বাদ আসর যুগান্তরে ‘দাদু ভাইয়ের’ জানাজা, দাফন বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে  
jugantor
বাদ আসর যুগান্তরে ‘দাদু ভাইয়ের’ জানাজা, দাফন বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে  

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১০ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৪৫:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

দৈনিক যুগান্তরের ফিচার এডিটর, শিশুসাহিত্যিক ও প্রবীণ সাংবাদিক রফিকুল হক দাদুভাইয়ের প্রথম জানাজা নিজ কর্মস্থলে অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার বাদ আসর যমুনা ফিউচার পার্ক জামে মসজিদে তার জানাজা পড়াবেন ইমাম ও খতিব মুফতি ইয়াকুব শরীফ। জানাজা শেষে তার মরদেহে শ্রদ্ধা জানাবে যুগান্তর পরিবার।

এরপর যুগান্তর কার্যালয় থেকে তার মরদেহ নেওয়া হবে রাজধানীর বাসাবো মহাসড়ক জামে মসজিদে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

রোববার বেলা পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর মুগদার নিজ বাসায় মারা যান শিশুসাহিত্যিক, ছড়াকার, শিশু সংগঠক, নাট্যকার রফিকুল হক দাদুভাই। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

রফিকুল হক বাধ্যর্কজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। গত বছর পর পর দুবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি।

সুস্থ হয়ে কর্মস্থল যুগান্তরে যোগ দিলেও বার্ধক্যসহ নানা জটিলতায় প্রায় ছয় মাস আগে মুগদার বাসায় পুরোপুরি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। মৃত্যুর আগে তিনি স্ট্রোক করেন।

রফিকুল হকের জন্ম ১৯৩৭ সালের ৮ জানুয়ারি। তার গ্রামের বাড়ি রংপুরের কামালকাচনায়। তার দুই ছেলে এক মেয়ে। বড় ছেলে দেশের বাইরে থাকেন।

বাদ আসর যুগান্তরে ‘দাদু ভাইয়ের’ জানাজা, দাফন বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে  

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১০ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দৈনিক যুগান্তরের ফিচার এডিটর, শিশুসাহিত্যিক ও প্রবীণ সাংবাদিক রফিকুল হক দাদুভাইয়ের প্রথম জানাজা নিজ কর্মস্থলে অনুষ্ঠিত হবে। 

রোববার বাদ আসর যমুনা ফিউচার পার্ক জামে মসজিদে তার জানাজা পড়াবেন ইমাম ও খতিব মুফতি ইয়াকুব শরীফ। জানাজা শেষে তার মরদেহে শ্রদ্ধা জানাবে যুগান্তর পরিবার।  

এরপর যুগান্তর কার্যালয় থেকে তার মরদেহ নেওয়া হবে রাজধানীর বাসাবো মহাসড়ক জামে মসজিদে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।  

রোববার বেলা পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর মুগদার নিজ বাসায় মারা যান শিশুসাহিত্যিক, ছড়াকার, শিশু সংগঠক, নাট্যকার রফিকুল হক দাদুভাই। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
 
রফিকুল হক বাধ্যর্কজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। গত বছর পর পর দুবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। 

সুস্থ হয়ে কর্মস্থল যুগান্তরে যোগ দিলেও বার্ধক্যসহ নানা জটিলতায় প্রায় ছয় মাস আগে মুগদার বাসায় পুরোপুরি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। মৃত্যুর আগে তিনি স্ট্রোক করেন।

রফিকুল হকের জন্ম ১৯৩৭ সালের ৮ জানুয়ারি। তার গ্রামের বাড়ি রংপুরের কামালকাচনায়। তার দুই ছেলে এক মেয়ে। বড় ছেলে দেশের বাইরে থাকেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন