শুধু নালিশ ও সমস্যা খোঁজা নয়, সমাধান করতে হবে
jugantor
‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে জয়
শুধু নালিশ ও সমস্যা খোঁজা নয়, সমাধান করতে হবে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৭ নভেম্বর ২০২০, ২২:১৫:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়াডর্’ অনুষ্ঠানে জয়

গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষও সোশ্যালওয়েলফেয়ার- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই তিন মূলনীতিকে মাথায় রেখে কাজ করতে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের মানুষের জীবনের যেন উন্নয়ন হয়, তারা যেন সুখি থাকে, ভালো থাকে- এটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। এই স্বপ্নগুলো আপনারা মাথায় রাখবেন। আমরা যেন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। তরুণরাই দেশের ভবিষ্যত নেতৃত্ব। আমাদের দায়িত্ব বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিশ্চিত করা। শুধু নালিশ করলে হবে না। শুধু সমস্যা খুঁজলে হবে না। সমস্যার সমাধান করতে হবে। আর জাতির পিতার স্বপ্নগুলো মাথায় রাখতে হবে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় আরও বলেন, কয়েকটি মূলনীতিকে নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। যেমন গণতন্ত্র- দেশ চলবে মানুষের অধিকারের ওপর। মানুষের ভোটের ওপর। দেশের মানুষ নিশ্চিত করবে, দেশের নেতৃত্ব কে দেবে, দেশ কোন দিকে যাবে। সোশাল ওয়েলফেয়ার- শুধু এক শ্রেণির মানুষকে নয়, সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ভালো রাখতে হবে। আর অসাম্প্রদায়িকতা। এই তিনটি মূলনীতি নিয়ে দেশকে স্বাধীন করা হয়েছিল। এগুলো নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে পারবো। এগুলো ছেড়ে দিলে কিন্তু আমরা এগুতে পারবো না।

জয় বলেন, আমাদের ১৬ কোটি মানুষের দেশে সমস্যা থাকবেই। ২০২০ সালে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ অনুষ্ঠান আমাদের ভার্চুয়ালি করতে হচ্ছে। কিন্তু কেন? কারণ কোভিড-১৯। এটা শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, এটা সারা বিশ্বের সমস্যা। তবে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার, আমরা কিন্তু শুধু থেকেই মেধা দিয়ে পরিশ্রম দিয়ে এটার মোকাবেলা করে গেছি। এটা ক্ষতি করতে, কী হবে, সেটা ভেবে আমরা কিন্তু বসে থাকিনি। আজ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপ বলেন, সেখানে কিন্তু লাখো লাখো মানুষ আক্রান্ত।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার অত্যন্ত ভালোভাবে এটা মোকাবিলা করেছে। যেখানে উন্নত দেশে লাখ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছে সেখানে আমাদের দেশে কয়েক হাজার মানুষ মারা গেছেন। তবে আমি বলব না কয়েক হাজার মানুষ মারা যাওয়া কম। আমরা চাই না একটি মানুষও মারা যাক। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। কারণ আমরা সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছি। সেকারণে অর্থনৈতিকভাবেও আমাদের ওপর প্রভাব কম পড়েছে। আগের বছরের তুলনায় অগ্রগতি কম হলেও আমাদের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপ আমেরিকা দেখেন, তারা কিন্তু সকলেই এই বছর পিছিয়ে গেছে। কারণ তারা প্রস্তুত ছিল না। এই হলো যোগ্য নেতৃত্ব ব্যর্থ নেতৃত্বের মধ্যে পার্থক্য।

