কামরাঙ্গীর চরে ঘুমন্ত স্ত্রী-মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি
jugantor
কামরাঙ্গীর চরে ঘুমন্ত স্ত্রী-মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ জুলাই ২০২১, ২১:৪৭:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

আদালত

কামরাঙ্গীর চরে ঘুমন্ত স্ত্রী-মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন মোহন চন্দ্র দাস।

সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আসামি মোহনের জবানবন্দি রেকর্ডের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

গত শুক্রবার গভীর রাতে কামরাঙ্গীরচরের নয়াগাঁও এলাকার একটি বাসায় ঘুমের মধ্যে ফুলবাসী রানী দাস ও তাঁর মেয়ে সুমী রানী দাসকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ফুলবাসীর বোন বিশাখাবাসী রানী দাস বাদী হয়ে মোহন চন্দ্র দাসকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মোহনের মেয়ে ঝুমা রানী দাস ঢাকার আদালতে গতকাল ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

খুনের কারণ হিসেবে ওসি মোস্তাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আসামি মোহন ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং কাজ না থাকায় হতাশায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি আর্থিক টানাপোড়েনের জেরে স্ত্রী ফুলবাসীকে মারধরও করেছিলেন। কয়েক বছর আগে স্ত্রী ফুলবাসী নিজের কিছু স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে ৩০ হাজার টাকা মোহনের কাছে তুলে দেন। মোহন সেই টাকা ধার দেন তাঁর এক মামার কাছে। সেই মামা বিদেশে থাকেন। বেশ কিছুদিন ধরে মোহন কাজও পাচ্ছিলেন না। ঈদের আগেও একজনের কাছ থেকে এক হাজার টাকা ঋণ নেন।

কামরাঙ্গীর চরে ঘুমন্ত স্ত্রী-মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ জুলাই ২০২১, ০৯:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আদালত
ফাইল ছবি

কামরাঙ্গীর চরে ঘুমন্ত স্ত্রী-মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন মোহন চন্দ্র দাস।

সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আসামি মোহনের জবানবন্দি রেকর্ডের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। 

গত শুক্রবার গভীর রাতে কামরাঙ্গীরচরের নয়াগাঁও এলাকার একটি বাসায় ঘুমের মধ্যে ফুলবাসী রানী দাস ও তাঁর মেয়ে সুমী রানী দাসকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ফুলবাসীর বোন বিশাখাবাসী রানী দাস বাদী হয়ে মোহন চন্দ্র দাসকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মোহনের মেয়ে ঝুমা রানী দাস ঢাকার আদালতে গতকাল ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

খুনের কারণ হিসেবে ওসি মোস্তাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আসামি মোহন ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং কাজ না থাকায় হতাশায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি আর্থিক টানাপোড়েনের জেরে স্ত্রী ফুলবাসীকে মারধরও করেছিলেন। কয়েক বছর আগে স্ত্রী ফুলবাসী নিজের কিছু স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে ৩০ হাজার টাকা মোহনের কাছে তুলে দেন। মোহন সেই টাকা ধার দেন তাঁর এক মামার কাছে। সেই মামা বিদেশে থাকেন। বেশ কিছুদিন ধরে মোহন কাজও পাচ্ছিলেন না। ঈদের আগেও একজনের কাছ থেকে এক হাজার টাকা ঋণ নেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন