মিতু হত্যাকারীদের মোটা অঙ্কের টাকা দেন বাবুল আক্তার
jugantor
মিতু হত্যাকারীদের মোটা অঙ্কের টাকা দেন বাবুল আক্তার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৩ মে ২০২১, ১৭:০৯:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বাবুল আক্তার ও মিতু

আলোচিত সাবেক এসপি বাবুল আক্তার তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতুর হত্যাকারীদের কয়েক দফা মোটা অঙ্কের টাকা দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পিবিআইয়ের প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বৃহস্পতিবার বলেন ‘হত্যাকারীদের বিভিন্ন ধাপে অর্থ দিয়েছেন বাবুল আক্তার, যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাবুলের দুই বন্ধুর দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে প্রাথমকিভাবে তিন লাখ টাকা দেওয়ার কথা জানা গেলেও টাকার পরিমাণ আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে’।

পিবিআই প্রধানের ভাষায় খুনিদের সঙ্গে বাবুলের লেনদেন হওয়া টাকার পরিমাণ ছয় লাখ থেকে নয় লাখও হতে পারে।

এর আগে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই প্রধান বলেছিলেন, হত্যাকাণ্ডের পর বাবুলের দুই বন্ধু সাইফুল হক এবং গাজী আল মামুনের মাধ্যমে ‘সোর্স’ কামরুল ইসলাম সিকদার মুছাকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা দেওয়া হয়েছিল। সাইফুল হক বাবুল আক্তারের পূর্ব পরিচিত এবং এক সময়ের ব্যবসায়িক পার্টনার। আর কাজী আল মামুন হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়া পলাতক মুছার আত্মীয়।

ঘটনাস্থলের সিসি টিভি ফুটেজ দেখে ওই খুনে একাধিক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে পুলিশ। যাদের মধ্যে ছিলেন বাবুলের ‘সোর্স’ কামরুল ইসলাম শিকদার মুছাও। কিন্তু তখন তাকে ‘চিনতেই পারেননি’ বাবুল।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় প্রকাশ্য রাস্তায় খুন হন বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে যোগ দিতে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল, তার আগে তিনি চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশে ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে বাবুল আক্তার নিজেই মামলা করেছিলেন। বুধবার সেই মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে পিবিআই জানায়, মিত্যু হত্যায় বাবুল আক্তার জড়িত।

মিতু হত্যাকারীদের মোটা অঙ্কের টাকা দেন বাবুল আক্তার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৩ মে ২০২১, ০৫:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাবুল আক্তার ও মিতু
বাবুল আক্তার ও মিতু। ফাইল ছবি

আলোচিত সাবেক এসপি বাবুল আক্তার তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতুর হত্যাকারীদের কয়েক দফা মোটা অঙ্কের টাকা দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পিবিআইয়ের প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বৃহস্পতিবার বলেন ‘হত্যাকারীদের বিভিন্ন ধাপে অর্থ দিয়েছেন বাবুল আক্তার, যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাবুলের দুই বন্ধুর দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে প্রাথমকিভাবে তিন লাখ টাকা দেওয়ার কথা জানা গেলেও টাকার পরিমাণ আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে’।

পিবিআই প্রধানের ভাষায় খুনিদের সঙ্গে বাবুলের লেনদেন হওয়া টাকার পরিমাণ ছয় লাখ থেকে নয় লাখও হতে পারে।

এর আগে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই প্রধান বলেছিলেন, হত্যাকাণ্ডের পর বাবুলের দুই বন্ধু সাইফুল হক এবং গাজী আল মামুনের মাধ্যমে ‘সোর্স’ কামরুল ইসলাম সিকদার মুছাকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা দেওয়া হয়েছিল। সাইফুল হক বাবুল আক্তারের পূর্ব পরিচিত এবং এক সময়ের ব্যবসায়িক পার্টনার। আর কাজী আল মামুন হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়া পলাতক মুছার আত্মীয়।

ঘটনাস্থলের সিসি টিভি ফুটেজ দেখে ওই খুনে একাধিক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে পুলিশ। যাদের মধ্যে ছিলেন বাবুলের ‘সোর্স’ কামরুল ইসলাম শিকদার মুছাও। কিন্তু তখন তাকে ‘চিনতেই পারেননি’ বাবুল।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় প্রকাশ্য রাস্তায় খুন হন বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে যোগ দিতে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল, তার আগে তিনি চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশে ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে বাবুল আক্তার নিজেই মামলা করেছিলেন। বুধবার সেই মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে পিবিআই জানায়, মিত্যু হত্যায় বাবুল আক্তার জড়িত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মিতু হত্যার নতুন মোড়