এসআই আকবর বিদেশে পালালেও ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
jugantor
এসআই আকবর বিদেশে পালালেও ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  সিলেট ব্যুরো  

২০ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৩১:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আমার বিশ্বাস এসআই আকবর এখনও দেশের বাইরে যায়নি। কারণ সীমান্তগুলোকে আমরা সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করে দিয়েছি। তবে আকবর বিদেশে পালিয়ে গেলেও তাকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে নিহত রায়হানের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় রায়হান হত্যায় ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসআই আকবর পুলিশের জন্য লজ্জা। এরকম দু-একজন কুলাঙ্গারের কারণে পুলিশ বাহিনীও লজ্জিত।

তিনি বলেন, রায়হান হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া (সাময়িক বরখাস্ত) বিদেশে পালিয়ে গেলেও তাকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে। এর আগে সিলেটের রাজন হত্যার আসামিকে সৌদি আরব থেকে ফিরিয়ে আনা বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় জড়িত সদস্যদের বাঁচাতে কোনো ধরণের অপচেষ্টা করেনি পুলিশ। আমাদের পুলিশ খুবই দক্ষ। অনেক বড় বড় অপরাধীদের গ্রেফতারে তারা সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনায় একজন ছাড়া বাকী সবাই নজরদারিতে আছে।

এসময় এমসি কলেজে গণধর্ষণ ও পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে এবং আকবরকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে এসএমপি কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেন সাংবাদিকরা।

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ কমিশনারের কোনো অদক্ষতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। সব ঘটনাতেই সিলেটের পুলিশ খুব তৎপর ছিল।

উল্লেখ্য, গত মাসে এমসি কলেজ হোস্টেলে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ৮ আসামির কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি এসএমপি পুলিশ। সবাইকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ও জেলা পুলিশ। অন্যদিকে রায়হান হত্যার ঘটনায় এসএমপির তদন্ত কমিটির জিজ্ঞাসাবাদের পরই পালিয়ে যায় আকবর। পুলিশের হাতে থাকা অবস্থায় কিভাবে পালিয়ে গেল তা নিয়ে নিহতের পরিবার এবং সচেতন নাগরিকদের সমালোচনার মুখে পড়ে এসএমপি।

এসআই আকবর বিদেশে পালালেও ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 সিলেট ব্যুরো 
২০ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আমার বিশ্বাস এসআই আকবর এখনও দেশের বাইরে যায়নি। কারণ সীমান্তগুলোকে আমরা সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করে দিয়েছি। তবে আকবর বিদেশে পালিয়ে গেলেও তাকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে নিহত রায়হানের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় রায়হান হত্যায় ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসআই আকবর পুলিশের জন্য লজ্জা। এরকম দু-একজন কুলাঙ্গারের কারণে পুলিশ বাহিনীও লজ্জিত।

তিনি বলেন, রায়হান হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া (সাময়িক বরখাস্ত) বিদেশে পালিয়ে গেলেও তাকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে। এর আগে সিলেটের রাজন হত্যার আসামিকে সৌদি আরব থেকে ফিরিয়ে আনা বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় জড়িত সদস্যদের বাঁচাতে কোনো ধরণের অপচেষ্টা করেনি পুলিশ। আমাদের পুলিশ খুবই দক্ষ। অনেক বড় বড় অপরাধীদের গ্রেফতারে তারা সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনায় একজন ছাড়া বাকী সবাই নজরদারিতে আছে।

এসময় এমসি কলেজে গণধর্ষণ ও পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে এবং আকবরকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে এসএমপি কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেন সাংবাদিকরা।

এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ কমিশনারের কোনো অদক্ষতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। সব ঘটনাতেই সিলেটের পুলিশ খুব তৎপর ছিল।

উল্লেখ্য, গত মাসে এমসি কলেজ হোস্টেলে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ৮ আসামির কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি এসএমপি পুলিশ। সবাইকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ও জেলা পুলিশ। অন্যদিকে রায়হান হত্যার ঘটনায় এসএমপির তদন্ত কমিটির জিজ্ঞাসাবাদের পরই পালিয়ে যায় আকবর। পুলিশের হাতে থাকা অবস্থায় কিভাবে পালিয়ে গেল তা নিয়ে নিহতের পরিবার এবং সচেতন নাগরিকদের সমালোচনার মুখে পড়ে এসএমপি।