ভালো ডাক্তার হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই
jugantor
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম মিশরী মুনমুন
ভালো ডাক্তার হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই

  যোবায়ের আহসান জাবের  

০৫ এপ্রিল ২০২১, ১৯:৩০:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মিশরী মুনমুন

এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সারা দেশের মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছেন পাবনার মিশরী মুনমুন। তার এ কৃতিত্বে পাবনাজুড়ে চলছে খুশির আমেজ। সাধারণ পরিবারের মেয়ে মুনমুনের অসাধারণ ফলাফলে ঐতিহ্যবাহী পাবনা এডওয়ার্ড কলেজকে সারা দেশে আরও একবার আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে মিশরী মুনমুন জানিয়েছে তার সাফল্যের কথা। জানিয়েছেন গৌরবার্জনের নেপথ্যের কথা।

যুগান্তর: সারা বাংলাদেশে প্রথম হওয়ায় আপনার অনুভূতি কী?

মিশরী মুনমুন: আসলে এটা পুরোটাই আল্লাহর ইচ্ছা। আমি কখনও ভাবিনি যে, আল্লাহ আমাকে এভাবে সাহায্য করবেন। আল্লাহ চেয়েছেন এজন্য আল্লাহর রহমতে হয়ে গেছি।

যুগান্তর: চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন কখন থেকে?

মিশরী মুনমুন: ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হবো। একজন ভালো ডাক্তার হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। এ ইচ্ছা আমার ছোটবেলা থেকেই ছিল।

যুগান্তর: আপনার সফলতার পেছনের গল্প শুনতে চাই, গৌরবময় এ ফলাফলের নেপথ্যে কী ছিল বলে আপনি মনে করেন?-

মিশরী মুনমুন: আসলে আমার কোনো ক্রেডিটই নাই, সব আল্লাহর রহমত। পুরোটাই আল্লাহর অনুগ্রহ। আল্লাহর রহমতে আমার আব্বু-আম্মু যে প্রেরণা দিয়েছেন, তারা সাহস দিয়েছেন। কলেজের স্যারের যথেষ্ট শ্রম দিয়েছেন। আমাদের কলেজের সব স্যারেরাই খুব কেয়ার নিতেন আমাদের। বিশেষ করে আমাদের কলেজের প্রিন্সিপ্যাল হুমায়ুন স্যার খুবই উৎসাহ দিয়েছেন। আমাদের ক্লাসে এসে মাঝে মাঝে খোঁজখবর নিতেন। অনলাইনে ক্লাসের ব্যবস্থা করেছেন। করোনার মধ্যেও স্যারেরা আমাদের পড়াশোনার ব্যাপারে যত্ন নিয়েছেন। সব স্যারেরাই আসলে আমাদের প্রতি খুব আন্তরিক ছিলেন।

যুগান্তর: ভবিষ্যতে কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে চান?

মিশরী মুনমুন: আসলে আমি তো মাত্র মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেলাম। কোন বিভাগ কেমন, কোন বিভাগে আমি ভালো পারব তা তো এখনও জানি না। যে বিষয়ে ভালো পারব সে বিষয় নিয়েই পরবর্তীতে চিন্তা করব।

যুগান্তর: আগামী দিনের পরিকল্পনা কী?

মিশরী মুনমুন: নিজেকে আগে ডেভেলপ করা। নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা। নিজে যোগ্য না হলে তো দেশের জন্য কিছু করতে পারব না। এজন্য নিজেকে ডেভেলপ করার বিষয়েই বেশি সচেষ্ট থাকব ইনশাআল্লাহ।

যুগান্তর: সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

মিশরী মুনমুন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

প্রসঙ্গত, মিশরী মুনমুন ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে তিনি ৮৭.২৫ নম্বর পেয়ে সারা দেশের সব মেডিকেল ভর্তিচ্ছুদের মধ্যে মেধা তালিকায় প্রথম হন। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল মিলিয়ে তার প্রাপ্ত নম্বর ২৮৭.২৫।

মিশরী পাবনা মেডিকেল কলেজ থেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। সুযোগ পেয়েছেন তার পছন্দের শীর্ষে থাকা ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ার।

মেধাবী এই ছাত্রীর বাড়ি পাবনার সদর থানার রাধানগরে (নারায়ণপুর)। পাবনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচএসসি গোল্ডেন জিপিএ পেয়ে পাস করেন।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম মিশরী মুনমুন

ভালো ডাক্তার হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই

 যোবায়ের আহসান জাবের 
০৫ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মিশরী মুনমুন
মিশরী মুনমুন

এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সারা দেশের মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছেন পাবনার মিশরী মুনমুন। তার এ কৃতিত্বে পাবনাজুড়ে চলছে খুশির আমেজ।  সাধারণ পরিবারের মেয়ে মুনমুনের অসাধারণ ফলাফলে ঐতিহ্যবাহী পাবনা এডওয়ার্ড কলেজকে সারা দেশে আরও একবার আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে মিশরী মুনমুন জানিয়েছে তার সাফল্যের কথা। জানিয়েছেন গৌরবার্জনের নেপথ্যের কথা। 

যুগান্তর: সারা বাংলাদেশে প্রথম হওয়ায় আপনার অনুভূতি কী?

মিশরী মুনমুন: আসলে এটা পুরোটাই আল্লাহর ইচ্ছা। আমি কখনও ভাবিনি যে, আল্লাহ আমাকে এভাবে সাহায্য করবেন। আল্লাহ চেয়েছেন এজন্য আল্লাহর রহমতে হয়ে গেছি।

যুগান্তর: চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন কখন থেকে?

মিশরী মুনমুন: ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হবো। একজন ভালো ডাক্তার হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। এ ইচ্ছা আমার ছোটবেলা থেকেই ছিল।

যুগান্তর: আপনার সফলতার পেছনের গল্প শুনতে চাই, গৌরবময় এ ফলাফলের নেপথ্যে কী ছিল বলে আপনি মনে করেন?-

মিশরী মুনমুন: আসলে আমার কোনো ক্রেডিটই নাই, সব আল্লাহর রহমত। পুরোটাই আল্লাহর অনুগ্রহ। আল্লাহর রহমতে আমার আব্বু-আম্মু যে প্রেরণা দিয়েছেন, তারা সাহস দিয়েছেন। কলেজের স্যারের যথেষ্ট শ্রম দিয়েছেন। আমাদের কলেজের সব স্যারেরাই খুব কেয়ার নিতেন আমাদের। বিশেষ করে আমাদের কলেজের প্রিন্সিপ্যাল হুমায়ুন স্যার খুবই উৎসাহ দিয়েছেন। আমাদের ক্লাসে এসে মাঝে মাঝে খোঁজখবর নিতেন। অনলাইনে ক্লাসের ব্যবস্থা করেছেন। করোনার মধ্যেও স্যারেরা আমাদের পড়াশোনার ব্যাপারে যত্ন নিয়েছেন। সব স্যারেরাই আসলে আমাদের প্রতি খুব আন্তরিক ছিলেন।

যুগান্তর: ভবিষ্যতে কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে চান?

মিশরী মুনমুন: আসলে আমি তো মাত্র মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেলাম। কোন বিভাগ কেমন, কোন বিভাগে আমি ভালো পারব তা তো এখনও জানি না। যে বিষয়ে ভালো পারব সে বিষয় নিয়েই পরবর্তীতে চিন্তা করব।

যুগান্তর: আগামী দিনের পরিকল্পনা কী?

মিশরী মুনমুন: নিজেকে আগে ডেভেলপ করা।  নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা। নিজে যোগ্য না হলে তো দেশের জন্য কিছু করতে পারব না। এজন্য নিজেকে ডেভেলপ করার বিষয়েই বেশি সচেষ্ট থাকব ইনশাআল্লাহ।

যুগান্তর: সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

মিশরী মুনমুন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

প্রসঙ্গত, মিশরী মুনমুন ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে তিনি ৮৭.২৫ নম্বর পেয়ে সারা দেশের সব মেডিকেল ভর্তিচ্ছুদের মধ্যে মেধা তালিকায় প্রথম হন। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল মিলিয়ে তার প্রাপ্ত নম্বর ২৮৭.২৫।

মিশরী পাবনা মেডিকেল কলেজ থেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। সুযোগ পেয়েছেন তার পছন্দের শীর্ষে থাকা ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ার।

মেধাবী এই ছাত্রীর বাড়ি পাবনার সদর থানার রাধানগরে (নারায়ণপুর)। পাবনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচএসসি গোল্ডেন জিপিএ পেয়ে পাস করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন