ভাইরাল হওয়া ফোনালাপ নিয়ে যা বললেন ভিকারুননিসা অধ্যক্ষ
jugantor
ভাইরাল হওয়া ফোনালাপ নিয়ে যা বললেন ভিকারুননিসা অধ্যক্ষ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ জুলাই ২০২১, ২২:১৭:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

অধ্যাপক কামরুন নাহার

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক কামরুন নাহারের সঙ্গে এক অভিভাবকের ফোনালাপের অডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ওই ফোনালাপের কথোপকথন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

দেশের স্বনামধন্য একটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ কীভাবে এত বাজে ও অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করতে পারেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কামরুন নাহার যুগান্তরকে বলেন, যোগদান করার পর থেকে অভিভাবক ফোরামের কয়েকজন অবৈধ সুবিধা দাবি করে আসছে। তাদের কথা না শুনলে আমি এখানে থাকতে পারবো না বলেও হুমকি দেওয়া হয়। সেই থেকে দুইবার আমার অফিস রুমে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। রুমে প্রবেশ করে টেবিল চাপড়ে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। আমার বাড়ির দরজা এবং অফিসের দরজা ধাক্কাধাক্কিকরা হয়েছ।

তিনি দাবি করেন, এ বছর প্রথম শ্রেণিতে প্রায় দেড়শ' সিট খালি আছে। মূলত সেগুলোতে অবৈধ ভর্তি বাণিজ্য করতে কয়েক অভিভাবক ও প্রতিনিধি আমাকে চাপ দিচ্ছেন। তাদের কথা না রাখায় আজকে তিনি বিপাকে। এমনকি পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ফোনালাপ বিকৃত ও এডিট করে আংশিক প্রকাশ করা হয়েছে। ফোনালাপে তাকে বাজে ভাষায় কথা বলা হয়েছে, যেটা প্রকাশ পায়নি।

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক কামরুন নাহার এর আগে রাজধানীরমিরপুরের রূপনগর দুয়ারীপাড়া কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর তাকে ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

ভাইরাল হওয়া ফোনালাপ নিয়ে যা বললেন ভিকারুননিসা অধ্যক্ষ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ জুলাই ২০২১, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
অধ্যাপক কামরুন নাহার
অধ্যাপক কামরুন নাহার। ফাইল ছবি

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক কামরুন নাহারের সঙ্গে এক অভিভাবকের ফোনালাপের অডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ওই ফোনালাপের কথোপকথন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।  

দেশের স্বনামধন্য একটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ কীভাবে এত বাজে ও অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করতে পারেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কামরুন নাহার যুগান্তরকে বলেন,  যোগদান করার পর থেকে অভিভাবক ফোরামের কয়েকজন অবৈধ সুবিধা দাবি করে আসছে। তাদের কথা না শুনলে আমি এখানে থাকতে পারবো না বলেও হুমকি দেওয়া হয়। সেই থেকে দুইবার আমার অফিস রুমে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। রুমে প্রবেশ করে টেবিল চাপড়ে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। আমার বাড়ির দরজা এবং অফিসের দরজা ধাক্কাধাক্কি করা হয়েছ।

তিনি দাবি করেন, এ বছর প্রথম শ্রেণিতে প্রায় দেড়শ' সিট খালি আছে। মূলত সেগুলোতে অবৈধ ভর্তি বাণিজ্য করতে কয়েক অভিভাবক ও প্রতিনিধি আমাকে চাপ দিচ্ছেন। তাদের কথা না রাখায় আজকে তিনি বিপাকে। এমনকি পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ফোনালাপ বিকৃত ও এডিট করে আংশিক প্রকাশ করা হয়েছে। ফোনালাপে তাকে বাজে ভাষায় কথা বলা হয়েছে, যেটা প্রকাশ পায়নি।

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক কামরুন নাহার এর আগে রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর দুয়ারীপাড়া কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর তাকে ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন