মিয়ানমার নিয়ে জাতিসংঘের প্রস্তাবে নেই রোহিঙ্গা ইস্যু, হতাশ বাংলাদেশ
jugantor
মিয়ানমার নিয়ে জাতিসংঘের প্রস্তাবে নেই রোহিঙ্গা ইস্যু, হতাশ বাংলাদেশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ জুন ২০২১, ০৪:৩০:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

মিয়ানমারে ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখলে নেয় সেনাবাহিনী। এরপর দেশটিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভে সামরিক বাহিনী প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার করলে অসংখ্য মানুষ নিহত হন। গ্রেফতারও করা হয় অগুনতি বিক্ষোভকারীকে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জনগণের ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার ও সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে।তবে এ প্রস্তাবে রোহিঙ্গা সঙ্কট এবং এ সমস্যার সমাধান নিয়ে কোনো সুপারিশ না থাকায় হতাশ হয়েছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়, প্রস্তাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো পদক্ষেপের সুপারিশ না থাকায় বাংলাদেশ অসন্তোষের কথা জানিয়েছে।

প্রস্তাবে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

তা ছাড়া বলা হয়নি রোহিঙ্গাদের নিরাপদে, স্থায়ীভাবে ও মর্যাদার সঙ্গে স্বভূমিতে ফেরত যাওয়ার জন্য রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও।

শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রস্তাবটি পাস হয়। প্রস্তাবের পক্ষে ১১৯টি ভোট পড়ে, বিপক্ষে ভোট দেয় শুধু বেলারুশ।

বাংলাদেশ, ভারত, চীন, নেপাল, ভুটান, লাওস, থাইল্যান্ড, রাশিয়াসহ ৩৬টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।

প্রস্তাবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রতি জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং মানবাধিকারের প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত এ প্রস্তাব মিয়ানমার প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়া।

মিয়ানমার নিয়ে জাতিসংঘের প্রস্তাবে নেই রোহিঙ্গা ইস্যু, হতাশ বাংলাদেশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ জুন ২০২১, ০৪:৩০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মিয়ানমারে ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখলে নেয় সেনাবাহিনী। এরপর দেশটিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভে সামরিক বাহিনী প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার করলে অসংখ্য মানুষ নিহত হন। গ্রেফতারও করা হয় অগুনতি বিক্ষোভকারীকে।  এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জনগণের ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার ও সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। তবে এ প্রস্তাবে রোহিঙ্গা সঙ্কট এবং এ সমস্যার সমাধান নিয়ে কোনো সুপারিশ না থাকায় হতাশ হয়েছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়, প্রস্তাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো পদক্ষেপের সুপারিশ না থাকায় বাংলাদেশ অসন্তোষের কথা জানিয়েছে।

প্রস্তাবে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। 

তা ছাড়া বলা হয়নি রোহিঙ্গাদের নিরাপদে, স্থায়ীভাবে ও মর্যাদার সঙ্গে স্বভূমিতে ফেরত যাওয়ার জন্য রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও। 

শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রস্তাবটি পাস হয়।  প্রস্তাবের পক্ষে ১১৯টি ভোট পড়ে, বিপক্ষে ভোট দেয় শুধু বেলারুশ।  

বাংলাদেশ, ভারত, চীন, নেপাল, ভুটান, লাওস, থাইল্যান্ড, রাশিয়াসহ ৩৬টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।

প্রস্তাবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রতি জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং মানবাধিকারের প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। 

তবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত এ প্রস্তাব মিয়ানমার প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়া। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন