দরিদ্রদের ঋণ দিতে ৫০০ কোটি টাকার তহবিল
jugantor
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার
দরিদ্রদের ঋণ দিতে ৫০০ কোটি টাকার তহবিল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০৪:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক, ভূমিহীন কৃষক, নিম্ম আয়ের উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীর মত দরিদ্রদের কম সুদে ঋণ দিতে ৫০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তহবিল থেকে এসব দরিদ্রদের সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ৩ বছর মেয়াদী ঋণ দেওয়া হবে।

ঋণের বিপরীতে কোন জামানত নেওয়া হবে না। বিশেষ সুবিধায় ১০, ৫০ ও ১০০ টাকা জমা দিয়ে খোলা ব্যাংক হিসাবের গ্রাহকরাই এ তহবিল থেকে ঋণ পাবেন।
এ বিষয়ে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। জারির দিন থেকেই এ নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক ও নিম্ম আয়ের মানুষদেরকে অর্থনীতির মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে এ তহবিল গঠন করা হয়েছে। তহবিলের মেয়াদ হবে ৫ বছর। প্রয়োজনে এর মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে। তহবিলের আকারও বাড়ানো হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস থেকে এ তহবিলের জোগান দেওয়া হবে। এ তহবিলের আওতায় ব্যাংকগুলো গ্রাহকদেরকে ঋণ দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে শতভাগ অর্থায়ন করা হবে। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সুদ নেবে মাত্র ১ শতাংশ। গ্রাহকদের কাছ থেকে ব্যাংকগুলো নিতে পারবে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদ। তবে এর কমও সুদ নেওয়া যাবে।

এ তহবিল থেকে ক্ষুদ্র, অতি ক্ষুদ্র, মাইক্রো, ভূমিহীণ কৃষক, দর্জি, চা দোকানদারসহ এমন স্বল্প আয়ের পেশাজীবীরা ঋণ পাবেন। স্কুল ব্যাংকিংয়ের আওতায় হিসাব খোলা ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে যারা ঝড়ে পড়েছেন তারাও এ তহবিল থেকে ঋণ পাবেন। তবে কোনও ঋণ খেলাপি বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদ ভর্তুকির আওতায় ঋণপ্রাপ্তরা এ তহবিলের ঋণ পাবেন না।

একক গ্রাহককে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা, ২ থেকে ৫ সদস্যের গ্রুপ হলে প্রতি সদস্য ৪ লাখ টাকা করে গ্রুপে ২০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া যাবে। ঋণের বিপরীতে কোন জামানত দিতে হবে না। তবে দুইজন গ্রাহকের গ্যারান্টি দিতে হবে। ঋণের গ্রেস পিরিয়ড হবে ছয় মাস। গ্রেস পিরিয়ড ছাড়া পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে ঋণ শোধ করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার

দরিদ্রদের ঋণ দিতে ৫০০ কোটি টাকার তহবিল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক, ভূমিহীন কৃষক, নিম্ম আয়ের উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীর মত দরিদ্রদের কম সুদে ঋণ দিতে ৫০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তহবিল থেকে এসব দরিদ্রদের সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ৩ বছর মেয়াদী ঋণ দেওয়া হবে।

ঋণের বিপরীতে কোন জামানত নেওয়া হবে না। বিশেষ সুবিধায় ১০, ৫০ ও ১০০ টাকা জমা দিয়ে খোলা ব্যাংক হিসাবের গ্রাহকরাই এ তহবিল থেকে ঋণ পাবেন। 
এ বিষয়ে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। জারির দিন থেকেই এ নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে। 

সার্কুলারে বলা হয়, করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক ও নিম্ম আয়ের মানুষদেরকে অর্থনীতির মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে এ তহবিল গঠন করা হয়েছে। তহবিলের মেয়াদ হবে ৫ বছর। প্রয়োজনে এর মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে। তহবিলের আকারও বাড়ানো হবে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস থেকে এ তহবিলের জোগান দেওয়া হবে। এ তহবিলের আওতায় ব্যাংকগুলো গ্রাহকদেরকে ঋণ দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে শতভাগ অর্থায়ন করা হবে। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সুদ নেবে মাত্র ১ শতাংশ। গ্রাহকদের কাছ থেকে ব্যাংকগুলো নিতে পারবে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদ। তবে এর কমও সুদ নেওয়া যাবে। 

এ তহবিল থেকে ক্ষুদ্র, অতি ক্ষুদ্র, মাইক্রো, ভূমিহীণ কৃষক, দর্জি, চা দোকানদারসহ এমন স্বল্প আয়ের পেশাজীবীরা ঋণ পাবেন। স্কুল ব্যাংকিংয়ের আওতায় হিসাব খোলা ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে যারা ঝড়ে পড়েছেন তারাও এ তহবিল থেকে ঋণ পাবেন। তবে কোনও ঋণ খেলাপি বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদ ভর্তুকির আওতায় ঋণপ্রাপ্তরা এ তহবিলের ঋণ পাবেন না। 

একক গ্রাহককে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা, ২ থেকে ৫ সদস্যের গ্রুপ হলে প্রতি সদস্য ৪ লাখ টাকা করে গ্রুপে ২০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া যাবে। ঋণের বিপরীতে কোন জামানত দিতে হবে না। তবে দুইজন গ্রাহকের গ্যারান্টি দিতে হবে। ঋণের গ্রেস পিরিয়ড হবে ছয় মাস। গ্রেস পিরিয়ড ছাড়া পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে ঋণ শোধ করতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর