অনুমোদনহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের
jugantor
অনুমোদনহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:১৬:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

অনুমোদনহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি সুদের ব্যবসা পরিচালনাকারী এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

সোমবার এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের ভার্চুয়াল বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

আদেশে বলা হয়েছে— অনুমোদনহীন ক্ষুদ্রঋণের কারবার নিয়ে তদন্ত করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে। আদেশের অনুলিপি পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে এ কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে হবে।

তদন্তের সময় যদি অননুমোদিত বা লাইসেন্স ছাড়া ক্ষুদ্রঋণ কারবারি সমবায় বা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া যায়, তা হলে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় বন্ধের পাশাপাশি আইনিব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে সুদ কারবারিদের তালিকা দিতে মাইক্রোক্র্যাডিট রেগুলেটরি অথরিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই রিট মামলার বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য ৩০ নভেম্বর তারিখ রাখা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।

অনুমোদনহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অনুমোদনহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি সুদের ব্যবসা পরিচালনাকারী এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। 

সোমবার এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের ভার্চুয়াল বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

আদেশে বলা হয়েছে— অনুমোদনহীন ক্ষুদ্রঋণের কারবার নিয়ে তদন্ত করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে। আদেশের অনুলিপি পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে এ কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে হবে।

তদন্তের সময় যদি অননুমোদিত বা লাইসেন্স ছাড়া ক্ষুদ্রঋণ কারবারি সমবায় বা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া যায়, তা হলে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় বন্ধের পাশাপাশি আইনিব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে সুদ কারবারিদের তালিকা দিতে মাইক্রোক্র্যাডিট রেগুলেটরি অথরিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই রিট মামলার বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য ৩০ নভেম্বর তারিখ রাখা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর