অবশেষে ফিরিয়ে দেয়া হলো বাবু বাজার খেলার মাঠ
jugantor
হাজী সেলিমের ঘনিষ্টদের দখল
অবশেষে ফিরিয়ে দেয়া হলো বাবু বাজার খেলার মাঠ

  কাওসার মাহমুদ  

০৩ নভেম্বর ২০২০, ১৮:১৫:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পুরান ঢাকার বাবু বাজার বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতুর নিচে খেলার মাঠটি উন্মুক্ত

বহুল আলোচিত পুরান ঢাকার বাবু বাজার বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতুর নিচে খেলার মাঠটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়ে‌ছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রশেখ ফজলে নূর তাপসের মৌখিক নির্দেশনায় মাঠ ফিরিয়ে দেয়া হয়ে‌ছে।

মঙ্গলবার যুগান্তরকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন।

তিনিবলেন, মেয়র মহোদয়ের নির্দেশে বাবু বাজার ব্রিজের নিচের খেলার মাঠ ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মঙ্গলবার ওই মাঠটি খালি করে খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়ে‌ছে। সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের নির্বাহী ম্যা‌জিস্ট্রেট ম‌নিরুজ্জামান সরেজ‌মি‌নে মাঠ‌টি খা‌লি ক‌রে দি‌য়ে‌ছেন বলে জানান তিনি।

চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের আস্থভাজন হিসেবে পরিচিত ডিএসসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মান্নানের অন্যতম ক্যাডার শিকদার জাহাঙ্গীর ও পারভেজের নেতৃত্বে দলবল নিয়ে ভারী যন্ত্র দিয়ে মাঠের গ্রিল ভেঙ্গে ট্রাক স্ট্যান্ড বানিয়ে মাঠটি দখল করে নেয়। এইচটিএস বানানোর ধোঁয়া তুলে চক্রটি মাঠের এক পাশে কয়েকটি ময়লার কন্টেইনারও রেখে দেয়। ওইদিন দৈনিক যুগান্তরে `বাবু বাজারে খেলার মাঠ দখল করে গাড়ি পার্কিং' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ ওই সিদ্ধান্ত নেয়।

এইচটিএস (ময়লার সাময়িক ড্রাম্পিং স্টেশন) সম্পর্কে সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন বলেন,সেতুর নিচে এইচটিএস করার মত আরো খালি জায়গা রয়েছে। ওইখানে একটি এইচটিএস স্থাপন করা হবে।

স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের আশির্বাদে হাজী মান্নান কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বেপরোয়া পরিবহন চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের দিয়ে সরকারি সম্পত্তি দখল করে ট্রাক স্ট্যান্ড বানিয়ে গাড়ি প্রতি ৮শত টাকা থেকে ১ হাজার টাকা উত্তোলন করছে। সেতুর নিচে একটি জায়গা সহযোগী পারভেজের নামে ‘ইজারা’ নিলেও অন্যান্য খালি জায়গায় দোকান ও স্ট্যান্ড বানিয়ে রাখা হয়েছে। এ কারণে সারা এলাকাটিতে যানজট লেগেই থাকে বলে জানান তারা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এম এ মান্নানের মোবাইলে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার ফোন করা হলেও তাতে তিনি সাড়া দেননি। পরে প্রতিবেদকের পরিচয় ও অভিযোগের বিষয় উল্লেখ করে এসএমএস (বার্তা) পাঠানো হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।

হাজী সেলিমের ঘনিষ্টদের দখল

অবশেষে ফিরিয়ে দেয়া হলো বাবু বাজার খেলার মাঠ

 কাওসার মাহমুদ 
০৩ নভেম্বর ২০২০, ০৬:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পুরান ঢাকার বাবু বাজার বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতুর নিচে খেলার মাঠটি উন্মুক্ত
পুরান ঢাকার বাবু বাজার বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতুর নিচে খেলার মাঠটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। ছবি: যুগান্তর

বহুল আলোচিত পুরান ঢাকার বাবু বাজার বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতুর নিচে খেলার মাঠটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়ে‌ছে।  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের মৌখিক নির্দেশনায় মাঠ ফিরিয়ে দেয়া হয়ে‌ছে।

মঙ্গলবার যুগান্তরকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন।

তিনি  বলেন, মেয়র মহোদয়ের নির্দেশে বাবু বাজার ব্রিজের নিচের খেলার মাঠ ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মঙ্গলবার ওই মাঠটি খালি করে খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়ে‌ছে।  সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের নির্বাহী ম্যা‌জিস্ট্রেট ম‌নিরুজ্জামান সরেজ‌মি‌নে মাঠ‌টি খা‌লি ক‌রে দি‌য়ে‌ছেন বলে জানান তিনি। 

চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের আস্থভাজন হিসেবে পরিচিত ডিএসসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মান্নানের অন্যতম ক্যাডার শিকদার জাহাঙ্গীর ও পারভেজের নেতৃত্বে দলবল নিয়ে ভারী যন্ত্র দিয়ে মাঠের গ্রিল ভেঙ্গে ট্রাক স্ট্যান্ড বানিয়ে মাঠটি দখল করে নেয়। এইচটিএস বানানোর ধোঁয়া তুলে চক্রটি মাঠের এক পাশে কয়েকটি ময়লার কন্টেইনারও রেখে দেয়।  ওইদিন দৈনিক যুগান্তরে `বাবু বাজারে খেলার মাঠ দখল করে গাড়ি পার্কিং' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ ওই সিদ্ধান্ত নেয়।

এইচটিএস (ময়লার সাময়িক ড্রাম্পিং স্টেশন) সম্পর্কে সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন বলেন, সেতুর নিচে এইচটিএস করার মত আরো খালি জায়গা রয়েছে। ওইখানে একটি এইচটিএস স্থাপন করা হবে।

স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের আশির্বাদে হাজী মান্নান কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বেপরোয়া পরিবহন চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।  তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের দিয়ে সরকারি সম্পত্তি দখল করে ট্রাক স্ট্যান্ড বানিয়ে গাড়ি প্রতি ৮শত টাকা থেকে ১ হাজার টাকা উত্তোলন করছে।  সেতুর নিচে একটি জায়গা সহযোগী পারভেজের নামে ‘ইজারা’ নিলেও অন্যান্য খালি জায়গায় দোকান ও স্ট্যান্ড বানিয়ে রাখা হয়েছে।  এ কারণে সারা এলাকাটিতে যানজট লেগেই থাকে বলে জানান তারা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এম এ মান্নানের মোবাইলে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার ফোন করা হলেও তাতে তিনি সাড়া দেননি।  পরে প্রতিবেদকের পরিচয় ও অভিযোগের বিষয় উল্লেখ করে এসএমএস (বার্তা) পাঠানো হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের কাণ্ড