সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা নিয়ে এবার ‘আদালত অবমাননার’ অভিযোগ
jugantor
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা নিয়ে এবার ‘আদালত অবমাননার’ অভিযোগ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ মে ২০২১, ১৪:২১:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা বন্ধে সরকারকে উকিল নোটিস পাঠানোর পর এবার ‘আদালত অবমাননার’ অভিযোগ করা হয়েছে হাইকোর্টে।

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন।

আদালতের রায় ‘উপেক্ষা করে’ উদ্যানের গাছ কাটায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. শামিম আকতার এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মীর মঞ্জুরুর রহমানের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না- সেই প্রশ্নে রুল চাওয়া হয়েছে ওই আবেদনে।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ গণমাধ্যমকে বলেন, তিনজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল চাওয়ার পাশাপাশি উদ্যানের গাছ কাটা বন্ধ করা, রেস্তোরাঁ নির্মাণ কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি কোন প্রকল্পের অধীনে সরকার উদ্যানে কী কী কাজ করছে তার বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন হলফনামা করে আদালতে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্বাধীনতার স্মৃতিবিজড়িত স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্মৃতিকেন্দ্র নির্মাণে গণপূর্ত অধিদপ্তরের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বেশ কিছু গাছ ইতোমধ্যে কাটা হয়েছে। কাটার জন্য আরও কিছু গাছ চিহ্নিত করা হয়েছে।

সেখানে ‘রেস্তোরাঁ ও হাঁটার পথ’ নির্মাণের জন্য গাছ কাটা হচ্ছে অভিযোগ করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে বিভিন্ন সংগঠন। গত কয়েকদিন ধরেই সেখানে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন প্রতিবাদকারীরা।

তবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বলেছে, ঐতিহাসিক এই উদ্যানে ‘আন্তর্জাতিক মানের স্মৃতিকেন্দ্র’ গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ‘কিছু গাছ’ কাটা হয়েছে। গাছ কাটা নিয়ে ‘খণ্ডিত তথ্য’ প্রচার হওয়ায় জনমনে ‘বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে’।

আর প্রকল্প পরিচালক মো. হাবিবুল ইসলাম বলেছেন, যখনই যেই গাছ কাটা পড়বে, সেই গাছের বিপরীতে ১০টা গাছ লাগানো হবে। আর সামগ্রিকভাবে অন্তত এক হাজার গাছ লাগানো আমাদের লক্ষ্য।

এর আগে গাছ কাটা বন্ধে ছয়টি সংগঠন ও এক ব্যক্তির পক্ষ থেকে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা নিয়ে এবার ‘আদালত অবমাননার’ অভিযোগ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ মে ২০২১, ০২:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা বন্ধে সরকারকে উকিল নোটিস পাঠানোর পর এবার ‘আদালত অবমাননার’ অভিযোগ করা হয়েছে হাইকোর্টে।

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন।

আদালতের রায় ‘উপেক্ষা করে’ উদ্যানের গাছ কাটায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. শামিম আকতার এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মীর মঞ্জুরুর রহমানের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না- সেই প্রশ্নে রুল চাওয়া হয়েছে ওই আবেদনে।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ গণমাধ্যমকে বলেন, তিনজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল চাওয়ার পাশাপাশি উদ্যানের গাছ কাটা বন্ধ করা, রেস্তোরাঁ নির্মাণ কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি কোন প্রকল্পের অধীনে সরকার উদ্যানে কী কী কাজ করছে তার বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন হলফনামা করে আদালতে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। 

স্বাধীনতার স্মৃতিবিজড়িত স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্মৃতিকেন্দ্র নির্মাণে গণপূর্ত অধিদপ্তরের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বেশ কিছু গাছ ইতোমধ্যে কাটা হয়েছে। কাটার জন্য আরও কিছু গাছ চিহ্নিত করা হয়েছে।

সেখানে ‘রেস্তোরাঁ ও হাঁটার পথ’ নির্মাণের জন্য গাছ কাটা হচ্ছে অভিযোগ করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে বিভিন্ন সংগঠন। গত কয়েকদিন ধরেই সেখানে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন প্রতিবাদকারীরা।  

তবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বলেছে, ঐতিহাসিক এই উদ্যানে ‘আন্তর্জাতিক মানের স্মৃতিকেন্দ্র’ গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ‘কিছু গাছ’ কাটা হয়েছে। গাছ কাটা নিয়ে ‘খণ্ডিত তথ্য’ প্রচার হওয়ায় জনমনে ‘বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে’।

আর প্রকল্প পরিচালক মো. হাবিবুল ইসলাম বলেছেন, যখনই যেই গাছ কাটা পড়বে, সেই গাছের বিপরীতে ১০টা গাছ লাগানো হবে। আর সামগ্রিকভাবে অন্তত এক হাজার গাছ লাগানো আমাদের লক্ষ্য।

এর আগে গাছ কাটা বন্ধে ছয়টি সংগঠন ও এক ব্যক্তির পক্ষ থেকে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন