ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আগুন
jugantor
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আগুন

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৬ নভেম্বর ২০২০, ১৭:১৩:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আগুন লেগেছে। সোমবার বিকাল ৫টার দিকে এ আগুন লাগে।বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল অফিসে দায়িত্বরত আনিসুর রহমান।

তিনি জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ২টি ইউনিট পাঠানো হয়।

এজলাসের ভেতরে থাকা এসির তার (বৈদ্যুতিক তার) থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। আগুন লাগার পর আদালতের বিচারক কে. এম. ইমরুল কায়েশসহ আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা দ্রুত এজলাস ত্যাগ করেন। এ সময় কালো ধোয়ায় পুরো এজলাস অন্ধকার হয়ে যায়।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের নাজির শাহ মো. মামুন যুগান্তরকে বলেন, শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসির কারেন্টের তার থেকে এ আগুন লাগতে পারে। আগুনের ঘটনায় আদালতের নথিপত্রের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। শুধু নিষ্পত্তিকৃত মামলার কিছু পুরাতন নথির ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

সরেজমিন দেখা যায়, আগুন লাগার পর প্রথমে আদালতে থাকা আগুন নির্বাপক গ্যাস দিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করা হয়। বিকাল ৫টা ১২ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিভানোর কাজ শুরু করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কাজে সাহায্য করে। একইসঙ্গে আদালতের কর্মচারী-কর্মকর্তারা এজলাসে থাকা মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র অন্যত্র সরানোর চেষ্টা করেন। আগুন লাগার খবর শুনে আইনজীবীরা ও সাধারণ জনগণ আদালত চত্বরে ভিড় করেন। আগুন নেভানোর কাজ শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এজলাস ত্যাগ করেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আগুন

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৬ নভেম্বর ২০২০, ০৫:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত
ছবি: যুগান্তর

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আগুন লেগেছে। সোমবার বিকাল ৫টার দিকে এ আগুন লাগে। বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল অফিসে দায়িত্বরত আনিসুর রহমান। 

তিনি জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ২টি ইউনিট পাঠানো হয়। 

এজলাসের ভেতরে থাকা এসির তার (বৈদ্যুতিক তার) থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।  আগুন লাগার পর আদালতের বিচারক কে. এম. ইমরুল কায়েশসহ আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা দ্রুত এজলাস ত্যাগ করেন। এ সময় কালো ধোয়ায় পুরো এজলাস অন্ধকার হয়ে যায়।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের নাজির শাহ মো. মামুন যুগান্তরকে বলেন, শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসির কারেন্টের তার থেকে এ আগুন লাগতে পারে। আগুনের ঘটনায় আদালতের নথিপত্রের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।  শুধু নিষ্পত্তিকৃত মামলার কিছু পুরাতন নথির ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

সরেজমিন দেখা যায়, আগুন লাগার পর প্রথমে আদালতে থাকা আগুন নির্বাপক গ্যাস দিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করা হয়।  বিকাল ৫টা ১২ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিভানোর কাজ শুরু করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কাজে সাহায্য করে।  একইসঙ্গে আদালতের কর্মচারী-কর্মকর্তারা এজলাসে থাকা মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র অন্যত্র সরানোর চেষ্টা করেন।  আগুন লাগার খবর শুনে আইনজীবীরা ও সাধারণ জনগণ আদালত চত্বরে ভিড় করেন।  আগুন নেভানোর কাজ শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এজলাস ত্যাগ করেন।