ঈদ ফিরতি যাত্রা নিয়ন্ত্রণে সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
jugantor
ঈদ ফিরতি যাত্রা নিয়ন্ত্রণে সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৪ মে ২০২১, ১৮:২৯:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ঈদের ছুটিতে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গ্রামে ফিরেছেন লাখ লাখ মানুষ। এ নিয়ে মহাসংক্রমণের আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞারা। এমত অবস্থায় ঈদের ফিরতি যাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার সুপারিশ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা এ বি এম খুরশিদ আলম।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঈদ উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে মানুষ যেভাবে ভিড় জমিয়ে বাড়ি গিয়েছেন, তাদের ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত করতে সুপারিশ করা হয়েছে। পরে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে তাদের ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ নিয়ে সতর্ক রয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, ভারতসহ অন্য দেশের ভ্যারিয়েন্ট যেন আমাদের দেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা সর্তক রয়েছি। এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। ভারতের মতো পরিস্থিতি আমাদের দেশে তৈরি হলে নাজুক অবস্থা হবে।

এদিকে ১৬ মে লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ১৬ মের পরে লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হতে পারে।

ঈদ ফিরতি যাত্রা নিয়ন্ত্রণে সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৪ মে ২০২১, ০৬:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঈদের ছুটিতে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গ্রামে ফিরেছেন লাখ লাখ মানুষ। এ নিয়ে মহাসংক্রমণের আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞারা। এমত অবস্থায় ঈদের ফিরতি যাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার সুপারিশ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। 

শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা এ বি এম খুরশিদ আলম।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঈদ উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে মানুষ যেভাবে ভিড় জমিয়ে বাড়ি গিয়েছেন, তাদের ফিরতি যাত্রা বিলম্বিত করতে সুপারিশ করা হয়েছে। পরে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে তাদের ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ নিয়ে সতর্ক রয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, ভারতসহ অন্য দেশের ভ্যারিয়েন্ট যেন আমাদের দেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা সর্তক রয়েছি। এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। ভারতের মতো পরিস্থিতি আমাদের দেশে তৈরি হলে নাজুক অবস্থা হবে।

এদিকে ১৬ মে লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ১৬ মের পরে লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হতে পারে।    

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস