঠক থেকে নিজ দপ্তরে ফিরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ড. মোমেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী ২২শে অক্টোবর আন্তর্জাতিকভাবে রোহিঙ্গা বিষয়ক একটি ভার্চুয়াল সন্মেলন হতে যাচ্ছে। পশ্চিমা দুনিয়ার প্রতিনিধিরা এই সন্মেলন আয়োজন করছেন।

এছাড়াও বেইজিংয়ের উদ্যোগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে ত্রিদেশীয় একটি বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব রয়েছে। বাংলাদেশ রাজি তবে শর্ত হচ্ছে, ওইবৈঠকে অংসান সুচির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১২ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, আমাদের মূল লক্ষ্য রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন। এটা বিশ্বের দায়িত্ব। রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে। 

তিনি বলেন, মার্কিন উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হবে। বাংলাদেশের একমাত্র চাওয়া রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। 

সোমবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। খবর ইউএনবির। 

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দশ বছর মেয়াদি কোন পরিকল্পনা চায় না। ঢাকা চায় কাল রোহিঙ্গা চলে গেলে বাংলাদেশ খুশি। 

মার্কিন উপ পরারাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরে ইন্দো প্যাসিফিকের সামরিক অধ্যায়ে বাংলাদেশ যুক্ত হবে কিনা, বৈঠকে এ নিয়ে কোন আলোচনা হবে কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইন্দো প্যাসিফিকের সামরিক অধ্যায়ে যুক্ত হতে আগ্রহী নই। তারা আমাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করতে চায়, আমরা চাই শান্তি। মন্ত্রিসভার বৈঠক থেকে নিজ দপ্তরে ফিরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ড. মোমেন। 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী ২২শে অক্টোবর আন্তর্জাতিকভাবে রোহিঙ্গা বিষয়ক একটি ভার্চুয়াল সন্মেলন হতে যাচ্ছে। পশ্চিমা দুনিয়ার প্রতিনিধিরা এই সন্মেলন আয়োজন করছেন। 

এছাড়াও বেইজিংয়ের উদ্যোগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে ত্রিদেশীয় একটি বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব রয়েছে। বাংলাদেশ রাজি তবে শর্ত হচ্ছে, ওই বৈঠকে অংসান সুচির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা