উপহারের ২৫০ মোবাইল ভেন্টিলেটর দেশে পৌঁছেছে
jugantor
উপহারের ২৫০ মোবাইল ভেন্টিলেটর দেশে পৌঁছেছে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ জুলাই ২০২১, ২০:২০:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ভেন্টিলেটর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দিতে ২৫০টি মোবাইল ভেন্টিলেটর মেশিন উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী একদল চিকিৎসক।

শনিবার রাত ৮টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভেন্টিলেটরগুলো এসে পৌঁছেছে।

শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ ভেন্টিলেটরগুলো উপস্থিত থেকে এগুলো গ্রহণের কথা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যেসব রোগীর সংক্রমণ খুবই মারাত্মক তাদের জীবনরক্ষায়পোর্টেবল ভেন্টিলেটর খুবই কার্যকর এক যন্ত্র। রোগীর ফুসফুস যদি কাজ না করে তাহলে রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের কাজটা পোর্টেবল ভেন্টিলেটর করে দেয়।

এর মাধ্যমে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে এবং পুরোপুরিভাবে সেরে উঠতে রোগী হাতে কিছুটা সময় পান। নানা ধরনের ভেন্টিলেশন যন্ত্র দিয়ে এই কাজটা করা হয়।

যখন রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা শুরু হয় এবং দেহে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়, তখন যান্ত্রিক ভেন্টিলেটর ব্যবহার করো হয়। এটি চাপ দিয়ে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় এবং দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ভেন্টিলেটরে একটি হিউমিডিফায়ারও থাকে। এর কাজ হলো রোগী দেহের তাপমাত্রার সাথে মিল রেখে বাতাস এবং জলীয় বাষ্প সরবরাহ করা।

উপহারের ২৫০ মোবাইল ভেন্টিলেটর দেশে পৌঁছেছে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ জুলাই ২০২১, ০৮:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভেন্টিলেটর
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দিতে ২৫০টি মোবাইল ভেন্টিলেটর মেশিন উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী একদল চিকিৎসক।

শনিবার রাত ৮টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভেন্টিলেটরগুলো এসে পৌঁছেছে। 

শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ ভেন্টিলেটরগুলো উপস্থিত থেকে এগুলো গ্রহণের কথা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যেসব রোগীর সংক্রমণ খুবই মারাত্মক তাদের জীবনরক্ষায়পোর্টেবল ভেন্টিলেটর খুবই কার্যকর এক যন্ত্র। রোগীর ফুসফুস যদি কাজ না করে তাহলে রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের কাজটা  পোর্টেবল ভেন্টিলেটর করে দেয়।

এর মাধ্যমে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে এবং পুরোপুরিভাবে সেরে উঠতে রোগী হাতে কিছুটা সময় পান। নানা ধরনের ভেন্টিলেশন যন্ত্র দিয়ে এই কাজটা করা হয়।

যখন রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা শুরু হয় এবং দেহে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়, তখন যান্ত্রিক ভেন্টিলেটর ব্যবহার করো হয়। এটি চাপ দিয়ে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় এবং দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ভেন্টিলেটরে একটি হিউমিডিফায়ারও থাকে। এর কাজ হলো রোগী দেহের তাপমাত্রার সাথে মিল রেখে বাতাস এবং জলীয় বাষ্প সরবরাহ করা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

১৭ অক্টোবর, ২০২১