৬৯ বছর পরেও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মেলেনি ভাষাসৈনিক চুন্নু মিয়ার
jugantor
৬৯ বছর পরেও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মেলেনি ভাষাসৈনিক চুন্নু মিয়ার

  মোবাশ্বির হাসান শিপন   

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৮:৪৩:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ভাষাসৈনিক রেজা-এ-করিম চৌধুরী চুন্নু মিয়া

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের আব্দুল জব্বার মিয়া বাড়িতে ১৯৩১ সালে জন্মগ্রহণ করেন ভোলার একমাত্র ভাষা সৈনিক রেজা-এ-করিম চৌধুরী চুন্নু মিয়া। এ ভাষা সৈনিক ১৯৭০ সালের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমএলএ) নির্বাচিত হন। ছিলেন ভোলার মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সারির সংগঠক। এছাড়া স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন।

সাদাসিদে এ মানুষটি বিনা বেতনে শিক্ষাকতা করেছেন বোরহানউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আব্দুল জব্বার কলেজে। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী এ ব্যক্তি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান ২০০৭ সালের ২ মার্চ শুক্রবার।

৭-৮ বছর আগে তৎকালীন জেলা প্রশাসক বেলায়েত হোসেন বরাবর চুন্নু মিয়ার স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি সম্বলিত স্মরকলিপি দেন এলাকাবাসী। কিন্তু দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস পাওয়া গেলেও এখনও তা অধরা রয়ে গেছে। দেরিতে হলেও ভাষা সৈনিক রেজা-এ-করিম চৌধুরী চুন্নু মিয়ার স্বীকৃতি ও স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি দ্বীপ জেলার সচেতন মহল।

এ ভাষা সৈনিকের পুরো নাম রেজা-এ-করিম চৌধুরী চুন্নু। কিন্তু চুন্নু স্যার নামে তিনি সমধিক পরিচিত। তার ব্যক্তিগত ডায়রি ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে জানা যায়, তিনি ঢাকা কলেজে অধ্যয়ন করার সময় মাত্র ১৯ বছর বয়সে ভাষা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ১৯৫২ সালে জিন্নাহর রাষ্ট্র ভাষা উর্দূ ঘোষণার পর তার মধ্যে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠল। তখন তিনিসহ তার এক সহপাঠীরা তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা কলেজের ভিপি ইকবাল আনসার হেনরীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে একাত্বতা ঘোষণা করে ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন।

তার ডায়রি থেকে জানা যায়, ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান সরকার অপরাহ্নে ঢাকা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে। ছাত্র প্রতিনিধিরা আগেই ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। চুন্নু মিয়ার ভাষায়, আমরা জানতাম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিলে গেলে নিশ্চিত গুলি হবে। তারপর ও মায়ের ভাষার প্রতি অপরিসীম ভালবাসা আমাকে মিছিলে যেতে উদ্বুদ্ধ করেছে। হঠাৎ মনে পড়ে আমি যদি আগামীকাল মিছিলে গিয়ে গুলিতে শহীদ হই তাহলে আমার লাশের সন্ধান হয়তো আত্মীয়রা পাবে না। এই কথা ভেবে আমি রাতে বসেই আমার পুরো নাম ঠিকানা সাদা কাগজে লিখে পকেটে ঢুকিয়ে রাখলাম। যাতে এই ঠিকানা অনুযায়ী আমার লাশ অন্তত: স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিতে পারে।

বায়ান্ন’র ২১ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকেই ছাত্র নেতৃবৃন্দের পরামর্শ অনুযায়ী ৮/১০ জনের খণ্ড মিছিল শুরু হল। তাদের কলেজের তৃতীয় ব্যাচের মিছিলে ছিলেন তিনি। মিছিল যখন কলাভবনের কাছে পৌঁছল তখন তাকে সহ অনেককে আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। রাতে তাদের ফাঁড়িতে অবস্থান করতে হয়। সকালে পুলিশ তাকে সহ অন্যদের পুলিশ ভ্যানে করে কোর্টে নিয়ে যায়। কোর্টে হাজির না করেই এক ঘণ্টার মধ্যে তাদের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হল। এরপর এক মাস কারাভোগের পর ২১ মার্চ মুক্ত আকাশের চোখ দেখেন।

১৯৭১ সালে চুন্নু মিয়া ভোলার মুক্তিযোদ্ধাদের সুসংগঠিত করে স্বাধীনতা যুদ্ধে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে চুন্নু মিয়া আওয়ামী লীগ থেকে এমএলএ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ওই সময় তিনি নিজেকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখেননি একাধারে ৪ টি স্কুলের শিক্ষকতার পাশাপাশি শুধু গ্রাজুয়েট হয়েও আব্দুল জব্বার কলেজে শিক্ষকতা করেন। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের তার লেখা বই “অনন্য সাধন” সবার প্রশংসা পেয়েছে কিন্তু “খেকশিয়ালের অধ:পতন” পান্ডুলিপি জীবদ্দশায় প্রকাশ করে যেতে পারেননি।

স্বীকৃতি ও স্মৃতি সংরক্ষণের ব্যাপারে চুন্নু মিয়ার বড় ছেলে কবির চৌধুরী ও ছোট ছেলে মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী বলেন, বাবার মুখে আমরা ভাষা আন্দোলনের সেই গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা শুনেছি। ওই সময় তিনি স্বীকৃতি, স্মৃতি সংরক্ষণ হবে বা হবে না এ চিন্তা করে আন্দোলনে যোগ দেননি। মায়ের ভাষা বাংলার জন্য আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। এখন রাষ্ট্র যদি মনে করে এটা প্রয়োজন তাহলে ১৯৫২ সালের জেল রেকর্ড তলব করলেই ঘটনার সুরাহা হয়।

তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আশ্বস্ত করা হচ্ছে বিষয়টি নিষ্পত্তির। বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সাইফুর রহমান জানিয়েছেন ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তিনি আলোচনা করবেন।

তবে বোরহানউদ্দিন পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল ইসলাম ঘোষণা দিয়েছেন অচিরেই ভাষাসৈনিক চুন্নু মিয়ার নামে নব-নির্মিত একটি সু-পরিসর সড়কের নামকরণ করা হবে।

ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল জানান, চুন্নু স্যার আমার প্রিয় শিক্ষক। স্যারের নামে বোরহানউদ্দিন উপজেলার প্রবেশদ্বারে একটি সুদৃশ্য তোড়ন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু ভোলা-চরফ্যাশন সড়ক প্রসস্থকরণ পরিকল্পনার পর ওই উদ্যোগ স্থগিত করা হয়। সড়ক প্রসস্থকরণের পরপরই বোরহানউদ্দিন উপজেলার প্রবেশ দ্বারে তোড়ণ নির্মাণ হবে।

লেখক: কবি ওসাংবাদিক
shipan.77@gmail.com

৬৯ বছর পরেও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মেলেনি ভাষাসৈনিক চুন্নু মিয়ার

 মোবাশ্বির হাসান শিপন  
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৬:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভাষাসৈনিক রেজা-এ-করিম চৌধুরী চুন্নু মিয়া
ভাষাসৈনিক রেজা-এ-করিম চৌধুরী চুন্নু মিয়া। ফাইল ছবি

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের আব্দুল জব্বার মিয়া বাড়িতে ১৯৩১ সালে জন্মগ্রহণ করেন ভোলার একমাত্র ভাষা সৈনিক রেজা-এ-করিম চৌধুরী চুন্নু মিয়া। এ ভাষা সৈনিক ১৯৭০ সালের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমএলএ) নির্বাচিত হন। ছিলেন ভোলার মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সারির সংগঠক। এছাড়া স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন। 

সাদাসিদে এ মানুষটি বিনা বেতনে শিক্ষাকতা করেছেন বোরহানউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আব্দুল জব্বার কলেজে। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী এ ব্যক্তি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান ২০০৭ সালের ২ মার্চ শুক্রবার।

৭-৮ বছর আগে তৎকালীন জেলা প্রশাসক বেলায়েত হোসেন বরাবর চুন্নু মিয়ার স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি সম্বলিত স্মরকলিপি দেন এলাকাবাসী। কিন্তু দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস পাওয়া গেলেও এখনও তা অধরা রয়ে গেছে। দেরিতে হলেও ভাষা সৈনিক রেজা-এ-করিম চৌধুরী চুন্নু মিয়ার স্বীকৃতি ও স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি দ্বীপ জেলার সচেতন মহল।

এ ভাষা সৈনিকের পুরো নাম রেজা-এ-করিম চৌধুরী চুন্নু। কিন্তু চুন্নু স্যার নামে তিনি সমধিক পরিচিত। তার ব্যক্তিগত ডায়রি ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে জানা যায়, তিনি ঢাকা কলেজে অধ্যয়ন করার সময় মাত্র ১৯ বছর বয়সে ভাষা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ১৯৫২ সালে জিন্নাহর রাষ্ট্র ভাষা উর্দূ ঘোষণার পর তার মধ্যে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠল। তখন তিনিসহ তার এক সহপাঠীরা তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা কলেজের ভিপি ইকবাল আনসার হেনরীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে একাত্বতা ঘোষণা করে ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। 

তার ডায়রি থেকে জানা যায়, ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান সরকার অপরাহ্নে ঢাকা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে। ছাত্র প্রতিনিধিরা আগেই ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। চুন্নু মিয়ার ভাষায়, আমরা জানতাম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিলে গেলে নিশ্চিত গুলি হবে। তারপর ও মায়ের ভাষার প্রতি অপরিসীম ভালবাসা আমাকে মিছিলে যেতে উদ্বুদ্ধ করেছে। হঠাৎ মনে পড়ে আমি যদি আগামীকাল মিছিলে গিয়ে গুলিতে শহীদ হই তাহলে আমার লাশের সন্ধান হয়তো আত্মীয়রা পাবে না। এই কথা ভেবে আমি রাতে বসেই আমার পুরো নাম ঠিকানা সাদা কাগজে লিখে পকেটে ঢুকিয়ে রাখলাম। যাতে এই ঠিকানা অনুযায়ী আমার লাশ অন্তত: স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিতে পারে।

বায়ান্ন’র ২১ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকেই ছাত্র নেতৃবৃন্দের পরামর্শ অনুযায়ী ৮/১০ জনের খণ্ড মিছিল শুরু হল। তাদের কলেজের তৃতীয় ব্যাচের মিছিলে ছিলেন তিনি। মিছিল যখন কলাভবনের কাছে পৌঁছল তখন তাকে সহ অনেককে আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। রাতে তাদের ফাঁড়িতে অবস্থান করতে হয়। সকালে পুলিশ তাকে সহ অন্যদের পুলিশ ভ্যানে করে কোর্টে নিয়ে যায়। কোর্টে হাজির না করেই এক ঘণ্টার মধ্যে তাদের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হল। এরপর এক মাস কারাভোগের পর ২১ মার্চ মুক্ত আকাশের চোখ দেখেন। 

১৯৭১ সালে চুন্নু মিয়া ভোলার মুক্তিযোদ্ধাদের সুসংগঠিত করে স্বাধীনতা যুদ্ধে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে চুন্নু মিয়া আওয়ামী লীগ থেকে এমএলএ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ওই সময় তিনি নিজেকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখেননি একাধারে ৪ টি স্কুলের শিক্ষকতার পাশাপাশি শুধু গ্রাজুয়েট হয়েও আব্দুল জব্বার কলেজে শিক্ষকতা করেন। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের তার লেখা বই “অনন্য সাধন” সবার প্রশংসা পেয়েছে কিন্তু “খেকশিয়ালের অধ:পতন” পান্ডুলিপি জীবদ্দশায় প্রকাশ করে যেতে পারেননি।

স্বীকৃতি ও স্মৃতি সংরক্ষণের ব্যাপারে চুন্নু মিয়ার বড় ছেলে কবির চৌধুরী ও ছোট ছেলে মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী বলেন, বাবার মুখে আমরা ভাষা আন্দোলনের সেই গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা শুনেছি। ওই সময় তিনি স্বীকৃতি, স্মৃতি সংরক্ষণ হবে বা হবে না এ চিন্তা করে আন্দোলনে যোগ দেননি। মায়ের ভাষা বাংলার জন্য আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। এখন রাষ্ট্র যদি মনে করে এটা প্রয়োজন তাহলে ১৯৫২ সালের জেল রেকর্ড তলব করলেই ঘটনার সুরাহা হয়। 

তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আশ্বস্ত করা হচ্ছে বিষয়টি নিষ্পত্তির। বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সাইফুর রহমান জানিয়েছেন ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তিনি আলোচনা করবেন। 

তবে বোরহানউদ্দিন পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল ইসলাম ঘোষণা দিয়েছেন অচিরেই ভাষাসৈনিক চুন্নু মিয়ার নামে নব-নির্মিত একটি সু-পরিসর সড়কের নামকরণ করা হবে। 

ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল জানান, চুন্নু স্যার আমার প্রিয় শিক্ষক। স্যারের নামে বোরহানউদ্দিন উপজেলার প্রবেশদ্বারে একটি সুদৃশ্য তোড়ন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু ভোলা-চরফ্যাশন সড়ক প্রসস্থকরণ পরিকল্পনার পর ওই উদ্যোগ স্থগিত করা হয়। সড়ক প্রসস্থকরণের পরপরই বোরহানউদ্দিন উপজেলার প্রবেশ দ্বারে তোড়ণ নির্মাণ হবে। 

লেখক: কবি ও সাংবাদিক 
shipan.77@gmail.com

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ভাষা আন্দোলনের ৬৯ বছর