বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী আর নেই
jugantor
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী আর নেই

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ মে ২০২১, ০১:২২:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

হাবীবুল্লাহ সিরাজী আর নেই

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী আর নেই।

সোমবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

তার মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির সচিব এ এইচ এম লোকমান।

গত ফেব্রুয়ারিতে অসুস্থ হয়ে হাবীবুল্লাহ সিরাজী হাসপাতালে ভর্তি হলে তার হার্টে রিং পরানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে কোলন ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি। পেটে ব্যথা হলে গত ২৫ এপ্রিল তাকে শ্যামলীর এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এতদিন সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

কবির পরিবার জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে হাবীবুল্লাহ সিরাজীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। শ্রদ্ধার জন্য তার মরদেহ সেখানে রাখা হবে। এরপর আজিমপুর কবরস্থানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।

২০১৮ সাল থেকে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

বহু কাব্যগন্থ ও উপন্যাসের রচয়িতা হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

তার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘দাও বৃক্ষ দাও দিন’, ‘মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি’, ‘হাওয়া কলে জোড়াগাড়ি’, ‘নোনা জলে বুনো সংসার’, ‘স্বপ্নহীনতার পক্ষে’, ‘আমার একজনই বন্ধু’, ‘পোশাক বদলের পালা’, ‘প্রেমের কবিতা’, ‘কৃষ্ণ কৃপাণ ও অন্যান্য কবিতা’, ‘সিংহদরজা’, ‘বেদনার চল্লিশ আঙুল’, ‘ম্লান, ম্রিয়মাণ নয়’, ‘বিপ্লব বসত করে ঘরে’, ‘ছিন্নভিন্ন অপরাহ্ণ’, ‘জয় বাংলা বলো রে ভাই’, ‘সারিবদ্ধ জ্যোৎস্না’, ‘সুগন্ধ ময়ূর লো’, ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘মুখোমুখি: তুচ্ছ’, ‘স্বনির্বাচিত প্রেমের কবিতা’, ‘হ্রী’, ‘কতো আছে জলছত্র’, ‘কতোদূর চেরাপুঞ্জি’, ‘কাদামাখা পা’, ‘ভুলের কোনো শুদ্ধ বানান নেই’, ‘একা ও করুণা’, ‘যমজ প্রণালী’, ‘আমার জ্যামিতি’, ‘পশ্চিমের গুপ্তচর’ ও ‘কবিতাসমগ্র’।

তার উপন্যাসগুলো হচেছ - ‘কৃষ্ণপক্ষে অগ্নিকাণ্ড’, ‘পরাজয়’, অনুবাদ ‘মৌলানার মন: রুমীর কবিতা’, আত্মজৈবনিক গ্রন্থ ‘আমার কুমার’, গদ্যগ্রন্থ ‘দ্বিতীয় পাঠ’, ‘মিশ্রমিল’, ‘গদ্যের গন্ধগোকুল’, শিশুসাহিত্য ‘ইল্লিবিল্লি’, ‘নাইপাই’, ‘রাজা হটপট’, ‘ফুঁ’, ‘ফুড়ুত্’, ‘মেঘভ্রমণ’, ‘ছয় লাইনের ভূত’ ও ‘ছড়াপদ্য’।

হাবীবুল্লাহ সিরাজী ১৯৯১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ২০০৭ সালে বিষ্ণু দে পুরস্কার, ২০১০ সালে রূপসী বাংলা পুরস্কার এবং কবিতালাপ সাহিত্য পুরস্কার, ২০১৬ সালে একুশে পদকসহ দেশি-বিদেশি নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী আর নেই

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ মে ২০২১, ০১:২২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হাবীবুল্লাহ সিরাজী আর নেই
হাবীবুল্লাহ সিরাজী

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী আর নেই।

সোমবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

তার মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির সচিব এ এইচ এম লোকমান।

গত ফেব্রুয়ারিতে অসুস্থ হয়ে হাবীবুল্লাহ সিরাজী হাসপাতালে ভর্তি হলে তার হার্টে রিং পরানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে কোলন ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি। পেটে ব্যথা হলে গত ২৫ এপ্রিল তাকে শ্যামলীর এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এতদিন সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

কবির পরিবার জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে হাবীবুল্লাহ সিরাজীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। শ্রদ্ধার জন্য তার মরদেহ সেখানে রাখা হবে। এরপর আজিমপুর কবরস্থানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে। 

২০১৮ সাল থেকে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

বহু কাব্যগন্থ ও উপন্যাসের রচয়িতা হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

তার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘দাও বৃক্ষ দাও দিন’, ‘মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি’, ‘হাওয়া কলে জোড়াগাড়ি’, ‘নোনা জলে বুনো সংসার’, ‘স্বপ্নহীনতার পক্ষে’, ‘আমার একজনই বন্ধু’, ‘পোশাক বদলের পালা’, ‘প্রেমের কবিতা’, ‘কৃষ্ণ কৃপাণ ও অন্যান্য কবিতা’, ‘সিংহদরজা’, ‘বেদনার চল্লিশ আঙুল’, ‘ম্লান, ম্রিয়মাণ নয়’, ‘বিপ্লব বসত করে ঘরে’, ‘ছিন্নভিন্ন অপরাহ্ণ’, ‘জয় বাংলা বলো রে ভাই’, ‘সারিবদ্ধ জ্যোৎস্না’, ‘সুগন্ধ ময়ূর লো’, ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘মুখোমুখি: তুচ্ছ’, ‘স্বনির্বাচিত প্রেমের কবিতা’, ‘হ্রী’, ‘কতো আছে জলছত্র’, ‘কতোদূর চেরাপুঞ্জি’, ‘কাদামাখা পা’, ‘ভুলের কোনো শুদ্ধ বানান নেই’, ‘একা ও করুণা’, ‘যমজ প্রণালী’, ‘আমার জ্যামিতি’, ‘পশ্চিমের গুপ্তচর’ ও ‘কবিতাসমগ্র’।

তার উপন্যাসগুলো হচেছ -  ‘কৃষ্ণপক্ষে অগ্নিকাণ্ড’, ‘পরাজয়’, অনুবাদ ‘মৌলানার মন: রুমীর কবিতা’, আত্মজৈবনিক গ্রন্থ ‘আমার কুমার’, গদ্যগ্রন্থ ‘দ্বিতীয় পাঠ’, ‘মিশ্রমিল’, ‘গদ্যের গন্ধগোকুল’, শিশুসাহিত্য ‘ইল্লিবিল্লি’, ‘নাইপাই’, ‘রাজা হটপট’, ‘ফুঁ’, ‘ফুড়ুত্’, ‘মেঘভ্রমণ’, ‘ছয় লাইনের ভূত’ ও ‘ছড়াপদ্য’।

হাবীবুল্লাহ সিরাজী ১৯৯১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ২০০৭ সালে বিষ্ণু দে পুরস্কার, ২০১০ সালে রূপসী বাংলা পুরস্কার এবং কবিতালাপ সাহিত্য পুরস্কার, ২০১৬ সালে একুশে পদকসহ দেশি-বিদেশি নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর