নেপাল ট্র্যাজেডি

আসল ঠিকানায় নাজিয়া-ফয়সাল

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৫:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত নাজিয়া আফরিন চৌধুরী ও ফয়সাল আহমেদের মরদেহ কবর থেকে তুলে তাদের পুনরায় দাফন করা হয়েছে।

নিহত দুজনের পরিবার জানায়, গত ১৯ মার্চ রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ওই সময় ভুলবশত বৈশাখী টেলিভিশনের সাংবাদিক আহমেদ ফয়সালের সঙ্গে নাজিয়া আফরিন চৌধুরীর মরদেহ বদলে যায়।

পরে শরীয়তপুরের ডামুড্যায় ফয়সালের বাড়ির আঙিনায় নাজিয়াকে দাফন করেন। আর ফয়সালের মরদেহ নাজিয়ার মরদেহ ভেবে দাফন করা হয় বনানী কবরস্থানে।

বৃহস্পতিবার রাতে বনানী কবরস্থান থেকে তোলার পর ফয়সালের মরদেহ শরীয়তপুরে ডামুড্যায় গ্রামের বাড়িতে নেয়া হয়। রাতেই জানাজা শেষে তাকে আগে থেকে খুঁড়ে রাখা কবরে দাফন করা হয়।

এদিকে ফয়সালের গ্রামের বাড়িতে দাফন করা নাজিয়ার মরদেহ শরীয়তপুর থেকে আনার পর শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। 

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে ফয়সালের বাড়ি থেকে নাজিয়ার মরদেহটি উত্তোলন করে ভাই আলী আহাদ চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোজী আক্তার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উপস্থিত থেকে মরদেহটি হস্তান্তর করেন।

জানা গেছে, নেপাল থেকে মরদেহ আনার পর হস্তান্তরের সময় তা বদলে গিয়েছিল বলে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হয়। তারা মরদেহ উত্তোলন করে সঠিকভাবে হস্তান্তর করার আবেদন করেন। 

ফয়সালের ভাইয়ের করা এক আবেদনের পর বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শেখ হাফিজুর রহমান ফয়সালের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে ফয়সালের খালাতো ভাই জাকির হোসেন সুমন বলেন, সাংবাদিক ফয়সালের লাশ বাড়ি ফেরার পর রাত প্রায় সাড়ে ৪টার দিকে দাফন করা হয়।

নাজিয়া আফরিন চৌধুরীর বড় ভাই আলী আহম্মেদ চৌধুরী বলেন, নেপাল থেকে লাশ ট্যাগ করার সময় সঠিকভাবেই শনাক্ত করা হয়। পরে কফিন করার সময় ভুলবশত একজনের লাশ অন্যজনের কফিনে দিয়ে দেয়ার কারণে এ সমস্যা হয়।