খুলনার সেই মামলায় মামুনুল হক শোন অ্যারেস্ট 
jugantor
খুলনার সেই মামলায় মামুনুল হক শোন অ্যারেস্ট 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪৩:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

মামুনুল হক

২০১৩ সালে খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় করা বিস্ফোরক মামলায় হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হককে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে।

রোববার সকালে তাকে খুলনা অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আনা হয়। এর পর তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানোর আদেশ দেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কেএম ইকবাল হোসেন বলেন, শুনানি শেষে মামুনুল হককে জেলহাজতে নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

তিনি বলেন, মামুনুল হককে এ মামলায় শোন অ্যারেস্ট করা হলো। আগামী দিনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে।

২০১৩ সালে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলাটি করা হয়। এ মামলায় হাজিরার জন্য গত শুক্রবার বিকালে গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে খুলনা কারাগারে আনে পুলিশ।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বিকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাতিল, গ্রেফতার যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি ও সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি ও হেফাজতে ইসলামসহ ১২ দলের প্রায় তিন হাজার মানুষ মিছিল বের করেন।

মিছিলটি নগরীর ডাকবাংলা ও ময়লাপোতা মোড় হয়ে শিববাড়ি মোড়ে গণজাগরণ মঞ্চের দিকে যাচ্ছিল। ফুজি কালার ল্যাবের সামনে পৌঁছলে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা মিছিলের মধ্য থেকে পুলিশের ওপর ককটেল বোমা ও গুলি নিক্ষেপ করতে থাকে।

পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। নিক্ষিপ্ত বোমার আঘাতে কিছু পুলিশ আহত হয়। সেই সময় তাদের চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে সেখান থেকে ২৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় সোনাডাঙ্গা থানায় খুলনা মহানগর ইমাম পরিষদের কয়েকজন নেতা ও হেফাজত ইসলামীর নেতা মাওলানা মামুনুল হকসহ ২৬ জনের নামে ২২ ফেব্রুয়ারি সোনাডাঙ্গা থানার এসআই আলমগীর কবীর বাদী মামলা করেন।

খুলনার সেই মামলায় মামুনুল হক শোন অ্যারেস্ট 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মামুনুল হক
মামুনুল হক। ফাইল ছবি

২০১৩ সালে খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় করা বিস্ফোরক মামলায় হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হককে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। 

রোববার সকালে তাকে খুলনা অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আনা হয়। এর পর তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানোর আদেশ দেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কেএম ইকবাল হোসেন বলেন, শুনানি শেষে মামুনুল হককে জেলহাজতে নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর  শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

তিনি বলেন, মামুনুল হককে এ মামলায় শোন অ্যারেস্ট করা হলো। আগামী দিনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে।  

২০১৩ সালে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলাটি করা হয়। এ মামলায় হাজিরার জন্য গত শুক্রবার বিকালে গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে খুলনা কারাগারে আনে পুলিশ।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বিকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাতিল, গ্রেফতার যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি ও সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি ও হেফাজতে ইসলামসহ ১২ দলের প্রায় তিন হাজার মানুষ মিছিল বের করেন। 

মিছিলটি নগরীর ডাকবাংলা ও ময়লাপোতা মোড় হয়ে শিববাড়ি মোড়ে গণজাগরণ মঞ্চের দিকে যাচ্ছিল। ফুজি কালার ল্যাবের সামনে পৌঁছলে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা মিছিলের মধ্য থেকে পুলিশের ওপর ককটেল বোমা ও গুলি নিক্ষেপ করতে থাকে। 

পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। নিক্ষিপ্ত বোমার আঘাতে কিছু পুলিশ আহত হয়। সেই সময় তাদের চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে সেখান থেকে ২৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় সোনাডাঙ্গা থানায় খুলনা মহানগর ইমাম পরিষদের কয়েকজন নেতা ও হেফাজত ইসলামীর নেতা মাওলানা মামুনুল হকসহ ২৬ জনের নামে ২২ ফেব্রুয়ারি সোনাডাঙ্গা থানার এসআই আলমগীর কবীর বাদী মামলা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন