ঢাকা ফেরার সময় পদে পদে ভোগান্তি (ভিডিও)
jugantor
ঢাকা ফেরার সময় পদে পদে ভোগান্তি (ভিডিও)

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২২ জুলাই ২০২১, ২২:৩১:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

যাত্রা

করোনা মহামারির মধ্যেই এবারো দেশজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদকে কেন্দ্র করে রোববার পর্যন্ত ঢাকা ছেড়েছেনপ্রায় ৮৩ লাখ মানুষ। ঈদের পরে আবার শুক্রবার ভোর ৬টা থেকেই শুরু হবে কঠোর লকডাউন। এ কারণে ঢাকায় ফেরার জন্য হাতে থাকছে শুধু বৃহস্পতিবার। ঢাকা ফিরতে চাইলে ঈদের পরে এ একদিনের মধ্যেই ফিরতে হবে বিপুলসংখ্যক মানুষের। আর এদিনে ঢাকা ফিরতে যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

এদিকে ঢাকা ফিরতে বাস-ট্রেন টিকিট কাটা ও পাওয়া নিয়ে সাধারণমানুষের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। এবারবেশিরভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করার কারণে বিভিন্ন বাস কাউন্টারে গিয়েও অনেকে ফিরছেন খালি হাতে। আর ট্রেনের টিকিট এবার সম্পূর্ণ অনলাইনে দেওয়া হলেও পাননিঅনেকেইটিকিট।

অনলাইনে টিকিট কাটা নিয়ে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে মো. মমিন নামে এক ঢাকাগামি যাত্রী জানান, অনলাইন কী সেটাই বুঝি না। আবার অনলাইনে টিকিট কাটবকিভাবে আমরা! আর বাস কাউন্টারে কোনো টিকিট পাইনি। তাই ট্রেনে উঠে টিটিকে টাকা দিয়ে ঢাকা যাবো।

এ ছাড়া রাজশাহী থেকে ঢাকা গামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনেরহেলাল উদ্দিন নামের এক যাত্রী বলেন, অনলাইনে টিকিট ছাড়ার দিন সকাল থেকেই চেষ্টা করেছি টিকিট কেনার। কোনোভাবেই ট্রেনের টিকিট কাটতে পারিনি। অথচ বাইরে দালালরা ঠিকই টিকিট বিক্রি করছে। আমার কাছে এক টিকিটের দাম চেয়েছে তিন হাজার ৫০০ টাকা। তাই টিকিট না কেটেই ট্রেনে উঠেছি খাবার গাড়ির লোকের সঙ্গে কনট্রাককরে।

এর বাইরে বাসের টিকিট কিছু পরিমাণে থাকলেও সেগুলো দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। এ বিষয়ে নাম প্রকাশেঅনিচ্ছুক একজন বলেন, ঢাকার বাসের কোনোটিকিট কাউন্টার থেকে দেয়া হচ্ছে না। তবে খোঁজ পেয়েছি তাদের কাছে টিকিট আছে আর সেগুলো বেশি দামে বিক্রি করছেন। পরে আমারপরিচিত এক ব্যক্তি আমাকে টিকিট ম্যনেজ করে দিয়েছেন।৫০০ টাকা বেশি নিয়েছে তারা এক টিকিটে। বাসের টিকিটের বিষয়ে রাজশাহীন্যাশনাল বাসেরকাউন্টারে কথা বলতে গেলে তারা কেউ কথা বলতে চাননি।

এদিকে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৩ জুলাই সকাল ৬টাথেকে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত শুরু হচ্ছে কঠোর বিধিনিষেধ।এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, বিধিনিষেধ শিথিলের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়ে চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এই ১৪ দিন যদি আমরা বিধিনিষেধ মেনে চলি, তাহলে সংক্রমণের চেইনটা ভাঙতে পারব।

এ ছাড়া ঈদুল আজহার পরদিনের মধ্যে ঢাকায় ফিরতে না পারলে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন।

ঢাকা ফেরার সময় পদে পদে ভোগান্তি (ভিডিও)

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২২ জুলাই ২০২১, ১০:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যাত্রা
ছবি: যুগান্তর

করোনা মহামারির মধ্যেই এবারো দেশজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদকে কেন্দ্র করে রোববার পর্যন্ত ঢাকা ছেড়েছেন প্রায় ৮৩ লাখ মানুষ। ঈদের পরে আবার শুক্রবার ভোর ৬টা থেকেই শুরু হবে কঠোর লকডাউন। এ কারণে ঢাকায় ফেরার জন্য হাতে থাকছে শুধু বৃহস্পতিবার। ঢাকা ফিরতে চাইলে ঈদের পরে এ একদিনের মধ্যেই ফিরতে হবে বিপুলসংখ্যক মানুষের। আর এদিনে ঢাকা ফিরতে যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

এদিকে ঢাকা ফিরতে বাস-ট্রেন টিকিট কাটা ও পাওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। এবার বেশিরভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করার কারণে বিভিন্ন বাস কাউন্টারে গিয়েও অনেকে ফিরছেন খালি হাতে। আর ট্রেনের টিকিট এবার সম্পূর্ণ অনলাইনে দেওয়া হলেও পাননি অনেকেই টিকিট।

অনলাইনে টিকিট কাটা নিয়ে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে মো. মমিন নামে এক ঢাকাগামি যাত্রী জানান, অনলাইন কী সেটাই বুঝি না। আবার অনলাইনে টিকিট কাটব কিভাবে আমরা! আর বাস কাউন্টারে কোনো টিকিট পাইনি। তাই ট্রেনে উঠে টিটিকে টাকা দিয়ে ঢাকা যাবো।

এ ছাড়া রাজশাহী থেকে ঢাকা গামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের হেলাল উদ্দিন নামের এক যাত্রী বলেন, অনলাইনে টিকিট ছাড়ার দিন সকাল থেকেই চেষ্টা করেছি টিকিট কেনার। কোনোভাবেই ট্রেনের টিকিট কাটতে পারিনি। অথচ বাইরে দালালরা ঠিকই টিকিট বিক্রি করছে। আমার কাছে এক টিকিটের দাম চেয়েছে তিন হাজার ৫০০ টাকা। তাই টিকিট না কেটেই ট্রেনে উঠেছি খাবার গাড়ির লোকের সঙ্গে কনট্রাক করে।

এর বাইরে বাসের টিকিট কিছু পরিমাণে থাকলেও সেগুলো দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, ঢাকার  বাসের কোনো টিকিট কাউন্টার থেকে দেয়া হচ্ছে না। তবে খোঁজ পেয়েছি তাদের কাছে টিকিট আছে আর সেগুলো বেশি দামে বিক্রি করছেন। পরে আমার পরিচিত এক ব্যক্তি আমাকে টিকিট ম্যনেজ করে দিয়েছেন।৫০০ টাকা বেশি নিয়েছে তারা এক টিকিটে। বাসের টিকিটের বিষয়ে রাজশাহী ন্যাশনাল বাসের কাউন্টারে কথা বলতে গেলে তারা কেউ কথা বলতে চাননি।

এদিকে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত শুরু হচ্ছে কঠোর বিধিনিষেধ।এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, বিধিনিষেধ শিথিলের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়ে চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এই ১৪ দিন যদি আমরা বিধিনিষেধ মেনে চলি, তাহলে সংক্রমণের চেইনটা ভাঙতে পারব।

এ ছাড়া ঈদুল আজহার পরদিনের মধ্যে ঢাকায় ফিরতে না পারলে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন