শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশিদের চাহিদা কেন বেশি, জানালেন প্রধানমন্ত্রী 
jugantor
শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশিদের চাহিদা কেন বেশি, জানালেন প্রধানমন্ত্রী 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৯ মে ২০২১, ১৩:২০:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মানবিক বৈশিষ্ট্যের জন্যই শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশিদের চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে শনিবার সশস্ত্র বাহিনীর এক অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা জানান।

জাতিসংঘের বিভিন্ন মিশনে দায়িত্বরত বাংলাদেশিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তি মিশনের সুনির্দিষ্ট কর্মসূচির বাইরেও আপনাদের মানবিক দিকগুলোও ফুটে উঠছে। এজন্য আমি গর্ববোধ করি। এই মানবিক দিকের জন্যই শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশিদের চাহিদা বেশি।

তিনি আরও বলেন, বাঙালিরা যেখানেই যাচ্ছেন, একদিকে যেমন শান্তি রক্ষায় প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা সেখানকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক গড়ে তুলছেন। দরদী মন নিয়ে পাশে দাঁড়াচ্ছেন। এটা মনে হয় বাঙালি হিসেবে আমাদের বৈশিষ্ট্য, পরকে আপন করে নেওয়া।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মিশন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত থাকা বাংলাদেশি সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় তিনি বলেন, আমি শুধু প্রধানমন্ত্রী নই, জাতির পিতার মেয়ে। তাই আমার ওপর আপনাদের অধিকার আছে। তাই যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যেমন নিজের দেশকে ভালোবাসি তেমনই যেখানেই নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষ আছে তাদের সঙ্গে আছি।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে দায়িত্ব পালনের সময় নিহত ১২ জন সদস্যের পরিবার ও আহত ১৩ সদস্যকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ক্রেস্ট প্রদান করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশিদের চাহিদা কেন বেশি, জানালেন প্রধানমন্ত্রী 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৯ মে ২০২১, ০১:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মানবিক বৈশিষ্ট্যের জন্যই শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশিদের চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে শনিবার সশস্ত্র বাহিনীর এক অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা জানান। 

জাতিসংঘের বিভিন্ন মিশনে দায়িত্বরত বাংলাদেশিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তি মিশনের সুনির্দিষ্ট কর্মসূচির বাইরেও আপনাদের মানবিক দিকগুলোও ফুটে উঠছে। এজন্য আমি গর্ববোধ করি। এই মানবিক দিকের জন্যই শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশিদের চাহিদা বেশি।

তিনি আরও বলেন, বাঙালিরা যেখানেই যাচ্ছেন, একদিকে যেমন শান্তি রক্ষায় প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা সেখানকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক গড়ে তুলছেন। দরদী মন নিয়ে পাশে দাঁড়াচ্ছেন। এটা মনে হয় বাঙালি হিসেবে আমাদের বৈশিষ্ট্য, পরকে আপন করে নেওয়া।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মিশন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত থাকা বাংলাদেশি সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় তিনি বলেন, আমি শুধু প্রধানমন্ত্রী নই, জাতির পিতার মেয়ে। তাই আমার ওপর আপনাদের অধিকার আছে। তাই যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন। 

শেখ হাসিনা বলেন,  আমরা যেমন নিজের দেশকে ভালোবাসি তেমনই যেখানেই নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষ আছে তাদের সঙ্গে আছি।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে দায়িত্ব পালনের সময় নিহত ১২ জন সদস্যের পরিবার ও আহত ১৩ সদস্যকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ক্রেস্ট প্রদান করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন