বণিক বার্তা সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা
jugantor
বণিক বার্তা সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৯ জানুয়ারি ২০২১, ১৩:১৯:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

দৈনিক বণিক বার্তার সম্পাদকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মানহানির মামলা হয়েছে।

কক্সবাজারের পাঁচতারকা হোটেল রয়েল টিউলিপ সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের বিষয়ে পত্রিকাটিতে সংবাদ প্রকাশের জেরে এ মামলা হয়েছে।

হোটেলটির পক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান সোমবার ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন।

মামলায় পত্রিকাটির সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ ও প্রতিবেদক মেহেদী হাসান রাহাতকে বিবাদী করা হয়েছে।

পরে শুনানি নিয়ে বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল হাই দুজনকে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী পীযূষ কান্তি সরকার।

গত ১৩ জানুয়ারি বণিক বার্তার প্রথম পাতায় ‘রয়েল টিউলিপে বিনিয়োগ করে বিপাকে আইসিবি’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ লিমিটেড (আইসিবি) ২০১৭ সালে বন্ডের মাধ্যমে রয়েল টিউলিপ নামে পরিচিত সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডে ৩২৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে।

এ অর্থ ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি হোটেলটির নির্মাণকাজে ব্যয় করা হয়। আইসিবির কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার দুই বছর পর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকেও তহবিল সংগ্রহ করে হোটেলটি।

এভাবে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ নিয়ে ব্যবসা করলেও আইসিবিকে কিস্তি ও সুদ পরিশোধ করছে না প্রতিষ্ঠানটি। রয়েল টিউলিপের বন্ড কিনে আরও বিপাকে পড়েছে তারল্য সংকটে থাকা আইসিবি।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, কক্সবাজারের ইনানীতে হোটেল রয়েল টিউলিপ ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। হোটেলটির চেয়ারম্যান লুসি আখতারি মহল। আর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন তার স্বামী মো. আমিনুল হক। তিনি সান শাইন অ্যাপারেলস ঢাকা এবং তিন তারকা হোটেল সি ক্রাউনেরও চেয়ারম্যান।

পাশাপাশি শামিম এন্টারপ্রাইজ (প্রা.) লিমিটেড, শামিম এন্টারপ্রাইজ প্রোপার্টিজ লিমিটেড, এলিট অটো ব্রিকস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও আমিনুল হক। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) অনারারি ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে রয়েছেন মো. আমিনুল হকের ছোট ভাই ইকরামুল হক। বর্তমানে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের দায়িত্বে থাকা ইকরামুল হক হোটেল সি ক্রাউন, শামিম এন্টারপ্রাইজ (প্রা.) লিমিটেড ও শামিম এন্টারপ্রাইজ প্রোপার্টিজ লিমিটেডেরও পরিচালক। হোটেল রয়েল টিউলিপের আরেক পরিচালক হলেন মো. আমিনুল হকের পুত্রবধূ সারজানা ইসলাম।

বণিক বার্তা সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৯ জানুয়ারি ২০২১, ০১:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দৈনিক বণিক বার্তার সম্পাদকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মানহানির মামলা হয়েছে।

কক্সবাজারের পাঁচতারকা হোটেল রয়েল টিউলিপ সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের বিষয়ে পত্রিকাটিতে সংবাদ প্রকাশের জেরে এ মামলা হয়েছে।

হোটেলটির পক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান সোমবার ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন।

মামলায় পত্রিকাটির সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ ও প্রতিবেদক মেহেদী হাসান রাহাতকে বিবাদী করা হয়েছে।

পরে শুনানি নিয়ে বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল হাই দুজনকে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী পীযূষ কান্তি সরকার।

গত ১৩ জানুয়ারি বণিক বার্তার প্রথম পাতায় ‘রয়েল টিউলিপে বিনিয়োগ করে বিপাকে আইসিবি’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ লিমিটেড (আইসিবি) ২০১৭ সালে বন্ডের মাধ্যমে রয়েল টিউলিপ নামে পরিচিত সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডে ৩২৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে।

এ অর্থ ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি হোটেলটির নির্মাণকাজে ব্যয় করা হয়। আইসিবির কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার দুই বছর পর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকেও তহবিল সংগ্রহ করে হোটেলটি। 

এভাবে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ নিয়ে ব্যবসা করলেও আইসিবিকে কিস্তি ও সুদ পরিশোধ করছে না প্রতিষ্ঠানটি। রয়েল টিউলিপের বন্ড কিনে আরও বিপাকে পড়েছে তারল্য সংকটে থাকা আইসিবি।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, কক্সবাজারের ইনানীতে হোটেল রয়েল টিউলিপ ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। হোটেলটির চেয়ারম্যান লুসি আখতারি মহল। আর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন তার স্বামী মো. আমিনুল হক। তিনি সান শাইন অ্যাপারেলস ঢাকা এবং তিন তারকা হোটেল সি ক্রাউনেরও চেয়ারম্যান।

পাশাপাশি শামিম এন্টারপ্রাইজ (প্রা.) লিমিটেড, শামিম এন্টারপ্রাইজ প্রোপার্টিজ লিমিটেড, এলিট অটো ব্রিকস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও আমিনুল হক। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) অনারারি ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে রয়েছেন মো. আমিনুল হকের ছোট ভাই ইকরামুল হক। বর্তমানে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের দায়িত্বে থাকা ইকরামুল হক হোটেল সি ক্রাউন, শামিম এন্টারপ্রাইজ (প্রা.) লিমিটেড ও শামিম এন্টারপ্রাইজ প্রোপার্টিজ লিমিটেডেরও পরিচালক। হোটেল রয়েল টিউলিপের আরেক পরিচালক হলেন মো. আমিনুল হকের পুত্রবধূ সারজানা ইসলাম।