ক্যাসিনোকাণ্ডে ১৫০ জনের তালিকা ধরে অনুসন্ধান ও তদন্ত চলছে
jugantor
যুগান্তরকে দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক
ক্যাসিনোকাণ্ডে ১৫০ জনের তালিকা ধরে অনুসন্ধান ও তদন্ত চলছে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ জুন ২০২১, ১৮:২৫:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

যুগান্তরকে দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত অন্তত ১৫০ জনের তালিকা দরে কাজ করছে কমিশন। এই তালিকার অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অনেকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আছে। অনুসন্ধান এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে, আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বুধবার যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পুনর্গঠিত কমিশনের কার্যক্রমের বিষয়ে ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, দুদকের কাজ চলমান প্রক্রিয়া। আমার অতীত অভিজ্ঞতা, যেখানে যেখানে আমি আটকে গিয়েছিলাম, থমকে গিয়েছিলাম, যেখানে আমার বাধা মনে হয়েছিল- সে কাজগুলো আমরা বাধাহীন করতে চাই। যেখানে আমরা সুফল পেয়েছিলাম সেখানে আরও উত্তোরন ঘটাতে চাই। মানুষের প্রত্যাশা যেন অটুট থাকে এবং ক্রমান্বয়ে বাড়ে সে কাজ করতে চাই। মুখে যা বলি কাজে যেন সেটা করি। কারো সাথে যেন হিপোক্রেসি না করি। নিজে ঘুষ খেয়ে আরেক জনকে ঘুষ খাওয়ার জন্য শাস্তি দেবো- এরকম ডাবল-ট্রিপল চরিত্রের যেনো না হয়ে যাই।

তিনি বলেন, এগুলো হলো আমার ব্যক্তিগত মত। আমি যা বলি সেটা যেন অন্তর থেকে উৎসাহিত হয়ে বলি। সেটা যেনো মোটিভেটেড না হয়। মেলাফাইড ইনটেনশন না হয়, লোকদেখানো না হয়। আত্মস্বার্থ সিদ্ধির অপকৌশল না হয়। সত্যিকার অর্থে একজন এ দেশের নাগরিক হিসেবে, একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে সব জায়গায় যেন তার একটা মিল থাকে। একটা সামঞ্জস্য থাকে। আমরা ফেরেশতা নই। আমরা মানুষ। আমাদেরও ভুল হতে পারে। কিন্তু সেটা যেন এমন না হয়- যে ইচ্ছাকৃত। যা বলি, সেটা যেন জুনিয়ররা পরে একা একা না হাসে।

তিনি আরও বলেন, অনেকে সামনে বলে না। কিন্তু পেছনেতো বলে। আমরা যেন পেছনের শব্দগুলো শুনতে পাই। তৃতীয় নয়ন যেন আমাদের কাজ করে। যেন আমারা বুঝতে পারি আমাদের নিয়ে মানুষ কী মূল্যায়ন করে। আমি যা বলেছি, আমার নৈতিক অবস্থান থেকে বলেছি। ব্যক্তিগত আমি এর প্রতিফলন ঘটাতে চাই। আমার অপর দুই সহকর্মীর চিন্তাও একই বলে আমি করি। তাদের চিন্তা আরো বেশি ভালো হতে পারে। যেহেতু তাদের আরো বেশি ব্রাইট চিন্তাধারা আছে। আমরা তিনজন ভালোভাবে কাজ করতে পারলে কমিশন উপকৃত হবে।

আমি মনে করি আমরা আগের চেয়ে ভালো করবো। এটা নিশ্চিত। আগের চেয়ে কমিশন ভালো করবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

সাক্ষাৎকালে যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি মিজান মালিকের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘মন খারাপের পোস্টার’ তার হাতে তুলে দেয়া হয়।

যুগান্তরকে দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক

ক্যাসিনোকাণ্ডে ১৫০ জনের তালিকা ধরে অনুসন্ধান ও তদন্ত চলছে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ জুন ২০২১, ০৬:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যুগান্তরকে দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক
দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক। ফাইল ছবি

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত অন্তত ১৫০ জনের তালিকা দরে কাজ করছে কমিশন। এই তালিকার অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অনেকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আছে। অনুসন্ধান এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে, আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বুধবার যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

পুনর্গঠিত কমিশনের কার্যক্রমের বিষয়ে ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, দুদকের কাজ চলমান প্রক্রিয়া। আমার অতীত অভিজ্ঞতা, যেখানে যেখানে আমি আটকে গিয়েছিলাম, থমকে গিয়েছিলাম, যেখানে আমার বাধা মনে হয়েছিল- সে কাজগুলো আমরা বাধাহীন করতে চাই। যেখানে আমরা সুফল পেয়েছিলাম সেখানে আরও উত্তোরন ঘটাতে চাই। মানুষের প্রত্যাশা যেন অটুট থাকে এবং ক্রমান্বয়ে বাড়ে সে কাজ করতে চাই। মুখে যা বলি কাজে যেন সেটা করি। কারো সাথে যেন হিপোক্রেসি না করি। নিজে ঘুষ খেয়ে আরেক জনকে ঘুষ খাওয়ার জন্য শাস্তি দেবো- এরকম ডাবল-ট্রিপল চরিত্রের যেনো না হয়ে যাই। 

তিনি বলেন, এগুলো হলো আমার ব্যক্তিগত মত। আমি যা বলি সেটা যেন অন্তর থেকে উৎসাহিত হয়ে বলি। সেটা যেনো মোটিভেটেড না হয়। মেলাফাইড ইনটেনশন না হয়, লোকদেখানো না হয়। আত্মস্বার্থ সিদ্ধির অপকৌশল না হয়। সত্যিকার অর্থে একজন এ দেশের নাগরিক হিসেবে, একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে সব জায়গায় যেন তার একটা মিল থাকে। একটা সামঞ্জস্য থাকে। আমরা ফেরেশতা নই। আমরা মানুষ। আমাদেরও ভুল হতে পারে। কিন্তু সেটা যেন এমন না হয়- যে ইচ্ছাকৃত।  যা বলি, সেটা যেন জুনিয়ররা পরে একা একা না হাসে। 

তিনি আরও বলেন, অনেকে সামনে বলে না। কিন্তু পেছনেতো বলে। আমরা যেন পেছনের শব্দগুলো শুনতে পাই। তৃতীয় নয়ন যেন আমাদের কাজ করে। যেন আমারা বুঝতে পারি আমাদের নিয়ে মানুষ কী মূল্যায়ন করে। আমি যা বলেছি, আমার নৈতিক অবস্থান থেকে বলেছি। ব্যক্তিগত আমি এর প্রতিফলন ঘটাতে চাই। আমার অপর দুই সহকর্মীর চিন্তাও একই বলে আমি করি। তাদের চিন্তা আরো বেশি ভালো হতে পারে। যেহেতু তাদের আরো বেশি ব্রাইট চিন্তাধারা আছে। আমরা তিনজন ভালোভাবে কাজ করতে পারলে কমিশন উপকৃত হবে।

আমি মনে করি আমরা আগের চেয়ে ভালো করবো। এটা নিশ্চিত। আগের চেয়ে কমিশন ভালো করবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

সাক্ষাৎকালে যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি মিজান মালিকের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘মন খারাপের পোস্টার’ তার হাতে তুলে দেয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন