দেশে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে: ড. সাখাওয়াত হোসেন
jugantor
দেশে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে: ড. সাখাওয়াত হোসেন

  যুগান্তর প্রতিবেদন, সাভার  

১১ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪১:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনাররা বলছেন তারা নিজেরা ভেঙে পরেছেন। তারা আর সামাল দিতে পারছেন না। মাহবুব তালুকদার কয়েকবার বলেছেন আমি কী করব?

অন্য এক কমিশনার বলেছেন, দেশের নির্বাচন যেভাবে হয়েছে আমার ইউনিয়নে যেন সেভাবে না হয়।

সোমবার সকালে সাভারের গণবিশ্ববিদ্যালয়ে আইকিউএসি মিলনায়তনে ‘ইঙ্গ-মার্কিন প্রচারণা এবং আফগানিস্তান প্রশ্নে তালিবান’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতা দেওয়া হয় ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এটা করতে পারেনি। গত দুই নির্বাচনে নিজের ভোট নিজে দিতে না পেরে ভোটাররা হতাশ হয়েছেন। অবশ্যই এসব নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল। এছাড়া আমাদের দেশে নির্বাচনে জুডিশিয়াল ইলেকশন কমিশনও সঠিকভাবে সাপোর্ট করতে পারছে না। অথচ অন্য যে কোনো দেশের নির্বাচনে জুডিশিয়াল ইলেকশন কমিশন একটি বিশাল ভ‚মিকা রাখে।

তিনি বলেন, কোনো দেশে নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু হচ্ছে তা আমি বলব না। আমেরিকা এবং ইংল্যান্ডও বলতে পারবে না তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারছে। তবে যদি কোনো দেশের ৭০ ভাগ নাগরিক নিজেরা নিজেদের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, তাহলে সেটাকে সুষ্ঠু নির্বাচন বলা যায়।

সার্চ কমিটির বিষয়ে তিনি বলেন, যদি সার্চ কমিটি করা হয়, তাহলে আইন করে কমিটি করতে হবে। সার্চ কমিটিতে যারা থাকবেন, তাদের নাম প্রথমে পার্লামেন্টে উত্থাপন করতে হবে। কিন্তু যে সরকার ক্ষমতায় আসে, তারা তাদের ইচ্ছামতো লোক নিয়ে কমিটি গঠন করে।

২০১১ সালে স্বাধীন সার্চ কমিটির যে খসড়া করা হয়েছিল, তাতে উল্লেখ আছে পার্লামেন্টের বাইরে একক সিদ্ধান্তে কিছুই হবে না। পার্লামেন্টে বিরোধী দলের সম্মতিক্রমে উত্থাপিত নাম ও কমিটি অনুমোদন পাবে। অথবা প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতাবলে স্বাধীন কমিটি ঘোষণা করতে পারেন।

দেশে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে: ড. সাখাওয়াত হোসেন

 যুগান্তর প্রতিবেদন, সাভার 
১১ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনাররা বলছেন তারা নিজেরা ভেঙে পরেছেন। তারা আর সামাল দিতে পারছেন না। মাহবুব তালুকদার কয়েকবার বলেছেন আমি কী করব? 

অন্য এক কমিশনার বলেছেন, দেশের নির্বাচন যেভাবে হয়েছে আমার ইউনিয়নে যেন সেভাবে না হয়। 

সোমবার সকালে সাভারের গণবিশ্ববিদ্যালয়ে আইকিউএসি মিলনায়তনে ‘ইঙ্গ-মার্কিন প্রচারণা এবং আফগানিস্তান প্রশ্নে তালিবান’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতা দেওয়া হয় ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এটা করতে পারেনি। গত দুই নির্বাচনে নিজের ভোট নিজে দিতে না পেরে ভোটাররা হতাশ হয়েছেন। অবশ্যই এসব নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল। এছাড়া আমাদের দেশে নির্বাচনে জুডিশিয়াল ইলেকশন কমিশনও সঠিকভাবে সাপোর্ট করতে পারছে না। অথচ অন্য যে কোনো দেশের নির্বাচনে জুডিশিয়াল ইলেকশন কমিশন একটি বিশাল ভ‚মিকা রাখে।

তিনি বলেন, কোনো দেশে নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু হচ্ছে তা আমি বলব না। আমেরিকা এবং ইংল্যান্ডও বলতে পারবে না তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারছে। তবে যদি কোনো দেশের ৭০ ভাগ নাগরিক নিজেরা নিজেদের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, তাহলে সেটাকে সুষ্ঠু নির্বাচন বলা যায়। 

সার্চ কমিটির বিষয়ে তিনি বলেন, যদি সার্চ কমিটি করা হয়, তাহলে আইন করে কমিটি করতে হবে। সার্চ কমিটিতে যারা থাকবেন, তাদের নাম প্রথমে পার্লামেন্টে উত্থাপন করতে হবে। কিন্তু যে সরকার ক্ষমতায় আসে, তারা তাদের ইচ্ছামতো লোক নিয়ে কমিটি গঠন করে। 

২০১১ সালে স্বাধীন সার্চ কমিটির যে খসড়া করা হয়েছিল, তাতে উল্লেখ আছে পার্লামেন্টের বাইরে একক সিদ্ধান্তে কিছুই হবে না। পার্লামেন্টে বিরোধী দলের সম্মতিক্রমে উত্থাপিত নাম ও কমিটি অনুমোদন পাবে। অথবা প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতাবলে স্বাধীন কমিটি ঘোষণা করতে পারেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন