জবানবন্দির পরদিন জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মুছার স্ত্রীর জিডি
jugantor
মিতু হত্যা
জবানবন্দির পরদিন জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মুছার স্ত্রীর জিডি

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০১ জুন ২০২১, ১৫:১০:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামে আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় ‘পলাতক’ আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার মুছার স্ত্রী পান্না আক্তা আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন সোমবার। পরদিনই জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামে রাঙ্গুনিয়ার থানায় এ জিডি করেন তিনি। থানার ওসি মাহবুব মিলকি বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

জিডিতে মুছার স্ত্রী পান্না দাবি করেন, তিনি বহুদিন ধরে হুমকি পেয়ে আসছেন। জবানবন্দি দেওয়ার পরও তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসাইন মোহাম্মদ রেজার আদালতে জবানবন্দি দেন পান্না।

মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারের সোর্স হিসেবে পরিচিত ছিলেন মুছা। তিনিও মামলার আসামি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা গণমাধ্যমকে বলেন, পান্না আক্তার সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে তার স্বামী মুছার সম্পৃক্তার বিষয়ে বলেছেন। তবে জবানবন্দিতে কী বলেছেন তা জানাতে পারেননি।

এর আগে আদালতে তিন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। তখন তারা বাবুল আক্তারের নির্দেশে মুছাকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম (মিতু)। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এক পর্যায়ে তদন্তে বাদী বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার (১১ মে) ডেকে তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পরে ১২ মে বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। স্ত্রী মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল আক্তারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। রিমান্ড শেষে প্রথমে আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও পরে জবানবন্দি দেননি বাবুল। তারপর তাকে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি ফেনী কারাগারে রয়েছেন।

মিতু হত্যা

জবানবন্দির পরদিন জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মুছার স্ত্রীর জিডি

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০১ জুন ২০২১, ০৩:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামে আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় ‘পলাতক’ আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার মুছার স্ত্রী পান্না আক্তা আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন সোমবার।  পরদিনই জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামে রাঙ্গুনিয়ার থানায় এ জিডি করেন তিনি।  থানার ওসি মাহবুব মিলকি বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

জিডিতে মুছার স্ত্রী পান্না দাবি করেন, তিনি বহুদিন ধরে হুমকি পেয়ে আসছেন।  জবানবন্দি দেওয়ার পরও তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসাইন মোহাম্মদ রেজার আদালতে জবানবন্দি দেন পান্না।

মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারের সোর্স হিসেবে পরিচিত ছিলেন মুছা।  তিনিও মামলার আসামি। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা গণমাধ্যমকে বলেন, পান্না আক্তার সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে তার স্বামী মুছার সম্পৃক্তার বিষয়ে বলেছেন। তবে জবানবন্দিতে কী বলেছেন তা জানাতে পারেননি। 

এর আগে আদালতে তিন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন।  তখন তারা বাবুল আক্তারের নির্দেশে মুছাকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম (মিতু)। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এক পর্যায়ে তদন্তে বাদী বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার (১১ মে) ডেকে তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

পরে ১২ মে বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। স্ত্রী মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল আক্তারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। রিমান্ড শেষে প্রথমে আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও পরে জবানবন্দি দেননি বাবুল। তারপর তাকে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি ফেনী কারাগারে রয়েছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মিতু হত্যার নতুন মোড়