মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
jugantor
মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৫:৩৮:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মানবাধিকারের অঙ্গীকার থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, সার্বজনীন, নিরপেক্ষ ও অনৈর্বাচনিকতার মূলনীতির ভিত্তিতে মানবাধিকার সুরক্ষার একটি ঘাঁটি হিসেবে মানবাধিকার কাউন্সিলকে আবির্ভূত হতে হবে। মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার থেকে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের এখনো আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৪৬তম অধিবেশনে এক ভিডিও বিবৃতিতে তিনি এমন দাবি করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য মানবাধিকার সুরক্ষায় জাতির পিতা স্বপ্ন বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে অনুপ্রাণিত করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, লিঙ্গসমতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধীদের অধিকার আদায়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে বাংলাদেশ।

মানুষের অধিকারের ওপর করোনা মহামারীর ওপর প্রভাব কীভাবে সামাল দেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার থেকে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের এখনো আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক, কাজেই তাদের সে দেশেই থাকতে হবে।

সেক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ ভূখণ্ডে প্রত্যর্পণ শুরু করতে মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার কাউন্সিলের গঠনমূলকভাবে কাজ করার প্রতি জোর দেন একে আবদুল মোমেন।

তিনি বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি, জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অ্যাডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেটের পরামর্শগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৩:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মানবাধিকারের অঙ্গীকার থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ফাইল ছবি


পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, সার্বজনীন, নিরপেক্ষ ও অনৈর্বাচনিকতার মূলনীতির ভিত্তিতে মানবাধিকার সুরক্ষার একটি ঘাঁটি হিসেবে মানবাধিকার কাউন্সিলকে আবির্ভূত হতে হবে। মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার থেকে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের এখনো আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৪৬তম অধিবেশনে এক ভিডিও বিবৃতিতে তিনি এমন দাবি করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য মানবাধিকার সুরক্ষায় জাতির পিতা স্বপ্ন বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে অনুপ্রাণিত করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, লিঙ্গসমতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধীদের অধিকার আদায়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে বাংলাদেশ।

মানুষের অধিকারের ওপর করোনা মহামারীর ওপর প্রভাব কীভাবে সামাল দেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার থেকে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের এখনো আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক, কাজেই তাদের সে দেশেই থাকতে হবে।

সেক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ ভূখণ্ডে প্রত্যর্পণ শুরু করতে মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার কাউন্সিলের  গঠনমূলকভাবে কাজ করার প্রতি জোর দেন একে আবদুল মোমেন।

তিনি বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি, জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অ্যাডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেটের পরামর্শগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা