খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি

হাইকোর্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

প্রকাশ : ০৮ মে ২০১৮, ১১:১৪ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি  কেন্দ্র করে হাইকোর্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই হাইকোর্টের প্রতিটি ফটকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। প্রত্যেককেই নিজ নিজ পরিচয়পত্র দেখিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে হচ্ছে।

জামিন শুনানিতে অংশ নিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. আবদুল মঈন খানসহ অন্য নেতারা উপস্থিত হয়েছেন।

প্রতিটি ফটকে তল্লাশি ও পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ার কারণে শত শত নেতাকর্মীকে হাইকোর্টের তিনটি ফটকের বাইরে অবস্থান করতে হচ্ছে। তবে আদালতের ভেতরে উভয়পক্ষের কমপক্ষে তিন শতাধিক আইনজীবী উপস্থিত রয়েছেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল এবং আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশ তুলে নেয়া সংক্রান্ত বিএনপি নেত্রীর আবেদনের ওপর শুনানি চলছে।

সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়েছে।

গত ১২ মার্চ দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা কেন বৃদ্ধি করা হবে না, তা জানতে চেয়েও রুল জারি করেন আদালত। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন।

এর পর ১৯ মার্চ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ ৮ মে পর্যন্ত জামিন স্থগিতের আদেশ দেন। একই সঙ্গে দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আইনজীবীদের আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দিতে বলেন।

উল্লেখ্য, ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫-এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই আদালত খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয় আসামির প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। এর পর থেকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে রয়েছেন বিএনপি নেত্রী।