ভ্যাকসিন নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনায় আক্রান্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
jugantor
ভ্যাকসিন নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনায় আক্রান্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৬ এপ্রিল ২০২১, ১৭:০৪:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। ফাইল ছবি

করোনায়ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে যারা স্বাস্থ্যবিধি না মানেনি তারা-ই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, ‘আমরা এত বেপরোায়া হয়ে গেছি মনে করছি করোনায় ধরবে না’।

মঙ্গলবার করোনা আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মহাখালী মার্কেটকে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা করোনার চিকিৎসা দিয়ে কুল পাব না, যেখান করোনার উৎপত্তি হচ্ছে সেগুলো বন্ধ করতে হবে।

১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালে ১০০টি আইসিইউ শয্যা এবং ১১২টি এইচডিইউ থাকবে। এটিই হবে করোনা চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে এ হাসপাতাল বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি এখানে সেবাদান শুরু হবে। চলতি মাসের শেষ দিকে প্রায় পূর্ণাঙ্গভাবে হাসপাতালটি যাত্রা শুরু করবে।

এটি পরিচালনা করবে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। তবে এ হাসপাতাল পরিচালনায় ৫০০ চিকিৎসক, ৭০০ নার্স ও ৭০০ স্টাফ এবং ওষুধ-সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ভ্যাকসিন নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনায় আক্রান্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৬ এপ্রিল ২০২১, ০৫:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। ফাইল ছবি
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। ফাইল ছবি

করোনায়ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে যারা স্বাস্থ্যবিধি না মানেনি তারা-ই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, ‘আমরা এত বেপরোায়া হয়ে গেছি মনে করছি করোনায় ধরবে না’।

মঙ্গলবার করোনা আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মহাখালী মার্কেটকে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা করোনার চিকিৎসা দিয়ে কুল পাব না, যেখান করোনার উৎপত্তি হচ্ছে সেগুলো বন্ধ করতে হবে।

১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালে ১০০টি আইসিইউ শয্যা এবং ১১২টি এইচডিইউ থাকবে। এটিই হবে করোনা চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে এ হাসপাতাল বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি এখানে সেবাদান শুরু হবে। চলতি মাসের শেষ দিকে প্রায় পূর্ণাঙ্গভাবে হাসপাতালটি যাত্রা শুরু করবে।

এটি পরিচালনা করবে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। তবে এ হাসপাতাল পরিচালনায় ৫০০ চিকিৎসক, ৭০০ নার্স ও ৭০০ স্টাফ এবং ওষুধ-সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস