সাংবাদিক কাজল কেন জামিন পাবেন না, প্রশ্ন হাইকোর্টের
jugantor
সাংবাদিক কাজল কেন জামিন পাবেন না, প্রশ্ন হাইকোর্টের

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৯ অক্টোবর ২০২০, ১৫:৪৫:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ছবি সংগৃহীত

ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।


সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখরের দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে রয়েছেন ফটো সাংবাদিক কাজল।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে এই রুলের জবাব দিতে বলেছেন আদালত।

সাংবাদিক কাজলের আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রিপন বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পি।

জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, জামিন প্রশ্নে যুব মহিলা লীগের নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়ার ওয়েস্টিন হোটেলকেন্দ্রিক কারবারে ‘জড়িতদের’ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে গত ৯ মার্চ ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন মাগুরা-১ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর।

ওই মামলা হওয়ার পর আসামির তালিকায় থাকা শফিকুল ইসলাম কাজল প্রায় দুই মাস নিখোঁজ ছিলেন। পরে গত ২ মে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিজিবি।

যশোর থেকে ঢাকায় আনার পর গত ২৩ জুন কাজলকে শেরেবাংলা নগর থানায় ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিচারকের মুখোমুখি করা হয়। হাকিম আদালত সেদিন কাজলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর পর গত ২৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতও কাজলের জামিন আবেদন নাকচ করলে তিনি ৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন। সেই আবেদন শুনে আদালত রুল জারি করেন।

রুল জারির পাশাপাশি এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে কেইস ডকেট (মামলার নথিপত্র) নিয়ে আগামী ১২ নভেম্বর আদালতে হাজির থাকতে বলেছেন হাইকোর্ট।

সাংবাদিক কাজল কেন জামিন পাবেন না, প্রশ্ন হাইকোর্টের

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।


সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখরের দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে রয়েছেন ফটো সাংবাদিক কাজল। 

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে এই রুলের জবাব দিতে বলেছেন আদালত।

সাংবাদিক কাজলের আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রিপন বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পি।

জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, জামিন প্রশ্নে যুব মহিলা লীগের নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়ার ওয়েস্টিন হোটেলকেন্দ্রিক কারবারে ‘জড়িতদের’ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে গত ৯ মার্চ ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন মাগুরা-১ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর।

ওই মামলা হওয়ার পর আসামির তালিকায় থাকা শফিকুল ইসলাম কাজল প্রায় দুই মাস নিখোঁজ ছিলেন। পরে গত ২ মে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিজিবি।

যশোর থেকে ঢাকায় আনার পর গত ২৩ জুন কাজলকে শেরেবাংলা নগর থানায় ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিচারকের মুখোমুখি করা হয়। হাকিম আদালত সেদিন কাজলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর পর গত ২৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতও কাজলের জামিন আবেদন নাকচ করলে তিনি ৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন। সেই আবেদন শুনে আদালত রুল জারি করেন।

 রুল জারির পাশাপাশি এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে কেইস ডকেট (মামলার নথিপত্র) নিয়ে আগামী ১২ নভেম্বর আদালতে হাজির থাকতে বলেছেন হাইকোর্ট।