পুরস্কার পাওয়ার ১৬ সংগঠনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তারা আমাদের অনুপ্রেরণা। কারণ আমরা দেখতে চাই কারা সমস্যর সমাধান করতে চায়। যারা শুধু নালিশ করতে যায় না। যারা শুধু নালিশ করে, নালিশ শুনতে শুনতে কান ব্যাথা হয়ে যায়। আমি চাই যোগ্য নেতৃত্ব। আর সেটা শুধু সরকারি পর্যায়ে নয়। এই যে ১৬জন ১৬টি প্রতিষ্ঠান দেখে। তারা কিন্তু নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে। তারা কিন্তু তাদের সমাজ, গ্রাম ও শহরে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে। কেউ কিন্তু ক্ষমতা তাদের হাতে তুলে দেয়নি। ক্ষমতা ছাড়াই তারা পাশের মানুষকে সাহায্য করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের তরুণদের প্রতি এটাই হচ্ছে আমার প্রত্যাশা। আপনারা অন্যদের দিকে হাত পেতে রাখবেন না। দেশের সমস্যা সমাধান করতে নেমে যান। আমাদের দেশের মানুষের মেধা আছে। আমরা আমাদের মেধা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

কোভিড-১৯ এর মধ্যে ভার্চুয়ালি এই সভা আয়োজনে প্রসঙ্গ তুলে ধরে জয় বলেন, আমি সেই মার্চ মাস থেকে দেশে আসতে পারছি না। কারণ এখানে কোভিডের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। কিন্তু আমাদের দেশে কিন্তু কোনও কিছু থেমে নেই। সরকার ভার্চুয়ালি সকল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ১০ বছর আগে কী কেউ কল্পনা করতে পেরেছে বাংলাদেশে এটা সম্ভব। কেউ পারেনি। আমি গর্বিত যে ডিজিটাল বাংলাদেশের এটাই লাভ ও ফলাফল। আজ যদি ডিজিটাল বাংলাদেশ না থাকতো কোভিড-১৯ এ কিন্তু অর্থনীতি শেষ হয়ে যেতো। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার এটার (ডিজিটাল বাংলাদেশ) পরিকল্পনা করি, ১০ বছর ধরে বাস্তবায়ন করেছি। এটা নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করেছে। অনেকে টিটকারি করেছে। কিন্তু এটার লাভ আজকে পাচ্ছি। এই বছরে পাচ্ছি। আর এটা কিন্তু আমরা বাঙালিরা নিজেরাই বাস্তবায়ন করেছি। এটা কিন্তু কোনও বিদেশি কোম্পানি বা বিশ্বব্যাংক এসে করে দেয়নি। এটার সম্পূর্ণ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন আমাদের নিজস্ব চিন্তা-ধারায় করা। আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকবো। এর আগে বক্তব্যের শুরুতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন সজীব ওয়াজেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) ট্রাস্টি নসরুল হামিদ।

সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) তরুণদের সংগঠন ইয়াং বাংলা ২০১৪ সালে আত্মপ্রকাশের পর মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্লোগান ‘জয় বাংলা’র নামে চালু করে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। দেশ গঠনে ও নিজ সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়া তরুণদের কাজের স্বীকৃতি দিতে চালু করা হয় এই অ্যাওয়ার্ডের। ২০১৫ সালে থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ইয়াং বাংলা তরুণদের ১৩০ সংগঠনকে নিজ সমাজের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য প্রদান করে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। তাদের মধ্যে অনেকেই পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠন থেকে তাদের কাজের জন্য অর্জন করেছে পুরস্কার।

এবার জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডে আবেদন করে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণদের ৬০০ সংগঠন। নারী ক্ষমতায়ন, শিশু অধিকার, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্ষমতায়ন, যুব উন্নয়ন, দরিদ্রদের উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখা, পরিবেশ সুরক্ষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনসহ আরো বেশ কিছু ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সংগঠনগুলো থেকে বাছাই করে ৫০ সংগঠনকে রাখা হয়েছিল প্রাথমিক জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০ বিজয়ীর তালিকায়। সেখান থেকে ১৬টি সংগঠনকে পুরস্কার দেয়া হয়।

‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে জয়

শুধু নালিশ ও সমস্যা খোঁজা নয়, সমাধান করতে হবে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৭ নভেম্বর ২০২০, ১০:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়াডর্’ অনুষ্ঠানে জয়
‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয়। ছবি: সংগৃহীত

গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষ ও সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই তিন মূলনীতিকে মাথায় রেখে কাজ করতে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। 

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের মানুষের জীবনের যেন উন্নয়ন হয়, তারা যেন সুখি থাকে, ভালো থাকে- এটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন।  এই স্বপ্নগুলো আপনারা মাথায় রাখবেন।  আমরা যেন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।  তরুণরাই দেশের ভবিষ্যত নেতৃত্ব।  আমাদের দায়িত্ব বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিশ্চিত করা।  শুধু নালিশ করলে হবে না।  শুধু সমস্যা খুঁজলে হবে না।  সমস্যার সমাধান করতে হবে।  আর জাতির পিতার স্বপ্নগুলো মাথায় রাখতে হবে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।  

সজীব ওয়াজেদ জয় আরও বলেন, কয়েকটি মূলনীতিকে নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল।  যেমন গণতন্ত্র- দেশ চলবে মানুষের অধিকারের ওপর।  মানুষের ভোটের ওপর।  দেশের মানুষ নিশ্চিত করবে, দেশের নেতৃত্ব কে দেবে, দেশ কোন দিকে যাবে।  সোশাল ওয়েলফেয়ার- শুধু এক শ্রেণির মানুষকে নয়, সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ভালো রাখতে হবে।  আর অসাম্প্রদায়িকতা।  এই তিনটি মূলনীতি নিয়ে দেশকে স্বাধীন করা হয়েছিল।  এগুলো নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে পারবো।  এগুলো ছেড়ে দিলে কিন্তু আমরা এগুতে পারবো না।

জয় বলেন, আমাদের ১৬ কোটি মানুষের দেশে সমস্যা থাকবেই।  ২০২০ সালে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ অনুষ্ঠান আমাদের ভার্চুয়ালি করতে হচ্ছে। কিন্তু কেন? কারণ কোভিড-১৯।  এটা শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, এটা সারা বিশ্বের সমস্যা।  তবে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার, আমরা কিন্তু শুধু থেকেই মেধা দিয়ে পরিশ্রম দিয়ে এটার মোকাবেলা করে গেছি।  এটা ক্ষতি করতে, কী হবে, সেটা ভেবে আমরা কিন্তু বসে থাকিনি।  আজ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপ বলেন, সেখানে কিন্তু লাখো লাখো মানুষ আক্রান্ত।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার অত্যন্ত ভালোভাবে এটা মোকাবিলা করেছে।  যেখানে উন্নত দেশে লাখ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছে সেখানে আমাদের দেশে কয়েক হাজার মানুষ মারা গেছেন।  তবে আমি বলব না কয়েক হাজার মানুষ মারা যাওয়া কম।  আমরা চাই না একটি মানুষও মারা যাক।  কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম।  কারণ আমরা সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছি।  সেকারণে অর্থনৈতিকভাবেও আমাদের ওপর প্রভাব কম পড়েছে।  আগের বছরের তুলনায় অগ্রগতি কম হলেও আমাদের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে।  ইউরোপ আমেরিকা দেখেন, তারা কিন্তু সকলেই এই বছর পিছিয়ে গেছে।  কারণ তারা প্রস্তুত ছিল না।  এই হলো যোগ্য নেতৃত্ব ব্যর্থ নেতৃত্বের মধ্যে পার্থক্য। 

পুরস্কার পাওয়ার ১৬ সংগঠনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তারা আমাদের অনুপ্রেরণা।  কারণ আমরা দেখতে চাই কারা সমস্যর সমাধান করতে চায়।  যারা শুধু নালিশ করতে যায় না।  যারা শুধু নালিশ করে, নালিশ শুনতে শুনতে কান ব্যাথা হয়ে যায়।  আমি চাই যোগ্য নেতৃত্ব।  আর সেটা শুধু সরকারি পর্যায়ে নয়।  এই যে ১৬জন ১৬টি প্রতিষ্ঠান দেখে।  তারা কিন্তু নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।  তারা কিন্তু তাদের সমাজ, গ্রাম ও শহরে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।  কেউ কিন্তু ক্ষমতা তাদের হাতে তুলে দেয়নি।  ক্ষমতা ছাড়াই তারা পাশের মানুষকে সাহায্য করে যাচ্ছে।  বাংলাদেশের তরুণদের প্রতি এটাই হচ্ছে আমার প্রত্যাশা।  আপনারা অন্যদের দিকে হাত পেতে রাখবেন না।  দেশের সমস্যা সমাধান করতে নেমে যান।  আমাদের দেশের মানুষের মেধা আছে।  আমরা আমাদের মেধা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

কোভিড-১৯ এর মধ্যে ভার্চুয়ালি এই সভা আয়োজনে প্রসঙ্গ তুলে ধরে জয় বলেন, আমি সেই মার্চ মাস থেকে দেশে আসতে পারছি না।  কারণ এখানে কোভিডের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি।  কিন্তু আমাদের দেশে কিন্তু কোনও কিছু থেমে নেই।  সরকার ভার্চুয়ালি সকল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।  ১০ বছর আগে কী কেউ কল্পনা করতে পেরেছে বাংলাদেশে এটা সম্ভব।  কেউ পারেনি।  আমি গর্বিত যে ডিজিটাল বাংলাদেশের এটাই লাভ ও ফলাফল।  আজ যদি ডিজিটাল বাংলাদেশ না থাকতো কোভিড-১৯ এ কিন্তু অর্থনীতি শেষ হয়ে যেতো।  কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার এটার (ডিজিটাল বাংলাদেশ) পরিকল্পনা করি, ১০ বছর ধরে বাস্তবায়ন করেছি।  এটা নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করেছে। অনেকে টিটকারি করেছে।  কিন্তু এটার লাভ আজকে পাচ্ছি। এই বছরে পাচ্ছি।  আর এটা কিন্তু আমরা বাঙালিরা নিজেরাই বাস্তবায়ন করেছি।  এটা কিন্তু কোনও বিদেশি কোম্পানি বা বিশ্বব্যাংক এসে করে দেয়নি।  এটার সম্পূর্ণ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন আমাদের নিজস্ব চিন্তা-ধারায় করা।  আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকবো।  এর আগে বক্তব্যের শুরুতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন সজীব ওয়াজেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) ট্রাস্টি নসরুল হামিদ।

সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) তরুণদের সংগঠন ইয়াং বাংলা ২০১৪ সালে আত্মপ্রকাশের পর মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্লোগান ‘জয় বাংলা’র নামে চালু করে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড।  দেশ গঠনে ও নিজ সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়া তরুণদের কাজের স্বীকৃতি দিতে চালু করা হয় এই অ্যাওয়ার্ডের।  ২০১৫ সালে থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ইয়াং বাংলা তরুণদের ১৩০ সংগঠনকে নিজ সমাজের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য প্রদান করে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড।  তাদের মধ্যে অনেকেই পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠন থেকে তাদের কাজের জন্য অর্জন করেছে পুরস্কার।

এবার জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডে আবেদন করে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণদের ৬০০ সংগঠন।  নারী ক্ষমতায়ন, শিশু অধিকার, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের ক্ষমতায়ন, যুব উন্নয়ন, দরিদ্রদের উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখা, পরিবেশ সুরক্ষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনসহ আরো বেশ কিছু ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সংগঠনগুলো থেকে বাছাই করে ৫০ সংগঠনকে রাখা হয়েছিল প্রাথমিক জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০ বিজয়ীর তালিকায়। সেখান থেকে ১৬টি সংগঠনকে পুরস্কার দেয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন