কার্টুনিস্ট কিশোরকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নামঞ্জুর
jugantor
কার্টুনিস্ট কিশোরকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নামঞ্জুর

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪:৩০:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাবন্দি কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন আদালত নাকচ করে দিয়েছেন।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনের শুনানি করে ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম রোববার এ আদেশ দেন।

রিমান্ড শুনানি উপলক্ষে এদিন কিশোরকে আদালতে হাজিরের কথা থাকলেও তাকে হাজির করা হয়নি।

এজন্য ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালতের কাছে সংশ্লিষ্টদের শাস্তি চেয়েছেন কিশোরের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

পাশাপাশি যে মামলায় একবার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে, সেই মামলার আসামিকে রিমান্ডে নিতে পুলিশের ওই আবেদনের এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জ্যোতির্ময়।

গত বছরের মে মাসে লেখক মুশতাক আহমেদ, কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ইসলাম ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মিনহাজ মান্নানকে র‌্যাব গ্রেফতার করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কথাবার্তা ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে এ সময় মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে র‌্যাব।

সেই মামলায় দুজন জামিনে মুক্তি পেলেও মুশতাক ও কিশোরের জামিন আবেদন ছয়বার নাকচ হয়।

গত ১৩ জানুয়ারি এ মামলায় কাটুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ভূঁইয়া ও লেখক মুশতাক আহমেদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে রমনা থানা পুলিশ। যেখানে জুলকারনাইন খান ওরফে সামিসহ অন্য আট জনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

এ মামলায় কারাবন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদ গত বৃহস্পতিবার মারা যান। এর প্রতিবাদে রাজধানীতে বিভিন্ন বাম ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলন করছেন।

কার্টুনিস্ট কিশোরকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নামঞ্জুর

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাবন্দি কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন আদালত নাকচ করে দিয়েছেন।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনের শুনানি করে ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম রোববার এ আদেশ দেন। 

রিমান্ড শুনানি উপলক্ষে এদিন কিশোরকে আদালতে হাজিরের কথা থাকলেও তাকে হাজির করা হয়নি।

এজন্য ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালতের কাছে সংশ্লিষ্টদের শাস্তি চেয়েছেন কিশোরের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। 

পাশাপাশি যে মামলায় একবার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে, সেই মামলার আসামিকে রিমান্ডে নিতে পুলিশের ওই আবেদনের এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জ্যোতির্ময়।

গত বছরের মে মাসে লেখক মুশতাক আহমেদ, কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ইসলাম ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মিনহাজ মান্নানকে র‌্যাব গ্রেফতার করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কথাবার্তা ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে এ সময় মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে র‌্যাব।

সেই মামলায় দুজন জামিনে মুক্তি পেলেও মুশতাক ও কিশোরের জামিন আবেদন ছয়বার নাকচ হয়।

গত ১৩ জানুয়ারি এ মামলায় কাটুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ভূঁইয়া ও লেখক মুশতাক আহমেদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে রমনা থানা পুলিশ। যেখানে জুলকারনাইন খান ওরফে সামিসহ অন্য আট জনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।  

এ মামলায় কারাবন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদ গত বৃহস্পতিবার মারা যান। এর প্রতিবাদে রাজধানীতে বিভিন্ন বাম ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলন করছেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন