৩ ‘ভাড়াটে খুনি’ গ্রেফতার
jugantor
৩ ‘ভাড়াটে খুনি’ গ্রেফতার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৯ জুলাই ২০২১, ১৪:০৪:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

৩ ‘ভাড়াটে খুনি’ গ্রেফতার

‘সন্ত্রাসী’ ও ‘ভাড়াটে খুনি’ দলের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করার দাবি করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলবার ও তিন হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, চাঁদপুর ও শরীয়তপুর জেলার মধ্যবর্তী হাইমচর থানার মিয়া বাজার চরের দুর্গম এলাকায় বুধবার অভিযান চালিয়ে প্রথমে সাহাজামান ওরফে সাবুকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে গ্রেফতার করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি-গুলশান) অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) রেজাউল করিমের নেতৃত্বে ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিমের সদস্যরা। পরে সাবুর দেওয়া তথ্যমতে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার পল্লবী থানার কালাপানি এলাকা থেকে সাইফুল ইসলাম ওরফে সুজন ও দুলাল বেড়া ওরফে জেএমবি দুলালকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তিনজনকে গ্রেফতারের তথ্য জানিয়ে আজ সংবাদ সম্মেলন করে ডিবি। সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বক্তব্য দেন।

উপস্থিতি ছিলেন ডিবির (উত্তর) যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ, ডিবির ডিসি (গুলশান) মসিউর রহমান ও ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার ফারুক হোসেন।

ডিবির ভাষ্য, গ্রেফতার ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসী ইব্রাহিম ও যুবরাজের তত্ত্বাবধানে ঢাকার ভাষানটেক, পল্লবীসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, ভাড়ায় খুন করার কাজ করে আসছিলেন। ক্যান্টনমেন্ট থানার পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় ঠিকাদার আরব আলী গত ১৫ মার্চ সুয়ারেজ লাইনের মেরামতকাজ করছিলেন। এ সময় এই সন্ত্রাসীরা আরব আলী ও নির্মাণশ্রমিকদের কাছে চাঁদা দাবি করেন। আরব আলী চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হয়।

গত ৩০ মার্চ দুপুরে আরব আলীকে লক্ষ্য করে গুলি করেন সন্ত্রাসীরা। তার ডান পা ও ঊরুতে গুলি লাগে। এদিন ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা হয়। ডিবি গুলশানের ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিম মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায়। তদন্তে ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের শনাক্তের পর তাদের ধরতে অভিযান চালানো হয়।

ডিবির ডিসি (গুলশান) মশিউর রহমান জানান, সাবুকে গ্রেফতারের পর ঢাকায় এনে পল্লবী থানার বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় অবস্থিত তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ইয়াবা ও রিভলবার উদ্ধার করা হয়। সাবুকে দিয়ে কৌশলে অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় আসতে বলা হয়। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় অপর দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় পল্লবী থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা হয়েছিল।

৩ ‘ভাড়াটে খুনি’ গ্রেফতার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৯ জুলাই ২০২১, ০২:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
৩ ‘ভাড়াটে খুনি’ গ্রেফতার
প্রতীকী ছবি

‘সন্ত্রাসী’ ও ‘ভাড়াটে খুনি’ দলের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করার দাবি করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলবার ও তিন হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, চাঁদপুর ও শরীয়তপুর জেলার মধ্যবর্তী হাইমচর থানার মিয়া বাজার চরের দুর্গম এলাকায় বুধবার অভিযান চালিয়ে প্রথমে সাহাজামান ওরফে সাবুকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে গ্রেফতার করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি-গুলশান) অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) রেজাউল করিমের নেতৃত্বে ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিমের সদস্যরা। পরে সাবুর দেওয়া তথ্যমতে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার পল্লবী থানার কালাপানি এলাকা থেকে সাইফুল ইসলাম ওরফে সুজন ও দুলাল বেড়া ওরফে জেএমবি দুলালকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তিনজনকে গ্রেফতারের তথ্য জানিয়ে আজ সংবাদ সম্মেলন করে ডিবি। সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বক্তব্য দেন। 

উপস্থিতি ছিলেন ডিবির (উত্তর) যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ, ডিবির ডিসি (গুলশান) মসিউর রহমান ও ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার ফারুক হোসেন।

ডিবির ভাষ্য, গ্রেফতার ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসী ইব্রাহিম ও যুবরাজের তত্ত্বাবধানে ঢাকার ভাষানটেক, পল্লবীসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, ভাড়ায় খুন করার কাজ করে আসছিলেন। ক্যান্টনমেন্ট থানার পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় ঠিকাদার আরব আলী গত ১৫ মার্চ সুয়ারেজ লাইনের মেরামতকাজ করছিলেন। এ সময় এই সন্ত্রাসীরা আরব আলী ও নির্মাণশ্রমিকদের কাছে চাঁদা দাবি করেন। আরব আলী চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হয়। 

গত ৩০ মার্চ দুপুরে আরব আলীকে লক্ষ্য করে গুলি করেন সন্ত্রাসীরা। তার ডান পা ও ঊরুতে গুলি লাগে। এদিন ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা হয়। ডিবি গুলশানের ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিম মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায়। তদন্তে ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের শনাক্তের পর তাদের ধরতে অভিযান চালানো হয়।

ডিবির ডিসি (গুলশান) মশিউর রহমান জানান, সাবুকে গ্রেফতারের পর ঢাকায় এনে পল্লবী থানার বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় অবস্থিত তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ইয়াবা ও রিভলবার উদ্ধার করা হয়। সাবুকে দিয়ে কৌশলে অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় আসতে বলা হয়। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় অপর দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় পল্লবী থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা হয়েছিল।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর