আইইবি’র ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুক্রবার
jugantor
আইইবি’র ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুক্রবার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৬ মে ২০২১, ২০:৪২:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশের প্রকৌশলীদের একমাত্র জাতীয় পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুক্রবার (০৭ মে) পালিত হবে। দিবসটিকে আইইবি ‘‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে” হিসেবে প্রতি বছর উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করে। তবে করোনা মহামারির জন্য এ বছর সীমিত পরিসরে এ আয়োজন করা হবে।

‘উন্নত জগত গঠন করুন’ এ সুমহান আদর্শকে সামনে রেখে জাতীয় উন্নয়ন তথা দেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে ১৯৪৮ সালের ৭ মে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন যাত্রা শুরু করে। আইইবি দেশের প্রকৌশলীদের একমাত্র জাতীয় পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান। আইইবি বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠানও বটে। ১৯৪৮-এ পাকিস্তান সৃষ্টির পর আইইবি-ই একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান, যার সদর দফতর বাংলাদেশে অর্থাৎ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয় ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (বিজয়ের মাত্র ১০ দিনের মধ্যে), সেই সভাতেই ‘ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স পাকিস্তান’ নাম পরিবর্তিত হয়ে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ নামকরণ করা হয়। আইইবি প্রকৌশলীদের গর্ব এবং অহংকার।

করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর সীমিত পরিসরে কিছু অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এছাড়া অনলাইনের মাধ্যমেও বেশ কিছু অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। যেখানে দেশের প্রকৌশলীরা অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়াও আইইবি’র বিভিন্ন প্রকৌশল বিভাগ, কেন্দ্র/উপকেন্দ্র এবং ওভারসিস চ্যাপ্টারসমূহেও ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’-এর কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে পালিত হবে।

আইইবি’র ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা আইইবি’র সকল প্রকৌশলীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সফলতা কামনা করেছেন।

এ উপলক্ষে আইইবি’র প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী নূরুল হুদা এবং সম্মানী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শাহাদাৎ হোসেন (শীবলু), পিইঞ্জ বলেন, প্রকৌশল শিক্ষার মানোন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধন, বিশ্বের নিত্য নতুন, আধুনিক প্রযুক্তির সাথে প্রকৌশলীদের পরিচয় করে দেয়া, বিদেশী প্রযুক্তিকে দেশোপযোগী করে প্রয়োগ, বিভিন্ন কারিগরি ইস্যু, উন্নয়ন কর্মকান্ডে সরকারকে পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত প্রণয়নে সহযোগিতা করা এবং প্রকৌশলীদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ সাধনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন ৭৩ বছর যাবৎ অবিরাম প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিতে আইইবি সবসময় বদ্ধ পরিকর।

আইইবি’র ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুক্রবার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৬ মে ২০২১, ০৮:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশের প্রকৌশলীদের একমাত্র জাতীয় পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুক্রবার (০৭ মে) পালিত হবে। দিবসটিকে আইইবি ‘‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে” হিসেবে প্রতি বছর উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করে। তবে করোনা মহামারির জন্য এ বছর সীমিত পরিসরে এ আয়োজন করা হবে।

‘উন্নত জগত গঠন করুন’ এ সুমহান আদর্শকে সামনে রেখে জাতীয় উন্নয়ন তথা দেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে ১৯৪৮ সালের ৭ মে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন যাত্রা শুরু করে। আইইবি দেশের প্রকৌশলীদের একমাত্র জাতীয় পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান। আইইবি বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠানও বটে। ১৯৪৮-এ পাকিস্তান সৃষ্টির পর আইইবি-ই একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান, যার সদর দফতর বাংলাদেশে অর্থাৎ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয় ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (বিজয়ের মাত্র ১০ দিনের মধ্যে), সেই সভাতেই ‘ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স পাকিস্তান’ নাম পরিবর্তিত হয়ে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ নামকরণ করা হয়। আইইবি প্রকৌশলীদের গর্ব এবং অহংকার।

করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর সীমিত পরিসরে কিছু অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এছাড়া অনলাইনের মাধ্যমেও বেশ কিছু অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। যেখানে দেশের প্রকৌশলীরা অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়াও আইইবি’র বিভিন্ন প্রকৌশল বিভাগ, কেন্দ্র/উপকেন্দ্র এবং ওভারসিস চ্যাপ্টারসমূহেও ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’-এর কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে পালিত হবে।

আইইবি’র ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা আইইবি’র সকল প্রকৌশলীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সফলতা কামনা করেছেন।

এ উপলক্ষে আইইবি’র প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী নূরুল হুদা এবং সম্মানী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শাহাদাৎ হোসেন (শীবলু), পিইঞ্জ বলেন, প্রকৌশল শিক্ষার মানোন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধন, বিশ্বের নিত্য নতুন, আধুনিক প্রযুক্তির সাথে প্রকৌশলীদের পরিচয় করে দেয়া, বিদেশী প্রযুক্তিকে দেশোপযোগী করে প্রয়োগ, বিভিন্ন কারিগরি ইস্যু, উন্নয়ন কর্মকান্ডে সরকারকে পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত প্রণয়নে সহযোগিতা করা এবং প্রকৌশলীদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ সাধনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন ৭৩ বছর যাবৎ অবিরাম প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিতে আইইবি সবসময় বদ্ধ পরিকর।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন