হেফাজতের তাণ্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ ৫০ বছর পিছিয়েছে: আইজিপি (ভিডিও)
jugantor
হেফাজতের তাণ্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ ৫০ বছর পিছিয়েছে: আইজিপি (ভিডিও)

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সিরাজুল ইসলাম  

০১ এপ্রিল ২০২১, ১৯:৫৪:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর এবং হরতালকে কেন্দ্র করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজত ইসলামের নেতাকর্মীরা যে তাণ্ডব চালিয়েছে তাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ ৫০ বছর পিছিয়ে গেছে। এ ধ্বংসাত্মক নৃশংসতার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই।

তিনি বলেন, যারা এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব এবং সার্কিট হাউসে পৃথক মতবিনিময় সভায় আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রুহানি হুজুর এবং পলিটিক্যাল হুজুরদের চিহ্নিত করতে হবে। প্রত্যেকটি ঘটনাতেই পলিটিক্যাল হুজুরদের আইনের আওতায় আনা হবে। আপনাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর ভয়ের কোনো কারণ নেই। রাষ্ট্র, আইন ও জনগণ আপনাদের পাশে আছে। আপনারা মামলা করুন, অবশ্যই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশপ্রধান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩২ লাখ লোক বসবাস করেন শহরে। তারা তাদের সন্তানদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাদ্রাসা করেছেন। ওই মাদ্রাসাগুলোতে ১৩ হাজার ছাত্র লেখাপড়া করছে। তাদের প্রতিদিন এক কোটি টাকা খরচ হয়। এ টাকার জোগান দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী। ভূমি অফিস ও রেকর্ড রুম আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হামলা চালানো হয়েছে। এর ক্ষতি আগামী ৫০ বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীকে বহন করতে হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন আইজিপি। তিনি বলেন, ইসলামী শিক্ষার নামে আমাদের আলেম সমাজ এখন দুই ভাগে বিভক্ত। এক রুহানি হুজুর, আধ্যাত্মিক শক্তিসম্পন্ন। অপরটি রাজনৈতিক, আমাদের এদের চিহ্নিত করতে হবে। রাজনৈতিক আলেম কারা কারা তাদের বিষয়ে খোঁজখবর রাখতে হবে।

তিনি বলেন, নাশকতার ঘটনার ভিডিও পুলিশের হাতে এসেছে। এসব ফুটেজ দেখে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা মনে রাখবেন, বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষ আপনাদের সঙ্গে আছে। আর যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে তাদের যেকোনো মূল্যেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিহত করবে।

এ সময় র্যা ব মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, এসবির প্রধান মনিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, পুলিশের ডিআইজি অপারেশন খুরশিদ হোসেন, ডিআইজি হায়দার আলী খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘নাশকতার সময় শিশুবক্তাকে ধরে পরবর্তীতে আবার ছেড়ে দেয়া হলো, হেফাজতের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হলো না। গ্রেফতার করা হলো না। অথচ কুমিল্লায় গাড়ি পোড়ানোর মামলায় ঢাকায় অবস্থান করা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হুকুমের আসামি করে মামলা দেয়া হয়েছিল। কেন হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রেফতার হচ্ছে না? পুলিশ কি তাদের প্রতি সফট (নমনীয়)।’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সার্কিট হাউসে এসব প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে আইজিপিকে।

সব প্রশ্ন শুনে একবাক্যে উত্তর দিলেন আইজিপি। বললেন, তদন্ত করে যার নাম আসবে তাদের গ্রেফতার করা হবে।

আইজিপি বলেন, আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে। অভিযুক্তদের আইডেন্টিফাই করা হচ্ছে। রুলস অব 'ল' এবং গুড গভর্নেন্সের জন্য যা যা প্রয়োজন তাই করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি থানায় যখন হেফাজতের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছিল, তখন পুলিশ পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়ে থানার ভেতর থেকে মাইকিং করে বলে যে থানার ভবন ছেড়ে অন্য যে কোনো জায়গায় হামলা করুন।

পুলিশের এমন দায়িত্বহীন আচরণের বিষয়ে আইজিপির কাছে ব্যাখ্যা চান স্থানীয় এক সাংবাদিক। উত্তরে আইজিপি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় পুলিশের পৃথক কমিটি হয়েছে। কেউ যদি মাইকিং করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এটা অপেশাদার আচরণ। এ ধরনের কাজ করে কেউ পুলিশে থাকতে পারবে না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ ধরনের হামলা হবে, পুলিশের কাছে কী এমন কোন তথ্য ছিল না? তথ্য থাকলে হামলা আটকাতে পারলো না কেন পুলিশ- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, যেহেতু তারা প্রোগ্রাম দিয়েছিল, এটা সবারই জানা ছিল। তবে সেই প্রোগ্রামের পরিণতি যে এমন হবে তা কেউ বুঝতে পারেনি।

গত ২৬ ও ২৭ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামলা ও সরকারি স্থাপনায় ভাংচুর করে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। কেন এ হামলা? এমন প্রশ্নের উত্তরে আইজিপি বলেন, যেসব জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে সবই রাষ্ট্রীয় সম্পদ তথা জনগণের সম্পদ। জনগণের সম্পদে কেউ কেনইবা এভাবে বিনষ্ট করবে তা আমার বোধগম্য নয়। সার্কিট হাউসে হামলা হয়েছে, ভূমি অফিসে হামলা হয়েছে। ভূমি অফিসের ১৫০-২০০ বছরের নথি নাশকতাকারীরা পুড়িয়েছে; যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লোকজনকে আরও ৫০ বছর ভোগাবে।

আইজিপি বলেন, এ জেলায় ৩২ লাখ বাস করে। ৫৭৪টি মাদ্রাসা রয়েছে। সবাই পরকালের জন্য এসব মাদ্রাসায় দান-সদকা করে এগুলোকে পরিচালনা করেন। অথচ এসব মাদ্রাসার কোমলমতি ছাত্রদের নাশকতার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। হামলার ধরন দেখে এটা স্পষ্ট যে, দেশের উন্নয়ন ব্যাহত করার জন্য এ হামলা।

ধর্মীয় নেতাদের রাজনীতি নিয়ে আইজিপি বলেন, রুহানি হুজুররা আধ্যাত্মিকতা বাদ দিয়ে রাজনীতি করেন। রাজনীতি করার অধিকার সবার আছে তাই বলে ধ্বংস করতে হবে কেন?

হেফাজতের তাণ্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ ৫০ বছর পিছিয়েছে: আইজিপি (ভিডিও)

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সিরাজুল ইসলাম 
০১ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর এবং হরতালকে কেন্দ্র করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজত ইসলামের নেতাকর্মীরা যে তাণ্ডব চালিয়েছে তাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ ৫০ বছর পিছিয়ে গেছে। এ ধ্বংসাত্মক নৃশংসতার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই।

তিনি বলেন, যারা এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব এবং সার্কিট হাউসে পৃথক মতবিনিময় সভায় আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রুহানি হুজুর এবং পলিটিক্যাল হুজুরদের চিহ্নিত করতে হবে। প্রত্যেকটি ঘটনাতেই পলিটিক্যাল হুজুরদের আইনের আওতায় আনা হবে। আপনাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর ভয়ের কোনো কারণ নেই। রাষ্ট্র, আইন ও জনগণ আপনাদের পাশে আছে। আপনারা মামলা করুন, অবশ্যই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশপ্রধান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩২ লাখ লোক বসবাস করেন শহরে। তারা তাদের সন্তানদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাদ্রাসা করেছেন। ওই মাদ্রাসাগুলোতে ১৩ হাজার ছাত্র লেখাপড়া করছে। তাদের প্রতিদিন এক কোটি টাকা খরচ হয়। এ টাকার জোগান দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী। ভূমি অফিস ও রেকর্ড রুম আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হামলা চালানো হয়েছে। এর ক্ষতি আগামী ৫০ বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীকে বহন করতে হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন আইজিপি। তিনি বলেন, ইসলামী শিক্ষার নামে আমাদের আলেম সমাজ এখন দুই ভাগে বিভক্ত। এক রুহানি হুজুর, আধ্যাত্মিক শক্তিসম্পন্ন। অপরটি রাজনৈতিক, আমাদের এদের চিহ্নিত করতে হবে। রাজনৈতিক আলেম কারা কারা তাদের বিষয়ে খোঁজখবর রাখতে হবে।

তিনি বলেন, নাশকতার ঘটনার ভিডিও পুলিশের হাতে এসেছে। এসব ফুটেজ দেখে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা মনে রাখবেন, বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষ আপনাদের সঙ্গে আছে। আর যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে তাদের যেকোনো মূল্যেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিহত করবে।

এ সময় র্যা ব মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, এসবির প্রধান মনিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, পুলিশের ডিআইজি অপারেশন খুরশিদ হোসেন, ডিআইজি হায়দার আলী খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘নাশকতার সময় শিশুবক্তাকে ধরে পরবর্তীতে আবার ছেড়ে দেয়া হলো, হেফাজতের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হলো না। গ্রেফতার করা হলো না। অথচ কুমিল্লায় গাড়ি পোড়ানোর মামলায় ঢাকায় অবস্থান করা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হুকুমের আসামি করে মামলা দেয়া হয়েছিল। কেন হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রেফতার হচ্ছে না? পুলিশ কি তাদের প্রতি সফট (নমনীয়)।’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সার্কিট হাউসে এসব প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে আইজিপিকে।

সব প্রশ্ন শুনে একবাক্যে উত্তর দিলেন আইজিপি। বললেন, তদন্ত করে যার নাম আসবে তাদের গ্রেফতার করা হবে।

আইজিপি বলেন, আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে। অভিযুক্তদের আইডেন্টিফাই করা হচ্ছে। রুলস অব 'ল' এবং গুড গভর্নেন্সের জন্য যা যা প্রয়োজন তাই করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি থানায় যখন হেফাজতের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছিল, তখন পুলিশ পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়ে থানার ভেতর থেকে মাইকিং করে বলে যে থানার ভবন ছেড়ে অন্য যে কোনো জায়গায় হামলা করুন।

পুলিশের এমন দায়িত্বহীন আচরণের বিষয়ে আইজিপির কাছে ব্যাখ্যা চান স্থানীয় এক সাংবাদিক। উত্তরে আইজিপি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় পুলিশের পৃথক কমিটি হয়েছে। কেউ যদি মাইকিং করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এটা অপেশাদার আচরণ। এ ধরনের কাজ করে কেউ পুলিশে থাকতে পারবে না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ ধরনের হামলা হবে, পুলিশের কাছে কী এমন কোন তথ্য ছিল না? তথ্য থাকলে হামলা আটকাতে পারলো না কেন পুলিশ- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, যেহেতু তারা প্রোগ্রাম দিয়েছিল, এটা সবারই জানা ছিল। তবে সেই প্রোগ্রামের পরিণতি যে এমন হবে তা কেউ বুঝতে পারেনি।

গত ২৬ ও ২৭ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামলা ও সরকারি স্থাপনায় ভাংচুর করে হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। কেন এ হামলা? এমন প্রশ্নের উত্তরে আইজিপি বলেন, যেসব জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে সবই রাষ্ট্রীয় সম্পদ তথা জনগণের সম্পদ। জনগণের সম্পদে কেউ কেনইবা এভাবে বিনষ্ট করবে তা আমার বোধগম্য নয়। সার্কিট হাউসে হামলা হয়েছে, ভূমি অফিসে হামলা হয়েছে। ভূমি অফিসের ১৫০-২০০ বছরের নথি নাশকতাকারীরা পুড়িয়েছে; যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লোকজনকে আরও ৫০ বছর ভোগাবে।

আইজিপি বলেন, এ জেলায় ৩২ লাখ বাস করে। ৫৭৪টি মাদ্রাসা রয়েছে। সবাই পরকালের জন্য এসব মাদ্রাসায় দান-সদকা করে এগুলোকে পরিচালনা করেন। অথচ এসব মাদ্রাসার কোমলমতি ছাত্রদের নাশকতার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। হামলার ধরন দেখে এটা স্পষ্ট যে, দেশের উন্নয়ন ব্যাহত করার জন্য এ হামলা।

ধর্মীয় নেতাদের রাজনীতি নিয়ে আইজিপি বলেন, রুহানি হুজুররা আধ্যাত্মিকতা বাদ দিয়ে রাজনীতি করেন। রাজনীতি করার অধিকার সবার আছে তাই বলে ধ্বংস করতে হবে কেন?

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন