বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়ার পর ডাক্তারি পেশা নিয়ে যা বললেন প্রাণ গোপাল
jugantor
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়ার পর ডাক্তারি পেশা নিয়ে যা বললেন প্রাণ গোপাল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:২১:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রাণ গোপাল দত্ত

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কুমিল্লা ৭ আসন (চান্দিনা) থেকে এমপি হয়েছেন বাংলাদেশে নাক, কান, গলা রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে খ্যাতির চূড়ান্তে ওঠা ডাক্তার প্রাণ গোপাল দত্ত।

নৌকা প্রতীকের প্রাণ গোপাল বাদে আর কোনো প্রার্থী না থাকায় সোমবার তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

সাবেক ডেপুটি স্পিকার মো. আলী আশরাফের মৃত্যুতে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসন শূন্য হয়।

একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রাণ গোপাল দত্ত জানান, সংসদ সদস্য হলেও চিকিৎকের পেশা ছাড়ছেন না তিনি। রোগী দেখে যাবেন আগের মতোই।

এক্ষেত্রে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের পথকে পাথেয় ঠিক করেছেন ৬৮ বছর বয়সী প্রাণ গোপাল।

তিনি বলেন, ৮০ বছর বয়সে ডা. বিধান রায় পহেলা জুলাই ১৯৬২ সালে মারা গেছেন। উনি ৩০ জুন ১৯৬২ পর্যন্ত সন্ধ্যার পরে ১৫টা রোগী দেখে ঘুমাতে গিয়ে তারপরে মারা যান। আমিও চাই- আমারও একটা এরকম সাডেন ডেথ হোক। মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্তও যেন আমি চিকিৎসা সেবা দিতে পারি।

পেশার প্রতি ভালোবাসার কথা জানিয়ে প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন, আমি ডাক্তারি ছাড়ব না। আমি বিশ্বাস করি, এ ডাক্তারি আমাকে এ জায়গায় এনেছে। সবচেয়ে বড় কথা হল, ৬৮ বছর বয়সে আমি যা অর্জন করেছি, রাজনীতিতে গিয়ে সব বিসর্জন দেব না। আমার অর্জনের পরিধিটা আমি ধারণের চেষ্টা করব। এটাই হল আমার কথা।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়ার পর ডাক্তারি পেশা নিয়ে যা বললেন প্রাণ গোপাল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রাণ গোপাল দত্ত
প্রাণ গোপাল দত্ত। ফাইল ছবি

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কুমিল্লা ৭ আসন (চান্দিনা) থেকে এমপি হয়েছেন বাংলাদেশে নাক, কান, গলা রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে খ্যাতির চূড়ান্তে ওঠা ডাক্তার প্রাণ গোপাল দত্ত।

নৌকা প্রতীকের প্রাণ গোপাল বাদে আর কোনো প্রার্থী না থাকায় সোমবার তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

সাবেক ডেপুটি স্পিকার মো. আলী আশরাফের মৃত্যুতে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসন শূন্য হয়।

একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রাণ গোপাল দত্ত জানান, সংসদ সদস্য হলেও চিকিৎকের পেশা ছাড়ছেন না তিনি। রোগী দেখে যাবেন আগের মতোই।

এক্ষেত্রে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের পথকে পাথেয় ঠিক করেছেন ৬৮ বছর বয়সী প্রাণ গোপাল।

তিনি বলেন, ৮০ বছর বয়সে ডা. বিধান রায় পহেলা জুলাই ১৯৬২ সালে মারা গেছেন। উনি ৩০ জুন ১৯৬২ পর্যন্ত সন্ধ্যার পরে ১৫টা রোগী দেখে ঘুমাতে গিয়ে তারপরে মারা যান। আমিও চাই- আমারও একটা এরকম সাডেন ডেথ হোক। মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্তও যেন আমি চিকিৎসা সেবা দিতে পারি।

পেশার প্রতি ভালোবাসার কথা জানিয়ে প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন, আমি ডাক্তারি ছাড়ব না। আমি বিশ্বাস করি, এ ডাক্তারি আমাকে এ জায়গায় এনেছে। সবচেয়ে বড় কথা হল, ৬৮ বছর বয়সে আমি যা অর্জন করেছি, রাজনীতিতে গিয়ে সব বিসর্জন দেব না। আমার অর্জনের পরিধিটা আমি ধারণের চেষ্টা করব। এটাই হল আমার কথা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন