একজনের ভোট আরেকজন দেওয়া সম্ভব না: সিইসি
jugantor
একজনের ভোট আরেকজন দেওয়া সম্ভব না: সিইসি

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

১৬ জুন ২০২১, ১৮:১৭:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

একজনের ভোট আরেকজনে দিয়ে দেবে, এটা সম্ভব না বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।

বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা চরম অবস্থায় আছে। যদি সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো পরিবেশ না থাকে, প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে নির্দেশ রয়েছে, নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হবে। কোন ত্রুটিযুক্ত নির্বাচনে আমরা যাব না। যদি কোনো ত্রুটি থাকে তাহলে নির্বাচন কর্মকর্তার নির্দেশে ইউনিয়ন ও পৌরসভা নির্বাচন বন্ধ হয়ে যাবে। কোনো দুর্বৃত্তকে নির্বাচন বানচাল ও বিতর্কিত করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে ভালো হতো। কেন করেনি তা তো আমি বলতে পারব না। নির্বাচন কমিশনের কাজ হলো ম্যানেজমেন্ট করা। এখানে প্রার্থী কারা দেবে, কোন কোন রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে, এটা তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এতে আমরা কিছু করতে পারি না।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, বুথের মধ্যে অন্য লোক গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, এটাতো সম্ভব না। এগুলো কখনো এলাউ করা হয় না। ইভিএমে ভোটের ক্ষেত্রে প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারদের ওপর আস্থা রাখতে হবে। তাদের ওপর অনাস্থা রাখলে চলবে না। তাদের বিশ্বাস করতে হবে। একজনের ভোট আরেকজনে দিয়ে দেবে- এটা সম্ভব না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইডিইএ প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের, যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহমেদ খান, জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ, জেলা পুলিশ সুপার ড. এএইএম কামরুজ্জামান, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার প্রমুখ।

একজনের ভোট আরেকজন দেওয়া সম্ভব না: সিইসি

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
১৬ জুন ২০২১, ০৬:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

একজনের ভোট আরেকজনে দিয়ে দেবে, এটা সম্ভব না বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।

বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

সিইসি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা চরম অবস্থায় আছে। যদি সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো পরিবেশ না থাকে, প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে নির্দেশ রয়েছে, নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হবে। কোন ত্রুটিযুক্ত নির্বাচনে আমরা যাব না। যদি কোনো ত্রুটি থাকে তাহলে নির্বাচন কর্মকর্তার নির্দেশে ইউনিয়ন ও পৌরসভা নির্বাচন বন্ধ হয়ে যাবে। কোনো দুর্বৃত্তকে নির্বাচন বানচাল ও বিতর্কিত করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে ভালো হতো। কেন করেনি তা তো আমি বলতে পারব না। নির্বাচন কমিশনের কাজ হলো ম্যানেজমেন্ট করা। এখানে প্রার্থী কারা দেবে, কোন কোন রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে, এটা তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এতে আমরা কিছু করতে পারি না। 

নির্বাচন কমিশনার বলেন, বুথের মধ্যে অন্য লোক গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, এটাতো সম্ভব না। এগুলো কখনো এলাউ করা হয় না। ইভিএমে ভোটের ক্ষেত্রে প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারদের ওপর আস্থা রাখতে হবে। তাদের ওপর অনাস্থা রাখলে চলবে না। তাদের বিশ্বাস করতে হবে। একজনের ভোট আরেকজনে দিয়ে দেবে- এটা সম্ভব না। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইডিইএ প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের, যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহমেদ খান, জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ, জেলা পুলিশ সুপার ড. এএইএম কামরুজ্জামান, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর