পিবিআইকে মিথ্যা ঠিকানা কেন দিলেন বাবুল আকতার?
jugantor
পিবিআইকে মিথ্যা ঠিকানা কেন দিলেন বাবুল আকতার?

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৪ মে ২০২১, ২৩:৫৭:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারের স্ত্রী মিতু হত্যাকাণ্ডের ৫ বছর পর চাঞ্চল্যকর সব তথ্য বেরিয়ে আসছে।

এক কথায় পুরো মামলাই উল্টো গেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে উঠে আসা চূড়ান্ত রিপোর্টে।

মামলার প্রথম বাদী বাবুল আকতারই এখন প্রধান আসামি। আছেন রিমান্ডে। মামলার দ্বিতীয় আসামি বাবুলের সোর্স মুছাকে খুঁজছে পুলিশ। অথচ পাঁচ বছর আগে মুছাকে নাকি মামলার তদন্ত স্বার্থে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।

মুছার স্ত্রী পান্নার দাবি, তার স্বামীকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, মুছা পলাতক রয়েছেন।

এমন সব তালগোল পাকানো রহস্যের মধ্যে আরো একটি নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সেটি হলো - গ্রেফতার বাবুল আকাতার পুলিশকে তার বাসার ভুল ঠিকানা দিয়েছেন। নিহত মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় যে মামলা করেছেন, সেখানে বাবুল আকতারের ঢাকার ঠিকানা ভুলভাবে লেখা হয়েছে।

শুক্রবার মামলা তদন্তের দায়িত্বে থাকা পিবিআইয়ের উপমহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন জানান, এ ঠিকানা বাবুল থেকে তিনি নিজে নেননি। বাবুল আকতার পিবিআইকে যে ঠিকানা দিয়েছেন, তার ভিত্তিতেই মামলায় ওই ঠিকানা লিখেছেন তিনি।

এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, বাবুল আকতারের বাসার ঠিকানা লেভেল-৭, সড়ক নম্বর ১১, বাসা নম্বর ২২, ব্লক সি, বাবর রোড। কিন্তু মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে এই হোল্ডিং নম্বরের বাসার অস্তিত্বই পায়নি পুলিশ।

বাবুল কেনপিবিআইকে মিথ্যা ঠিকানা দিলেন- এ প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ধারণা, দুই সন্তানকে এসব ঝামেলা থেকে নিরাপদ রাখতে বাবুল এমনটা করে থাকতে পারেন।

সূত্র জানায়, পিবিআইয়ের জেরায় বাবুল তার সঠিক ঠিকানা দিয়েছেন। যদিও প্রথমেঠিকানা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন বাবুল।

পরে ঠিকানা নিয়ে বাবুলের গাড়িচালকের সহায়তায় সেখানে গিয়ে তারা ফ্ল্যাটটি তালাবদ্ধ দেখতে পান।

গত সোমবার চট্টগ্রাম যাওয়ার পর বাবুলের পরিবারও চলে গেছেন বলে জানান ওই ভবনের নিরাপত্তারক্ষী মো. রিপন।

মিতু হত্যকাণ্ডের কয়েক বছর পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন বাবুল। মিতুর ঘরের দুই সন্তানকে সেই স্ত্রীর কাছেই রেখেছেন তিনি।

এদিকে বাবুলের শ্বশুর-শাশুড়ি মিতুর দুই সন্তানকে নিজেদের জিম্মায় নিতে চান। সেটি না হতে দিতেই হয়ত বাবুল তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে মিথ্যা ঠিকানা দিয়েছেন বলে ধারণা পিবিআইয়ের।

পিবিআইকে মিথ্যা ঠিকানা কেন দিলেন বাবুল আকতার?

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৪ মে ২০২১, ১১:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারের স্ত্রী মিতু হত্যাকাণ্ডের ৫ বছর পর চাঞ্চল্যকর সব তথ্য বেরিয়ে আসছে।

এক কথায় পুরো মামলাই উল্টো গেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে উঠে আসা চূড়ান্ত রিপোর্টে।

মামলার প্রথম বাদী বাবুল আকতারই এখন প্রধান আসামি। আছেন রিমান্ডে। মামলার দ্বিতীয় আসামি বাবুলের সোর্স মুছাকে খুঁজছে পুলিশ। অথচ পাঁচ বছর আগে মুছাকে নাকি মামলার তদন্ত স্বার্থে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।

মুছার স্ত্রী পান্নার দাবি, তার স্বামীকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, মুছা পলাতক রয়েছেন।

এমন সব তালগোল পাকানো রহস্যের মধ্যে আরো একটি নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সেটি হলো - গ্রেফতার বাবুল আকাতার পুলিশকে তার বাসার ভুল ঠিকানা দিয়েছেন। নিহত মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় যে মামলা করেছেন, সেখানে বাবুল আকতারের ঢাকার ঠিকানা ভুলভাবে লেখা হয়েছে।

শুক্রবার মামলা তদন্তের দায়িত্বে থাকা পিবিআইয়ের উপমহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন জানান, এ ঠিকানা বাবুল থেকে তিনি  নিজে নেননি। বাবুল আকতার পিবিআইকে যে ঠিকানা দিয়েছেন, তার ভিত্তিতেই মামলায় ওই ঠিকানা লিখেছেন তিনি।

এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, বাবুল আকতারের বাসার ঠিকানা লেভেল-৭, সড়ক নম্বর ১১, বাসা নম্বর ২২, ব্লক সি, বাবর রোড। কিন্তু মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে এই হোল্ডিং নম্বরের বাসার অস্তিত্বই পায়নি পুলিশ। 

বাবুল কেন পিবিআইকে মিথ্যা ঠিকানা দিলেন - এ প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ধারণা, দুই সন্তানকে এসব ঝামেলা থেকে নিরাপদ রাখতে বাবুল এমনটা করে থাকতে পারেন।

সূত্র জানায়, পিবিআইয়ের জেরায় বাবুল তার সঠিক ঠিকানা দিয়েছেন। যদিও প্রথমে ঠিকানা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন বাবুল।

পরে ঠিকানা নিয়ে বাবুলের গাড়িচালকের সহায়তায় সেখানে গিয়ে তারা ফ্ল্যাটটি তালাবদ্ধ দেখতে পান।

গত সোমবার চট্টগ্রাম যাওয়ার পর বাবুলের পরিবারও চলে গেছেন বলে জানান ওই ভবনের নিরাপত্তারক্ষী মো. রিপন।

মিতু হত্যকাণ্ডের কয়েক বছর পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন বাবুল। মিতুর ঘরের দুই সন্তানকে সেই স্ত্রীর কাছেই রেখেছেন তিনি।

এদিকে বাবুলের শ্বশুর-শাশুড়ি মিতুর দুই সন্তানকে নিজেদের জিম্মায় নিতে চান। সেটি না হতে দিতেই হয়ত বাবুল তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে মিথ্যা ঠিকানা দিয়েছেন বলে ধারণা পিবিআইয়ের।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন