রফিকুল ইসলাম মাদানী ৪ দিনের রিমান্ডে
jugantor
রফিকুল ইসলাম মাদানী ৪ দিনের রিমান্ডে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২১ এপ্রিল ২০২১, ১৪:৪২:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে রাজধানীতে বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের মিছিল থেকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় রফিকুল ইসলাম মাদানীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড পেয়েছে পুলিশ।

বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমান শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন মতিঝিল থানা এলাকায় মোদিবিরোধী মিছিলে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এসময় কাশিমপুর কারাগারে বন্দি মাদানীকেভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। পুরে শুনানি শেষে বিচারক চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন ঘিরে গত ২৫ মার্চ ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের একটি মিছিল রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় শুরু হয়।

এতে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মিছিলটি মতিঝিলে যাওয়ার পর পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় রফিকুল ইসলামকে পুলিশ আটক করে পরে আবার ছেড়ে দেয়। ওই ঘটনায় ২৬ মার্চ দিবাগত রাতে মতিঝিল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।

এরপর গত ৭ এপ্রিল মাদানীকে তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা থেকে আটক করে র‌্যাব। পরের দিন গাজীপুরের গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করে র‌্যাব তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

গাজীপুরের পর ঢাকার মতিঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়। ৮ এপ্রিল আদনান শান্ত নামের এক ব্যক্তি মামলাটি করেন।

এরপর মাদানীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের বাসন থানায় আরও একটি মামলা হয়। তার বিরুদ্ধে মারাত্মক মিথ্যা, ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি করার মতো অপরাধে সহায়তার অভিযোগ এনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন গাজীপুরের টেকনাগপাড়া এলাকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

এর মধ্যে গাজীপুরের গাছা থানায় করা র‌্যাবের মামলায় গত ১৫ এপ্রিল মাদানীর দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুরে করেন গাজীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। আর মতিঝিলে নাশকতার মামলায় আজ তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হলো।

রফিকুল ইসলাম মাদানী ৪ দিনের রিমান্ডে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২১ এপ্রিল ২০২১, ০২:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে রাজধানীতে বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের মিছিল থেকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় রফিকুল ইসলাম মাদানীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড পেয়েছে পুলিশ। 

বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমান শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

এদিন মতিঝিল থানা এলাকায় মোদিবিরোধী মিছিলে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এসময় কাশিমপুর কারাগারে বন্দি মাদানীকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। পুরে শুনানি শেষে বিচারক চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন ঘিরে গত ২৫ মার্চ ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের একটি মিছিল রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় শুরু হয়। 

এতে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মিছিলটি মতিঝিলে যাওয়ার পর পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় রফিকুল ইসলামকে পুলিশ আটক করে পরে আবার ছেড়ে দেয়। ওই  ঘটনায় ২৬ মার্চ দিবাগত রাতে মতিঝিল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।

এরপর গত ৭ এপ্রিল মাদানীকে তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা থেকে আটক করে র‌্যাব। পরের দিন গাজীপুরের গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করে র‌্যাব তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

গাজীপুরের পর ঢাকার মতিঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়। ৮ এপ্রিল আদনান শান্ত নামের এক ব্যক্তি মামলাটি করেন।

এরপর মাদানীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের বাসন থানায় আরও একটি মামলা হয়। তার বিরুদ্ধে মারাত্মক মিথ্যা, ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি করার মতো অপরাধে সহায়তার অভিযোগ এনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন গাজীপুরের টেকনাগপাড়া এলাকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

এর মধ্যে গাজীপুরের গাছা থানায় করা র‌্যাবের মামলায় গত ১৫ এপ্রিল মাদানীর দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুরে করেন গাজীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। আর মতিঝিলে নাশকতার মামলায় আজ তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হলো।   

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন