গাজীপুরে ১৫ মে ভোটগ্রহণ অসম্ভব: সিইসি

  গাজীপুর প্রতিনিধি ০৯ মে ২০১৮, ১৬:৫০ | অনলাইন সংস্করণ

সিইসি
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন স্থগিতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের রায় যদি নির্বাচন কমিশনের পক্ষেও যায়, তারপরও তফসিল অনুযায়ী ১৫ মে ভোটগ্রহণ সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

বুধবার সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কে এম নুরুল হুদা এ কথা জানান।

সিইসি বলেন, বুধবারও যদি আদালত নির্বাচন করার নির্দেশ দিতেন, তাহলেও ১৫ মে ভোটগ্রহণ সম্ভব ছিল। কারণ, ভোটগ্রহণের আগে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ১২ হাজার সদস্য মোতায়েন করা প্রয়োজন। কিন্তু স্বল্প সময়ে এত জনবল মোতায়েন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ যদি ভোটের জন্য কোনো সময় বেঁধে না দিয়ে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়, তাহলে তারা ভোটের তারিখ পিছিয়ে দেবেন। এর জন্য পুনঃতফসিল ঘোষণার প্রয়োজন হবে না, শুধু নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করলেই হবে।

আর সর্বোচ্চ আদালত স্থগিতাদেশ তুলে দিয়ে তফসিলে নির্ধারিত ১৫ তারিখেই ভোট করতে বললে ইসি তা অনুসরণ করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনের আঞ্চলিক কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, তারা প্রত্যেকেই মনে করেন যে এ সময়ে নির্বাচন নেয়া সম্ভব নয়।

নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কোন গাফিলতি আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সময় আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি যে সীমানা নিয়ে কোন জটিলতা আছে কি-না, কোর্টে কোন বিষয়ে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে কি-না। তখন তারা পরিষ্কার চিঠি দিয়েছে কোথাও কোন বিভেদ নেই, সীমানা নির্ধারণের কোন সমস্যা নেই। তখনই আমরা এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করি। এ ব্যাপারে আমাদের কোন গাফিলতি নেই।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগও যেভাবে চিঠি দিয়েছে তাতেও আমি কোন ভুল দেখি না। তারা তো জেনে শুনে কোর্টের আদেশ বিচার-বিশ্লেষণ করে আমাদের বলেছে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় কোন সমস্যা নেই। তখনই আমরা এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করি, আর এটাই নিয়ম।

আবার আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোন আইনি জটিলতায় পড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটি নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, তাই সে নির্বাচন নিয়ে কোন জটিলতা হবে না।

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা গাজীপুর জেলা নির্বাচন অফিস পরিদর্শন করেন। সেখানে বেশকিছু সময় আলোচনা করে পরে তিনি গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।

গাজীপুর জেলা প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহমুদ হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খন্দকার ইয়াসির আরেফিন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. তারিফুজ্জামান ও এনডিসি কুদরত এ খুদা জুয়েল প্রমুখ।

ঘটনাপ্রবাহ : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৮

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter