আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অবদান রাখছে বাংলাদেশ: গুতেরেস
jugantor
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অবদান রাখছে বাংলাদেশ: গুতেরেস

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ মার্চ ২০২১, ২০:৪৭:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অবদান রাখছে বাংলাদেশ: গুতেরেস

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস বলেছেন, পঞ্চাশ বছর আগে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ উন্নয়ন ধরে রেখে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অবদান রেখে চলেছে।

শুক্রবার এক ভিডিওবার্তায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ সামাজিক উন্নয়ন ও দুর্যোগ মোকাবিলা ও প্রস্তুতির বিষয়ে অসাধ্য সাধন করেছে। নিম্ন আয়ের দেশের তালিকা থেকেও বাংলাদেশ বেরিয়ে এসেছে।

গুতেরেস বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বোচ্চ সংখ্যক সেনার অংশগ্রহণ, ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামে অংশীদারিত্ব এবং মিয়ানমার থেকে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে বিশ্ব সমাজে অবদান রেখে চলেছে বাংলাদেশ।

এ সব ক্ষেত্রে জাতিসংঘ বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের উদ্যোগ ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলার কাজে জাতিসংঘ বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমি সবার শুভ কামনা করছি।

এদিকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনা ও সুযোগের হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব উপলক্ষে পাঠানো এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি আপনাকে ও বাংলাদেশের জনগণকে এই অভূতপূর্ব অর্জনের জন্য অভিনন্দন জানাই।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ১০ দিনের অনুষ্ঠানমালার শেষ দিন শুক্রবার বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়ে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

বাইডেন তার অভিনন্দন বার্তায় শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন। এটি বিশ্বে উদারতা ও মানবতার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। এই সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমার প্রশাসন এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে।

বাইডেন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্ব দেয়। আমরা বিশ্বাস করি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি উভয় দেশের প্রতিশ্রুতি দৃঢ় অংশীদারিত্বের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

আগামী ৫০ বছর এবং তারও পরে বাংলাদেশের জনগণের জন্য আরও উজ্জ্বল একটি ভবিষ্যৎ তৈরিতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অবদান রাখছে বাংলাদেশ: গুতেরেস

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ মার্চ ২০২১, ০৮:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অবদান রাখছে বাংলাদেশ: গুতেরেস
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস বলেছেন, পঞ্চাশ বছর আগে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ উন্নয়ন ধরে রেখে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অবদান রেখে চলেছে।

শুক্রবার এক ভিডিওবার্তায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। 

জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ সামাজিক উন্নয়ন ও দুর্যোগ মোকাবিলা ও প্রস্তুতির বিষয়ে অসাধ্য সাধন করেছে। নিম্ন আয়ের দেশের তালিকা থেকেও বাংলাদেশ বেরিয়ে এসেছে।

গুতেরেস বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বোচ্চ সংখ্যক সেনার অংশগ্রহণ, ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামে অংশীদারিত্ব এবং মিয়ানমার থেকে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে বিশ্ব সমাজে অবদান রেখে চলেছে বাংলাদেশ। 

এ সব ক্ষেত্রে জাতিসংঘ বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের উদ্যোগ ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলার কাজে জাতিসংঘ বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমি সবার শুভ কামনা করছি।

এদিকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। 

বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনা ও সুযোগের হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব উপলক্ষে পাঠানো এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি আপনাকে ও বাংলাদেশের জনগণকে এই অভূতপূর্ব অর্জনের জন্য অভিনন্দন জানাই।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ১০ দিনের অনুষ্ঠানমালার শেষ দিন শুক্রবার বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়ে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

বাইডেন তার অভিনন্দন বার্তায় শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন। এটি বিশ্বে উদারতা ও মানবতার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। এই সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমার প্রশাসন এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে।

বাইডেন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্ব দেয়। আমরা বিশ্বাস করি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি উভয় দেশের প্রতিশ্রুতি দৃঢ় অংশীদারিত্বের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

আগামী ৫০ বছর এবং তারও পরে বাংলাদেশের জনগণের জন্য আরও উজ্জ্বল একটি ভবিষ্যৎ তৈরিতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মুজিববর্ষ