জেল থেকে বেরিয়ে যা বললেন সাংবাদিক রোজিনা 
jugantor
জেল থেকে বেরিয়ে যা বললেন সাংবাদিক রোজিনা 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ মে ২০২১, ১১:১৫:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সরকারি ‘গোপন নথি’ সরানোর মামলায় জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম।

রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকা এবং পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তে তিনি জামিন পান।

এরপর জামিনের কাগজ কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছালে সেখান থেকে তিনি বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে মুক্ত হন।

কারাগার বেরিয়ে যাওয়ার সময় অপেক্ষমান সাংবাদিকদের উদ্দেশে রোজিনা ইসলাম বলেন, আমি অবশ্যই সাংবাদিকতা করব। এ সময় রোজিনা ইসলামকে বিধ্বস্ত ও অসুস্থ অবস্থায় দেখা গেছে।

পরে সন্ধ্যার দিকে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

গত সোমবার পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে হেনস্তা ও নির্যাতন করা হয়। রাত সাড়ে আটটার দিকে তাকে শাহবাগ থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রাত পৌনে ১২টার দিকে রোজিনার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় দণ্ডবিধি ও অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করা হয়।

ঘটনার দিনই মন্ত্রণালয়ে রোজিনা ইসলাম অসুস্থ হয়ে পড়েন। শুরু থেকেই পরিবার তার অসুস্থতা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল।

শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার রোজিনা ইসলামকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। পুলিশ তাকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে।

শুনানি নিয়ে আদালত রিমান্ডের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আর জামিন আবেদনের ওপর অধিকতর শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন রাখেন। এই আদেশের পর রোজিনা ইসলামকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আবেদনের জন্য রোববার দিন ধার্য রেখেছিলেন আদালত। এদিন আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

জেল থেকে বেরিয়ে যা বললেন সাংবাদিক রোজিনা 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ মে ২০২১, ১১:১৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সরকারি ‘গোপন নথি’ সরানোর মামলায় জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম।  

রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।  পাঁচ হাজার  টাকা মুচলেকা এবং পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তে তিনি জামিন পান। 

এরপর জামিনের কাগজ কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছালে সেখান থেকে তিনি বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে মুক্ত হন। 

কারাগার বেরিয়ে যাওয়ার সময় অপেক্ষমান সাংবাদিকদের উদ্দেশে রোজিনা ইসলাম বলেন, আমি অবশ্যই সাংবাদিকতা করব। এ সময় রোজিনা ইসলামকে বিধ্বস্ত ও অসুস্থ অবস্থায় দেখা গেছে।

পরে সন্ধ্যার দিকে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।  

গত সোমবার পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে হেনস্তা ও নির্যাতন করা হয়। রাত সাড়ে আটটার দিকে তাকে শাহবাগ থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

রাত পৌনে ১২টার দিকে রোজিনার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় দণ্ডবিধি ও অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করা হয়।

ঘটনার দিনই মন্ত্রণালয়ে রোজিনা ইসলাম অসুস্থ হয়ে পড়েন। শুরু থেকেই পরিবার তার অসুস্থতা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল।

শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার রোজিনা ইসলামকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। পুলিশ তাকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। 

শুনানি নিয়ে আদালত রিমান্ডের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আর জামিন আবেদনের ওপর অধিকতর শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন রাখেন। এই আদেশের পর রোজিনা ইসলামকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে পাঠানো হয়। 

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আবেদনের জন্য রোববার দিন ধার্য রেখেছিলেন আদালত। এদিন আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর