স্বেচ্ছায় কারাবরণ করতে চান অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা
jugantor
স্বেচ্ছায় কারাবরণ করতে চান অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ মে ২০২১, ২০:১৭:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

স্বেচ্ছায় কারাবরণ করতে চান অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলা ও নিপীড়নের প্রতিবাদে বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা স্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে শাহবাগ থানায় অবস্থান নিয়েছেন। মঙ্গলবার বিকালে শাহবাগ থানায় যান তারা।

কারাবরণের আবেদন নিয়ে হাজির হওয়া সাংবাদিকেরা হলেন- বদরুদ্দোজা বাবু, পারভেজ রেজা, মিলটন আনোয়ার, মহিম মিজান, মুনজুরুল করিম, অপূর্ব আলাউদ্দীন, আবদুল্লাহ আল ইমরান, আব্দুল্লাহ তুহিন, খান মুহাম্মদ রুমেল, নয়ন আদিত্য, মুক্তাদির রশীদ রোমিও, কাওসার সোহেলী, এস এম নূরুজ্জামান, শাহনাজ শারমিন।

প্রসঙ্গত, সোমবার (১৭ মে) দুপুরের পর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঞার কক্ষে রোজিনাকে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের একজন উপসচিব তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেখানে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় চুরি এবং ১৯২৩ সালের ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের’ ৩ ও ৫ ধারায় গুপ্তচরবৃত্তি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজের দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয় এই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে।

এজাহারে বলা হয়েছে— রোজিনা যেসব নথির ‘ছবি তুলেছেন’, তার মধ্যে ‘টিকা আমদানি’ সংক্রান্ত কাগজপত্রও ছিল। পরে মঙ্গলবার সকালে রোজিনা ইসলামকে আদালতে হাজির করে তাকে পাঁচদিনের রিমান্ড নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ।

শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন একইসঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার তার জামিন শুনানির দিন ঠিক করে দেন। এরপর তাকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়।


স্বেচ্ছায় কারাবরণ করতে চান অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ মে ২০২১, ০৮:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
স্বেচ্ছায় কারাবরণ করতে চান অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা
ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলা ও নিপীড়নের প্রতিবাদে বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা স্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে শাহবাগ থানায় অবস্থান নিয়েছেন। মঙ্গলবার বিকালে শাহবাগ থানায় যান তারা।

কারাবরণের আবেদন নিয়ে হাজির হওয়া সাংবাদিকেরা হলেন- বদরুদ্দোজা বাবু, পারভেজ রেজা, মিলটন আনোয়ার, মহিম মিজান, মুনজুরুল করিম, অপূর্ব আলাউদ্দীন, আবদুল্লাহ আল ইমরান, আব্দুল্লাহ তুহিন, খান মুহাম্মদ রুমেল, নয়ন আদিত্য, মুক্তাদির রশীদ রোমিও, কাওসার সোহেলী, এস এম নূরুজ্জামান, শাহনাজ শারমিন।

প্রসঙ্গত, সোমবার (১৭ মে) দুপুরের পর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঞার কক্ষে রোজিনাকে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। 

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের একজন উপসচিব তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেখানে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় চুরি এবং ১৯২৩ সালের ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের’ ৩ ও ৫ ধারায় গুপ্তচরবৃত্তি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজের দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয় এই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে।

এজাহারে বলা হয়েছে— রোজিনা যেসব নথির ‘ছবি তুলেছেন’, তার মধ্যে ‘টিকা আমদানি’ সংক্রান্ত কাগজপত্রও ছিল। পরে মঙ্গলবার সকালে রোজিনা ইসলামকে আদালতে হাজির করে তাকে পাঁচদিনের রিমান্ড নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ।  

শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন একইসঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার তার জামিন শুনানির দিন ঠিক করে দেন। এরপর তাকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়।


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন