রাজশাহী জেলা পরিষদের জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা 
jugantor
রাজশাহী জেলা পরিষদের জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা 

  রাজশাহী ব্যুরো  

২২ জানুয়ারি ২০২১, ১৫:০৪:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীতে জেলা পরিষদের জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে স্থিতাবস্থা দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বুধবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে রাজশাহী জেলা পরিষদের জায়গা দখল ও স্থাপনা ভেঙে ফেলার অভিযোগ এনে জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য গোলাম মোস্তফা হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বাদীর পিটিশনের আলোকে হাইকোর্ট প্রদত্ত আদেশে বলেছেন, জায়গার মালিক রাজশাহী জেলা পরিষদ। সুতরাং তাদের বিধিবদ্ধ অনুমতি ছাড়া ঘটনাস্থলে থাকা জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সার্ভে ইন্সটিটিউট নামের একটি প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা, দখল করা ও নির্মাণ উপকরণ অপসারণ করা আইনসম্মত হয়নি। এই স্থানের ওপর কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ না করতে বিবাদীদের ওপর রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

এদিকে হাইকোর্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ভূমি সচিব, আইন সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহী মহানগরপুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসন, বোয়ালিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি), রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা ও বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বাদীপক্ষে হাইকোর্টে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট দেওয়ান মো. আবু ওবায়েদ হোসাইন।

তিনি জানান, বিবাদীগণের বিরুদ্ধে রুলনিশি জারি করা হয়েছে। জেলা পরিষদের ওই জায়গায় বিবাদীগণ সে বিষয়েও আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের কথা বলে জেলা পরিষদের মালিকানায় থাকায় সার্ভে ইন্সটিটিউটের জায়গাটি দখলে নেয় সিটিকর্পোরেশন। সেখানে থাকা স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। এর পরই হাইকোর্টে রিট পিটিশন করে জেলা পরিষদ।

এদিকে ছাত্র-জনতার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ ডিসেম্বর নগরীর রাজারহাতা এলাকায় অবস্থিত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন জেলা পরিষদের মালিকানাধীন রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউট ভবনটি ভেঙে ফেলে। ওই দিনই সেখানে রাজশাহী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

অন্যদিকে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সার্ভে ইন্সটিটিউটটি আইনসম্মতভাবে না ভাঙার অভিযোগে পরিষদের সদস্য গোলাম মোস্তফা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন।

রাজশাহী জেলা পরিষদের জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা 

 রাজশাহী ব্যুরো 
২২ জানুয়ারি ২০২১, ০৩:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীতে জেলা পরিষদের জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে স্থিতাবস্থা দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বুধবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে রাজশাহী জেলা পরিষদের জায়গা দখল ও স্থাপনা ভেঙে ফেলার অভিযোগ এনে জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য গোলাম মোস্তফা হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বাদীর পিটিশনের আলোকে হাইকোর্ট প্রদত্ত আদেশে বলেছেন, জায়গার মালিক রাজশাহী জেলা পরিষদ। সুতরাং তাদের বিধিবদ্ধ অনুমতি ছাড়া ঘটনাস্থলে থাকা জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সার্ভে ইন্সটিটিউট নামের একটি প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা, দখল করা ও নির্মাণ উপকরণ অপসারণ করা আইনসম্মত হয়নি। এই স্থানের ওপর কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ না করতে বিবাদীদের ওপর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। 

এদিকে হাইকোর্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ভূমি সচিব, আইন সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসন,  বোয়ালিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি),  রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা ও বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।  

বাদীপক্ষে হাইকোর্টে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট দেওয়ান মো. আবু ওবায়েদ হোসাইন। 

তিনি জানান, বিবাদীগণের বিরুদ্ধে রুলনিশি জারি করা হয়েছে। জেলা পরিষদের ওই জায়গায় বিবাদীগণ সে বিষয়েও আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের কথা বলে জেলা পরিষদের মালিকানায় থাকায় সার্ভে ইন্সটিটিউটের জায়গাটি দখলে নেয় সিটি কর্পোরেশন। সেখানে থাকা স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। এর পরই হাইকোর্টে রিট পিটিশন করে জেলা পরিষদ। 

এদিকে ছাত্র-জনতার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ ডিসেম্বর নগরীর রাজারহাতা এলাকায় অবস্থিত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন জেলা পরিষদের মালিকানাধীন রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউট ভবনটি ভেঙে ফেলে। ওই দিনই সেখানে রাজশাহী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। 

অন্যদিকে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সার্ভে ইন্সটিটিউটটি আইনসম্মতভাবে না ভাঙার অভিযোগে পরিষদের সদস্য গোলাম মোস্তফা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন