মুখ ও মুখোশের জহরত আর নেই
jugantor
মুখ ও মুখোশের জহরত আর নেই

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৩ জুলাই ২০২১, ১৬:০৯:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশের অভিনেত্রী জহরত আরা আর নেই।

গত ১৯ জুলাই লন্ডনের একটি কেয়ার হোমে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার পারিবারিক বন্ধু ফেরদৌস রহমান।

তিনি বলেন, ৮০ বছরের বেশি বয়সি জহরত আরা দীর্ঘদিন ধরে নানা স্বাস্থ্য জটিলতায় ভুগছিলেন।

পরিবারের বরাত দিয়ে ফেরদৌস রহমান বলেন, কেয়ার হোমে যাওয়ার আগে জহরত আরা থাকতেন নরউইচে, সেখানেই তাকে দাফন করা হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাবে তার পরিবার।

আবদুল জব্বার খান পরিচালিত ‘মুখ ও মুখোশ’ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ অগাস্ট। এর আগে এই ভূখণ্ডে বাংলা ভাষায় আর কোনো পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র হয়নি।

পূর্ব পাকিস্তানের তখনকার গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে এ সিনেমার উদ্বোধন করেছিলেন।

পুরান ঢাকার মেয়ে জহরতের ভাই মোসলেহউদ্দীন ছিলেন সঙ্গীত পরিচালক, ভাবি নাহিদ নিয়াজীও সংগীত শিল্পী।

বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশের পোস্টারচলচ্চিত্র গবেষক অনুপম হায়াত জানান, বেতারে নাটকের অভিজ্ঞতা আগে থেকেই ছিল জহরতের। একজন অ্যাথলেট হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। ভাষা আন্দোলনেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন।

জহরত আর পিয়ারী দুজনেই সিনেমার জন্য নির্বাচিত হলেন। কিন্তু পরিবারের আপত্তির মুখে তারা অভিনয় করতে পারবেন কিনা, সেই শঙ্কা ছিল।

১৯৫৪ সালে ৬ অগাস্ট শাহবাগ হোটেলে মুখ ও মুখোশ সিনেমার মহরত হয়। মহরতে বাবাকে নিয়ে গিয়েছিলেন জহরত আরা।

১৯৫৬ সালের অগাস্টে ‘মুখ ও মুখোশ’ মুক্তি পাওয়ার পর দেশজুড়ে হইচই পড়ে যায়। জহরত আরার অভিনয় দর্শকমহলে প্রশংসা পায়। তবে পরে আর কোনো চলচ্চিত্রে তাকে দেখা যায়নি।

জহরত বিয়ে করেন সরকারি কর্মকর্তা ডেভিড খালেদ পাওয়ারকে। চার দশকেরও বেশি সময় আগে তারা লন্ডনে বসবাস শুরু করেন।

মুখ ও মুখোশের জহরত আর নেই

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৩ জুলাই ২০২১, ০৪:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশের অভিনেত্রী জহরত আরা আর নেই।

গত ১৯ জুলাই  লন্ডনের একটি কেয়ার হোমে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার পারিবারিক বন্ধু ফেরদৌস রহমান।

তিনি বলেন, ৮০ বছরের বেশি বয়সি জহরত আরা দীর্ঘদিন ধরে নানা স্বাস্থ্য জটিলতায় ভুগছিলেন।

পরিবারের বরাত দিয়ে ফেরদৌস রহমান বলেন, কেয়ার হোমে যাওয়ার আগে জহরত আরা থাকতেন নরউইচে, সেখানেই তাকে দাফন করা হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাবে তার পরিবার। 

আবদুল জব্বার খান পরিচালিত ‘মুখ ও মুখোশ’ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ অগাস্ট। এর আগে এই ভূখণ্ডে বাংলা ভাষায় আর কোনো পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র হয়নি।

পূর্ব পাকিস্তানের তখনকার গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে এ সিনেমার উদ্বোধন করেছিলেন।

পুরান ঢাকার মেয়ে জহরতের ভাই মোসলেহউদ্দীন ছিলেন সঙ্গীত পরিচালক, ভাবি নাহিদ নিয়াজীও সংগীত শিল্পী। 

বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশের পোস্টারচলচ্চিত্র গবেষক অনুপম হায়াত জানান, বেতারে নাটকের অভিজ্ঞতা আগে থেকেই ছিল জহরতের। একজন অ্যাথলেট হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। ভাষা আন্দোলনেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন।

জহরত আর পিয়ারী দুজনেই সিনেমার জন্য নির্বাচিত হলেন। কিন্তু পরিবারের আপত্তির মুখে তারা অভিনয় করতে পারবেন কিনা, সেই শঙ্কা ছিল।

১৯৫৪ সালে ৬ অগাস্ট শাহবাগ হোটেলে মুখ ও মুখোশ সিনেমার মহরত হয়। মহরতে বাবাকে নিয়ে গিয়েছিলেন জহরত আরা।

১৯৫৬ সালের অগাস্টে ‘মুখ ও মুখোশ’ মুক্তি পাওয়ার পর দেশজুড়ে হইচই পড়ে যায়। জহরত আরার অভিনয় দর্শকমহলে প্রশংসা পায়। তবে পরে আর কোনো চলচ্চিত্রে তাকে দেখা যায়নি।

জহরত বিয়ে করেন সরকারি কর্মকর্তা ডেভিড খালেদ পাওয়ারকে। চার দশকেরও বেশি সময় আগে তারা লন্ডনে বসবাস শুরু করেন। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর